শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৮ মার্চ, ২০২৫

সাধারণ নির্বাচনের পথে যত বাধা

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
সাধারণ নির্বাচনের পথে যত বাধা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে দুটো সম্ভাব্য সময়ের কথা বলেছেন। কম সংস্কার চাইলে নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরে। বেশি সংস্কার চাইলে ২০২৬ সালের জুনে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কিছুদিন আগে বলেছিলেন, ডিসেম্বরে নির্বাচন হতে পারে, এটা মাথায় রেখেই কমিশন প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মনোনয়নপ্রক্রিয়া শুরু করেছে, যদিও দলটি নির্বাচনের চেয়ে সংস্কারে বেশি উৎসাহী। সব মিলিয়ে পরিবেশ-পরিস্থিতি যা দেখা যাচ্ছে, তাতে মনে করা যেতে পারে যে জাতীয় নির্বাচন এ বছরের মধ্যেই হয়ে যাবে। 

জেনারেল ইলেকশনের আগে স্থানীয় সরকার ভোট করার যে পরিকল্পনা ছিল বা আছে তার বাস্তবায়নও কঠিন হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, এমন কেউ কেউ জাতীয় নির্বাচনের আগেই স্থানীয় সরকারের ইলেকশন করার কথা বলেছেন বিভিন্ন সময়ে। প্রধান উপদেষ্টা নিজেও বলেছিলেন যে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথাও ভাবা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান বলেছিলেন, বেশির ভাগ মানুষ আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায়। তিনি একটি জরিপের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছিলেন যে ৬৪ শতাংশেরও বেশি মানুষ এই নির্বাচন আগে দেখতে চান। সমবায় ও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদও এক বক্তৃতায় জানিয়েছিলেন যে সরকার জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ও নুরুল হক নুরের গণঅধিকার পরিষদেরও এ ব্যাপারে সায় রয়েছে।

বর্তমান সংবিধানে না থাকলেও স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছিল। মৌলিক গণতন্ত্র- এই টার্মটি ব্যবহার করা না হলেও মেম্বার-কাউন্সিলরদের ভোটে চেয়ারম্যান ও মেয়র নির্বাচনের কথা বলা হয়েছিল, যা মৌলিক গণতন্ত্রেরই নামান্তর। মৌলিক গণতন্ত্র সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের অনেকের পরিষ্কার ধারণা থাকার কথা না। পাকিস্তানের সামরিক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ডিক্রির মাধ্যমে মৌলিক গণতন্ত্রের বিধানসংবলিত শাসনতন্ত্র জারি করেছিলেন সম্ভবত ১৯৬২ সালে। সেই ব্যবস্থায় চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত ইউনিয়নের ওয়ার্ড মেম্বারদের ভোটে নির্বাচিত করার বিধান করা হয়েছিল।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে দুটো সম্ভাব্য সময়ের কথা বলেছেন১৯৬৫ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট ইলেকশন সামনে রেখে তৎকালীন দুই পাকিস্তানের সবগুলো দল মিলে আইয়ুব খানের বিপক্ষে গঠন করে কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি (কপ)। কপের মনোনীত প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হয়েছিলেন পাকিস্তান রাষ্ট্রের জনক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন মিস ফাতিমা জিন্নাহ। মিস জিন্নাহ ও কপের বেসিক ডেমোক্র্যাসির ইলেকশনে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, জিততে পারলে এক বছরের মধ্যে জনগণের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ পুনরায় ইলেকশন হবে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে। কিন্তু তৎকালীন দুই পাকিস্তানের সবগুলো দল মিলেও মৌলিক গণতন্ত্রের মেম্বারের মেজরিটির সমর্থন আদায় করতে পারেনি। সেই সময়ে পূর্ব পাকিস্তানের অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের ৫৩ দশমিক ১২ শতাংশ তথাকথিত মৌলিক ভোটার আইয়ুব খানের মার্কায় ভোট দিয়েছিলেন। আর পশ্চিম পাকিস্তানে ৭০ শতাংশের বেশি বিডি মেম্বার আইয়ুব খানকে ভোট দিয়েছিলেন। এই হলো মৌলিক গণতন্ত্রের মাহাত্ম্য।

গ্রাম বা ওয়ার্ডের মতো ছোট ছোট ইউনিটে সাধারণত সেই ব্যক্তিরাই মেম্বার নির্বাচিত হয়ে থাকেন, স্থানীয়ভাবে যারা অর্থবিত্তে প্রভাবশালী। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই শ্রেণির লোকদের সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি কোনো কমিটমেন্ট থাকে না। গ্রামে আধিপত্য ধরে রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। আধিপত্যই যখন মুখ্য, তখন ক্ষমতার ছায়ায় থাকতেই তারা পছন্দ করেছিলেন। কড়কড়ে নোটের প্রলোভন তো ছিলই। সেই মৌলিক গণতন্ত্র বা বেসিক ডেমোক্র্যাসি ফিরিয়ে আনার একটা চিন্তাভাবনা যে আছে, তার আভাস রয়েছে। গণতন্ত্রের বিচারে নিঃসন্দেহে এটি একটি খারাপ চিন্তা।

পক্ষান্তরে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো জাতীয় সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিপক্ষে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দলের বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে পরিষ্কার বলেছেন, সংস্কার ও স্থানীয় নির্বাচন- এসব ইস্যু নিয়ে জনগণের সামনে একধরনের ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রক্তপিচ্ছিল পথে রাজপথে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্য ও জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে। তিনি যে অপচেষ্টার কথা বলছেন, হালফিল বাস্তবতায় তাকে অমূলক বলা যায় না।

কোনো কোনো উপদেষ্টাকে আমরা ইতোপূর্বেও বলতে শুনেছি যে এই সরকার কেবল একটা নির্বাচন করার জন্য আসেনি। এই সরকারকে বিপ্লবী সরকার ঘোষণা, সেকেন্ড রিপাবলিক ঘোষণা, গণপরিষদ গঠন করে নতুন শাসনতন্ত্র প্রণয়নের মতো উচ্চমার্গীয় কথাবার্তাও হয়েছে। গণ অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের দ্বারা গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি সেই চিন্তাগুলোকেই সামনে নিয়ে এসেছে ঘোষিত নীতি হিসেবে। তারা সেকেন্ড রিপাবলিক ঘোষণা করতে চান। জাতীয় সংসদের আগে তারা গণপরিষদের ইলেকশন চান।

গণপরিষদ নতুন সংবিধান প্রণয়ন করবে। নতুন সংবিধানের পর জাতীয় নির্বাচন ও নির্বাচিত সরকার। এরূপ দাবির তাৎপর্য অনুধাবন করা কঠিন নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান আর জাতীয় নাগরিক পার্টির অবস্থানের মধ্যে যে বৈপরীত্য রয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

ডিসেম্বরে জেনারেল ইলেকশন হবে কি না, হলেও ভোট কতখানি অবাধ ও স্বচ্ছ হবে, তা-ও নিশ্চিত করে বলা যায় না। যে দেশে বহুদিন, বহু বছর ধরে অবাধ ও স্বচ্ছ ইলেকশনের দেখা পাওয়া যায়নি, মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়নি, সেই দেশের মানুষ সহজে মন থেকে সন্দেহের কাঁটা উপড়ে ফেলতে পারে না। ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়। সব দিক দিয়ে অবাধ ও স্বচ্ছ একটি ইলেকশনের জন্য যে উপাদানগুলো বর্তমান থাকা অপরিহার্য, সেগুলো আছে কি না, তা নজর করে দেখা দরকার। সরকার এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা, ইলেকশন কমিশনের নিরপেক্ষতা, ক্ষমতা ও ক্ষমতা প্রয়োগের সক্ষমতা, গণতন্ত্রের প্রতি রাজনৈতিক দল এবং নেতা-কর্মীদের কমিটমেন্ট- এগুলো স্বচ্ছ ইলেকশনের জন্য জরুরি। আর দরকার ভোটার সাধারণের সচেতনতা। সরকার, ইলেকশন কমিশন, রাজনৈতিক দল কিংবা ভোটার সাধারণ- কারও পক্ষেই বিচ্ছিন্নভাবে অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

শুনতে ভালো না শোনালেও অনেক ক্ষেত্রেই সরকারের সক্ষমতা প্রমাণিত হয়নি।

দেশে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চলছে। প্রতিদিনই গ্রেপ্তার হচ্ছে কমবেশি। এই অভিযানের মধ্যেও শহর ও গ্রামে ছিনতাই, ধর্ষণ, গণপিটুনির ঘটনা ঘটে চলেছে আকসার। যখন এরকম একটি অভিযান চলছে, তখন ছোটবড় সব শয়তানের ছেড়ে দে মা পালিয়ে বাঁচি- অবস্থা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হচ্ছে বিপরীত। কেন এমন হচ্ছে?

অনেক ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী অরাজনৈতিক সরকার কেন প্রত্যাশিত সাফল্য দেখাতে পারছে না,  সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানেও কেন অপরাধীরা ভয় পাচ্ছে না, তার কারণ সরকারকেই খুঁজে বের করতে হবে। রাজপথের বিপ্লবীরা নতুন দল করেছেন- জাতীয় নাগরিক পার্টি। পার্টির নেতা সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। পদত্যাগ করে দলের হাল ধরেছেন। খুব ভালো কথা। এই তরুণদের নিয়ে সাধারণ মানুষের আশা-ভরসা ছিল অনেক। গত সাত মাসে সেটা কতখানি অবশিষ্ট আছে, বলা মুশকিল। এটা ওপেন সিক্রেট যে বৈষম্যবিরোধীরা সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে শুরু থেকেই। সরকারে তাদের প্রতিনিধিও রয়েছে। বর্তমান তথ্য উপদেষ্টাকে জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড বলে ড. ইউনূসই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। এমতাবস্থায় অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে নতুন দলের নেতাদের একটা নিবিড় সম্পর্ক থাকা বিচিত্র নয়। দলটি কিংস পার্টি নয়, তা প্রমাণ করা কঠিন। হালফিল বাস্তবতায় ড. ইউনূস সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বৈকি। আর সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে অবাধ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলীয় নেতা-কর্মীদের জনগণের বিপক্ষে যায়, এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকার জন্য পূর্বাপর হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছেন। উচ্ছৃঙ্খল অনেক নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় হাইকমান্ডের এ অবস্থান প্রশংসনীয়। তারপরও মাঠপর্যায়ের একশ্রেণির বেপরোয়া নেতা-কর্মীদের দলটি বাগে আনতে পারেনি। গণতন্ত্রের জন্য অবস্থাটি ইতিবাচক নয়। সুশৃঙ্খল দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর সুনাম শুনেছি। তাহলেও কোনো কোনো জায়গায় তাদের বিরুদ্ধেও সংঘশক্তি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। নাগরিক ঐক্যের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্নাকে তাঁর নির্বাচনি এলাকায় ঢুকতে না দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অনেক জায়গায় স্থানীয় প্রশাসন রাজনৈতিক দলের চাপে ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। এই আচরণগুলো গণতান্ত্রিক রীতিনীতির সঙ্গে যায় না। এগুলোর পরিবর্তন দরকার।

দেশের মানুষ এমন একটি নির্বাচন চায়, যা হবে সর্ববিচারে অবাধ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। কোনো ছোট দল বা স্বতন্ত্র সম্ভাব্য প্রার্থীকে যদি তার নির্বাচনি এলাকায় ঢুকতেই দেওয়া না হয়, তা হলে অবাধ নির্বাচন হবে কোন জাদুবলে?

    লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২ মিনিট আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৩৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৫৮ মিনিট আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন