শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০১ মার্চ, ২০২৫

ব্যক্তিপূজার ব্যাধি সব সময় বিপজ্জনক

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
প্রিন্ট ভার্সন
ব্যক্তিপূজার ব্যাধি সব সময় বিপজ্জনক

ব্রিটিশ রকসংগীতশিল্পী বার্কলি জেমস হারভেস্টের একটি গানের লাইন হলো : দ্য হাইয়ার ইউ ফ্লাই, দ্য হার্ডার ইউ ফল- তুমি যত বেশি ওপরে উড়বে, পতনে তুমি তত বেশি আঘাতপ্রাপ্ত হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী, যিনি এখন সর্বত্র ভারতে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা অভিধায় বর্ণিত, তিনি ভেবেছিলেন, উড়তে উড়তে তিনি স্বর্গের উচ্চতায় ধরাছোঁয়ার ঊর্ধ্বে উঠে গেছেন, কেউ আর তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। কিন্তু তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে বছরের পর বছর ধরে তাদের ওপর সীমাহীন অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়ে, হত্যা ও গুম করে, অসংখ্য মানুষকে মিথ্যা মামলায় আটকে রেখে, অনেককে বিনা বিচারে বহু বছর পর্যন্ত অন্ধকুঠরিতে আটকে রেখে অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হওয়ার শপথ লঙ্ঘন করে পাপ করেছেন। সেই অপরাধ ও পাপের ঘড়া কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছিল। তাই তার লজ্জাজনক পতন ঘটেছে এবং প্রাণরক্ষা করতে দেশ থেকে দ্রুত পালাতে হয়েছে। শেখ হাসিনার পতনের বেগ এত প্রচণ্ড ছিল যে তিনি গতির মতোই প্রচণ্ডভাবে আছড়ে পড়েছেন। সেই পতনের আঘাত তার ক্ষমতা ও শক্তিকে নিঃশেষ করে ফেলেছে। তার সোজা হয়ে দাঁড়ানোর শক্তি নেই। কার্যত তিনি রাজনৈতিক মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি নিজের, তার পিতা ও পরিবারের একটি মিথ বা কল্পকাহিনি তৈরি করেছিলেন। যে নীতি ও মূল্যবোধ তিনি নিজেও ধারণ ও বিশ্বাস করতেন না, তিনি সেসব কথা বলেছেন এবং তার শাসনকালজুড়ে গণহত্যার নেতৃত্ব দিয়ে তিনি তার রাজনৈতিক মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

রাজনীতিতে ব্যক্তিপূজার ব্যাধি সব সময় সবচেয়ে বিপজ্জনক ছিল। সেই বিপদের কথা বাঙালি কখনো ভাবেনি বলেই ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের এই অংশ স্বাধীন হয়েও ক্ষমতা নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কামড়াকামড়ির কারণে দেশকে কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধির পথে নিতে পারেনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও যে তা সম্ভব হয়নি, এর কারণ একটাই, বাঙালি রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার জন্য ব্যক্তিকে দেবতার পর্যায়ে উন্নীত করেছিল। এমন ব্যক্তিকে পৌরাণিক, এমনকি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় ডেমিগড, যিনি এমন এক ব্যক্তি, যার প্রতিভা ও ক্ষমতা এত বেশি যে, তিনি ঈশ্বর হওয়ার তুল্য। কোনো রাজনৈতিক নেতা যখন আমিত্বকে প্রতিষ্ঠা করতে চান, তখন তিনি তার অনুগতদের কাজে লাগান তার আমিত্বে দীক্ষিত অনুসারীদের মগজ ধোলাই করতে। তাদের শেখানো হয় কঠোর আনুগত্য। আনুগত্যহীনতার পরিণতির কথা বলে তাদের মধ্যে একধরনের অপরাধবোধ জাগিয়ে রাখা হয়।

ব্যক্তিপূজার অন্ধত্বের শিকার ছিল বা এখনো আছে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের লোক। তাদের নেতাকে ঘিরে যে আবহ গড়ে তোলা হয়েছে, তার প্রতি অনুগত থাকা, তার কথা ধর্মীয় বাণীর মতো মান্য করার মনস্তাত্ত্বিক বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করার ওপরই নির্ভরশীল ছিল শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার সাফল্য। এর অনুসারীরা কার্যত হয়ে পড়েছিল স্বেচ্ছা দাসে। মৃত মুজিব ও জীবিত হাসিনার বন্দনা গাওয়া ছাড়া তাদের আর কিছু করার ছিল না। তারা তাদের নিজেদের পরিচয় হারিয়ে ফেলেছিল এবং লাভ করেছিল নতুন পরিচয়। এই পরিচয়ের বাইরে যেতে পারত না তারা। কেউ এর বাইরে যেতে চেষ্টা করলে তাদের জীবন নরকতুল্য হয়ে উঠত, এমনকি জীবন হারানোর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো। বাংলাদেশে আমরা এমন পরিস্থিতি দেখেছি ১৯৭৪ সালের এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলের সামনে ছাত্রলীগের সাত নেতাকে হত্যার ঘটনায়। ওই সময় যেহেতু আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না, অতএব অন্য দলের কেউ তাদের হত্যা করেছে, এমন অভিযোগ ওঠেনি। তারা নিজেরাই নিজেদের হত্যা করেছিল।

ব্যক্তিপূজার ব্যাধি সব সময় বিপজ্জনকশেখ মুজিব নিজেকে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটির প্রতিরূপ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন। তিনি জাতির পিতা অভিধায় সন্তুষ্ট ছিলেন না। তিনি পদ ও পদবিহীন মহাত্মা গান্ধী হতে চাননি। তিনি বাংলাদেশের আমৃত্যু রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার সব বন্দোবস্ত করে ফেলেছিলেন। তোষামোদকারীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকতে ও তাদের দ্বারা গুণগানে আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে পছন্দ করতেন। ১৯৭৫ সালের আগস্টে দৈবক্রমে তার জীবন সংক্ষিপ্ত না হলে, মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তার প্রিয় স্লোগান- এক নেতা, এক দেশ, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ যে রাষ্ট্রীয় স্লোগানে পরিণত হতো, তাতে সন্দেহ নেই। শেখ মুজিবের জীবদ্দশায় তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তই ছিল রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত। তার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করার সাহস দলের কোনো নেতার ছিল না বলে সব রাজনৈতিক দলের বিলুপ্তি ঘটিয়ে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। চারটি দৈনিক সংবাদপত্রকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অন্য সব সংবাদপত্রের প্রকাশনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

এ ব্যাধি যে শুধু শেখ মুজিবের একার ছিল, তা নয়। বিশ্বের আরও অনেক নেতা এই সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত ছিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, যিনি এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য ছিলেন, ক্ষমতার দাপট ও মোহ তার মাঝেও ব্যক্তিপূজার জীবাণু ছড়িয়েছিল। তাকে মা দুর্গার প্রতিরূপ বলে প্রচার করত তার দলের তোষামোদকারীরা। ১৯৭৪ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ৮৩তম সভাপতি দেবকান্ত বড়ুয়া ঘোষণা করেন ভারত হলো ইন্দিরা এবং ইন্দিরাই ভারত। ইন্দিরা যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে কে বাঁচবে? ইন্দিরা গান্ধী সম্পর্কে বড়ুয়ার এ মন্তব্য দিয়ে তোষামোদীর মাত্রা সম্পর্কে ধারণা করা যায়।

একনায়কসুলভ চেতনার ধারক রাজনীতিবিদরা ব্যক্তিপূজাকে ক্ষমতার মূলমন্ত্র বলে ভাবেন। শেখ মুজিবও তা ভেবেছেন, তার কন্যা শেখ হাসিনা আরও বেশি ভেবেছেন। ব্যক্তিপূজা যদি ক্ষমতার শীর্ষ আসনে আসীন কোনো রাজনীতিবিদের প্রাণসঞ্জীবনীতে পরিণত হয়, তাহলে তিনি এর অসারতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারেন না। শেখ হাসিনাও পারেননি। তোষামোদকারীরা তার পিতার ক্ষেত্রে উদ্ভাবন করেছিল এক নেতা এক দেশ ..., তারাই শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে উদ্ভাবন করেছিল, শেখ হাসিনার সরকার, বারবার দরকার। ক্ষমতায় থাকলে কেউ মহাভারতের ভবিষ্যদ্বাণী তোমাকে বধিবে যে গোকুলে বাড়িছে সে, স্মরণ রাখে না। শেখ হাসিনাও তা স্মরণ রাখেননি। তার অপশাসনে অতিষ্ঠ জনগণের ক্ষোভের আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ যেকোনো সময় ঘটতে পারে, তাকে ঘিরে রাখা তোষামোদকারী এবং পাইক-বরকন্দাজ, এমনকি তার পোষ্য গোয়েন্দারা তাকে সে আভাস দিতে পারেনি। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল তার ক্ষমতার মন্দির। তার দেড় দশকের রাজনৈতিক আধিপত্য যে শুধু পুরোনো দিনের রাজা-মহারাজা ও নবাবদের মতো একদল সুবিধাভোগী দরবারীর সৃষ্টি করেছিল, তা তিনি উপলব্ধি করতে পারেন, যখন রাজা লক্ষ্মণ সেনের মতো অসহায় অবস্থায় তাকে প্রাণভয়ে পালিয়ে যেতে হয়। দুনিয়াজুড়ে দেশে দেশে প্রতিটি স্বৈরশাসকের একই পরিণতি ঘটেছে এবং ঘটছে। এর সর্বশেষ দৃষ্টান্ত বাংলাদেশের শেখ হাসিনা এবং সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ।

ইংরেজি-ভাষী বিশ্বে, কাল্ট শব্দটিকে নিন্দনীয় বিবেচনা করা হয়। শব্দটি উদ্ভব ল্যাটিন শব্দ cultus থেকে, যার অর্থ প্রার্থনা বা বন্দনা। রাজনৈতিক ব্যক্তিপূজা এবং আধ্যাত্মিক ব্যক্তিপূজার মধ্যে পার্থক্য হলো, আধ্যাত্মিক নেতা তার অনুসারীদের পরিচালিত করেন সংশ্লিষ্ট নেতার ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী তার ঈশ্বরের নামে। কিন্তু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিজেকে ভাববাদী করে তোলেন সবকিছুর কৃতিত্ব নিজের দাবি করে। যে রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তার ভূমিকা রাখার কথা, সে ব্যবস্থাকে নিজের মর্জির অধীনস্থ করে ফেলেন, যা করেছিলেন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতার দাবিদার শেখ মুজিব। তিনি তার প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আস্থাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের ওপর তার যথেচ্ছচার প্রয়োগ করে নিজের, জনগণের ও দেশের সর্বনাশ ডেকে এনেছিলেন। ব্যক্তি যদি সব ক্ষমতার উৎস হয়ে ওঠেন, যেমন ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুই, জার্মানির চ্যান্সেলর এডলফ হিটলার হয়েছিলেন- তারা বিশ্বের আর কোনো শক্তিকে তাদের মোকাবিলায় মনে করতেন ক্ষমতাহীন চুনোপুঁটি। ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুই ১৬৪৩ সাল থেকে ৭২ বছরের বেশি সময় পর্যন্ত তার দেশ শাসন করেছেন নিরঙ্কুশভাবে। ক্ষমতার দাপট তাকে ভাবতে শিখিয়েছিল যে তিনিই রাষ্ট্রের সমার্থক এবং তিনি বলতে অভ্যস্ত ছিলেন, আমিই রাষ্ট্র। তিনি আরও বলতেন, যে ব্যক্তি নিজেকে জয় করতে পারেন, তার সামনে অন্য কিছুই টিকে থাকতে পারে না। কিন্তু তিনি যে জীবনভর নিজেকে রাষ্ট্র বলে দাবি করেছেন শেষ পর্যন্ত তার সেই ভ্রম কেটেছিল। তবে তার এই উপলব্ধি ঘটেছিল অনেক বিলম্বে, তার অন্তিম শয়ানে। শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করার আগে তিনি বলেন, আমি চলে যাচ্ছি, কিন্তু রাষ্ট্র সব সময় টিকে থাকবে।

কিন্তু বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্যজনক যে, বারবার নিজেদের ভুলের চরম খেসারত দিয়েও আওয়ামী লীগের কোনো পর্যায়ের নেতার সে উপলব্ধি ঘটে না। তারা বাংলাদেশকে মনে করেন তাদের জমিদারি এবং জনগণকে ভাবেন তাদের প্রজা। তারা শেখ মুজিবকে দেবতুল্য বিবেচনা করেন, তার আরাধনা করেন এবং অন্যদের বাধ্য করতে চান তাদের অনুকরণে শেখ মুজিবের, মুজিবকন্যার ও এমনকি তার পুত্রের আরাধনা করতে। দেশজুড়ে শেখ মুজিবের হাজার হাজার মূর্তি স্থাপন করে তাকে জাতিধর্মনির্বিশেষে সবার আরাধ্য করে তুলতে চেয়েছিলেন তারা। ব্যাপক জনগোষ্ঠীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেশে দেশে যেখানেই কোনো বিশেষ জীবিত বা মৃত ব্যক্তিকে পূজা করার জন্য বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে, সেখানেই জনরোষে মূর্তি ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে জার্মানিতে হিটলার, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে লেনিন ও স্টালিন, চীনে মাও জে দং, রোমানিয়ার নিকোলাই চশেস্কু এবং ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের হাজার হাজার মূর্তি উৎপাটিত ও ধ্বংস করা হয়েছে। এসব দৃষ্টান্ত সামনে থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রের ব্যয়ে বাংলাদেশের আনাচকানাচে শেখ মুজিবের ছোটবড় শত শত মূর্তি ও ম্যুরাল স্থাপন করা কতটুকু সংগত হয়েছিল, ব্যক্তিপূজায় অন্ধ আওয়ামী পুরোহিতরা বিবেচনায় নেননি। কারণ তারা জনগণ বা জনমতের থোড়াই তোয়াক্কা করেন।

জার্মান একনায়ক হিটলার জনপ্রিয় ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত শাসক ছিলেন। তিনি জার্মানি এবং তার অধিকৃত ভূখণ্ডের যত্রতত্র তার বিশাল বিশাল ছবি টাঙানো দেখতে ও তার মূর্তি স্থাপনে উৎসাহী ছিলেন। এসব প্রতীকও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল, কারণ এগুলো ব্যাপকভাবে নাৎসি প্রচারের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। হিটলারের জন্য নাৎসিরা তাদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেছিল : এক জনগোষ্ঠী, এক দেশ, এক নেতা (ein Volk, ein Reich, ein Führer)। নাৎসি প্রচারণা তাদের নেতাকে (ফুয়েরার) জার্মান জাতি ও জনগণের জীবন্ত প্রতীক হিসেবে চিত্রিত করেছিল, যা হিটলারের নাৎসি ধর্মকে আরও শক্তিশালী করেছিল। নাৎসি পার্টির দাবি হিটলারকে জার্মানির একক ত্রাণকর্তা এবং জার্মান জনগণের পিতা বানিয়েছিল।

শেখ মুজিবকে ব্যক্তিপূজার উপকরণে পরিণত করার সূচনা ঘটেছিল তার আকর্ষণীয় ক্ষমতা ও সহজাত দক্ষতার কারণে, যিনি তার কথার জাদুতে মানুষকে তার দিকে টানতে পারতেন। তিনি মানুষের মাঝে উন্মাদনা সৃষ্টি করে তাদের দিয়ে যা খুশি তাই করাতে পারতেন। রাজনৈতিক নেতা হয়েও তিনি নিজেকে অনেকটা আধ্যাত্মিক গুরুর মতো আবেদন সৃষ্টিকারী নেতায় পরিণত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। পরিণাম শুভ হয়নি, বরং তার জন্য ও দেশের জন্য ধ্বংসাত্মক প্রমাণিত হয়েছে। তার ওপর বিশ্বাস স্থাপনকারী জনগণ প্রতারিত হয়েছে। রাজনৈতিক বক্তা হিসেবে তিনি জনগণকে ক্ষেপিয়ে তুলতে বা উদ্বুদ্ধ করতে যতটা সক্ষম ছিলেন, যখন শাসক হিসেবে তার ওপর রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে জনগণকে শাসন করার প্রকৃত দায়িত্ব অর্পিত হলো, তখন তিনি দায়িত্বের ওজন সামলাতে না পেরে নিজের অযোগ্যতা প্রমাণ করেন। তার ব্যর্থতায় জনগণ চরম আশাহত হয়। শেখ মুজিব তার ব্যর্থতা স্বীকার করার মতো ব্যক্তি ছিলেন না। তা ছাড়া তখনো তার তোষামোদ ও সুবিধাভোগীরা এক নেতা এক দেশ, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ধরনের স্লোগানে তাকে বুঁদ করে রেখেছিল। অতএব নিজের অযোগ্যতাকে আড়াল করতে শেখ মুজিব কঠোর হয়ে ওঠেন। কোনো ধরনের সমালোচনা ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে তিনি রক্ষীবাহিনী গঠন করেন। দেশকে গণতন্ত্রশূন্য, এমনকি রাজনীতিশূন্য করতে তিনি বাকশাল কায়েম করেন।

তার কন্যা পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের নামে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে তার এখতিয়ারের অধীন করেছিলেন। নির্বাচনব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছিলেন। ২০১৪ থেকে তাকে আর নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী বলা যায় না। তিনি গায়ের জোরে, তার বিভিন্ন বাহিনীর শক্তির ওপর ভর করে ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে দুই সামরিক শাসক জেনারেল জিয়াউর রহমান ও জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলের চেয়ে শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনে জনগণ হাজার গুণ বেশি অত্যাচারিত হয়েছে এবং দুর্নীতি অনেক বেশি ডালপালা ছড়িয়েছে। ছাত্র-জনতার বিপ্লব হাসিনার ক্ষমতার মসনদকে খান খান না করে দিলে জাতিকে আরও দুর্ভাগ্য পোহাতে হতো।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, অনুবাদক, নিউইয়র্ক

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৩৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা
ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সত্যের তরে দৈত্যের সাথে লড়াই করাই সাংবাদিকতা: কাদের গণি চৌধুরী
সত্যের তরে দৈত্যের সাথে লড়াই করাই সাংবাদিকতা: কাদের গণি চৌধুরী

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্নাব্যুতে ৮ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ফাইনালে রিয়াল
বার্নাব্যুতে ৮ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ফাইনালে রিয়াল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন