৫ মার্চ বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘রোডম্যাপে ঐক্য কমিশন’ শীর্ষক সংবাদ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম এম ফজলুর রহমান স্বাক্ষরিত বক্তব্যে জানানো হয়, প্রকাশিত সংবাদটিতে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যার সঙ্গে বাস্তবতার আদৌ কোনো মিল নেই। প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবেদক কমিশনের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন মর্মে প্রতীয়মান হচ্ছে না। যেখানে কমিশনের কার্যক্রম উন্মুক্ত সে ক্ষেত্রে এমন অপ্রয়োজনীয় মনগড়া তথ্যসংবলিত প্রতিবেদন প্রকাশের উদ্দেশ্য বোধগম্য নয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ঐকমত্য কমিশনে পাঁচজন গবেষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং এর মধ্যে একজন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের, যা আদৌ সত্য নয়। কমিশন স্বল্পময়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা নেয়নি। ‘ঐকমত্য কমিশনে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ৪০ সদস্যের একটি টিম কাজ করবে’ মর্মে যে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে সেটাও তথ্যনির্ভর নয়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে সংবিধান সংস্কার কমিশনে ২৭ জন এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনে ১৭ জন কর্মকর্তা কাজ করছেন। অথচ প্রকৃত তথ্য হলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে বর্তমানে কর্মরত জনবলের সর্বমোট সংখ্যা ২৬। বিজ্ঞপ্তি