উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রসিদ্ধ দিনাজপুরের কাহারোল হাট। এ হাটে জায়গার অভাবে সেতুর নিচে চলে গবাদি পশু (গরু-মহিষ ও ছাগল, ভেড়া) কেনাবেচা। সেতুর নিচে পুনর্ভবা নদীতে পানি না থাকায় হাট বসলেও সেখানে সেড কিংবা পানীয় জলের ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগের শিকার হন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
সপ্তাহের প্রতি শনিবার সকাল থেকে দিনাজপুরসহ পাশের জেলা-উপজেলা থেকে ব্যবসায়ীরা গরু-মহিষ ও ছাগল-ভেড়া নিয়ে আসেন কাহারোল হাটে। গবাদি পশু কেনার জন্য ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ীরাও আসেন এখানে। স্থান সংকুলান না হওয়ায় হাট ছেড়ে পাকা সড়কে গরু নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় অনেককে। সড়কের ওপরে গরু থাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এ যেন হাটের দিনের সঙ্গী। এ থেকে পরিত্রাণে সম্প্রতি সেতুর নিচে বসছে পশুর হাট। হাটে আসা ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর গরু বিক্রেতা আবদুর রশিদ জানান, পুর্নভবা নদীর সেতুর নিচে গরু-মহিষ ক্রয় ও বিক্রয় করতে হচ্ছে। এখানে নেই বিশুদ্ধ পানি ও জলের ব্যবস্থা। সমস্যায় পড়ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এমনকি পশুর হাটের পাশে একটু বিশ্রামের জন্য নেই কোনো সেড। কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, এ হাট থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। ব্যবসায়ীদের জন্য কোনো সুব্যবস্থা গ্রহণ করেনি হাট-বাজার কর্তৃপক্ষ। কাহারোল ইউএনও আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গরু হাটের জায়গা সম্প্রসারণের কাজ শুরু করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত কাজ শেষ হবে। কোনো ধরনের সমস্যা হলে দ্রুত সমাধান করা হবে।