সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ও হল ত্যাগ করার নির্দেশের পরও সেখানে কিছু শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। তারা অভিযোগ করেন, হল খালি করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কৌশলে আবাসিক হলের ইন্টারনেট লাইন ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হলে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল বুধবার রাতে ৩টি হল পরিদর্শন করে। সেখানে তারা পানির সরবরাহ সচল দেখলেও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখার সত্যতা পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল কম্পিউটার সেন্টার অ্যান্ড আইসিটি সেল থেকে জানানো হয়েছে, সাইবার ম্যালওয়্যার হুমকির কারণে ইন্টারনেট সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়।
তবে শিক্ষার্থীরা এ ধরনের কর্মকান্ডে সমালোচনা করে বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার যেভাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে ফেসবুক ইন্টারনেট বন্ধ করেছিল। একইভাবে কুয়েটেও বিতর্কিত কিছু ব্যক্তিকে টিকিয়ে রাখতে ইন্টারনেট বন্ধ করা হলো।