শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০১:১৫, শুক্রবার, ০৭ মার্চ, ২০২৫

জসীমউদ্‌দীনের কবিতায় গ্রাম, মানুষের জলছবি

সাইফুজ্জামান
প্রিন্ট ভার্সন
জসীমউদ্‌দীনের কবিতায় গ্রাম, মানুষের জলছবি

জসীমউদ্‌দীন বাংলা কবিতার আধুনিক প্রতিনিধি। পল্লীকবির অভিধার পালক তাঁর মুকুটে যুক্ত হলেও তিনি ক্রমশ দীপ্যমান হয়ে ওঠেন। গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে তিনি মুগ্ধ হন। সরল সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের বর্ণনা তাঁর কবিতাকে মহিমান্বিত করেছে। বাঙালির প্রাণ আবেগ। সেই আবেগকে অবলম্বন করে তিনি অসংখ্য কবিতা রচনা করেছেন। বিরহ যাতনা তাঁর কবিতার প্রাণশক্তি। প্রণয়, বিরহ, পরিণয় সব পর্যায়ে তাঁর সজাগ সতর্ক দৃষ্টিনিবদ্ধ হয়েছে। বিশ শতকের তৃতীয় দশকে জসীমউদ্‌দীন বাংলা কবিতায় আত্মপ্রকাশ করেন। যখন রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল দোর্দণ্ড প্রতাপে বাংলা সাহিত্যকে শাসন করছেন, এমন সময়ও জসীমউদ্‌দীন তাঁর কবিতা নিয়ে বাঙালির হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। 

জসীমউদ্‌দীন রচিত কাব্যগ্রন্থ : রাখালী (১৯২৭), নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯), বালুচর (১৯৩০), ধানক্ষেত (১৯৩০), সোজন বাদিয়ার ঘাট (১৯৩৩), হাসু (১৯৩৮), রূপবতী (১৯৪৬), মাটির কান্না (১৯৫১), এক পয়সার বাঁশি (১৯৫৬), ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে (১৯৬২), মা যে জননী কান্দে (১৯৬৩), হলুদ বরণী (১৯৬৬), জলে লেখন (১৯৬৯), পদ্মা নদীর দেশে (১৯৬৯), মাগো জ্বালিয়ে রাখিস আলো (১৯৭৬), কাফনের মিছিল (১৯৭৮), মহররম, দুমুখো চাঁদ পাহাড়ি (১৯৭৮), নাটক : পদ্মাপার (১৯৫০), বেদের মেয়ে (১৯৫১), মধুমালা (১৯৫১), পল্লীবধূ (১৯৫৬), গ্রামের (১৯৫৯), ওগো পুষ্প ধনু (১৯৬৮), আসমান সিংহ (১৯৮৩)। আত্মকথা; যাদের দেখেছি (১৯৫১), ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (১৯৬১), জীবন কথা (১৯৬৪), স্মৃতিপট (১৯৬৪), স্মরণের সরণী বাহি (১৯৭৮) উপন্যাস : বোবা কাহিনী ইত্যাদি। 

জসীমউদ্‌দীন যখন কবিতা চর্চায় আত্মনিয়োগ করেন, তখন ত্রিশ দশকের পঞ্চপাণ্ডব কবিদের বিদ্রোহ নতুন মাত্রা সূচনা করে। তুমুল প্রতিযোগিতার মধ্যে তাঁর যাত্রা। জসীমউদ্দীন গ্রামের পথে ঘুরে-ফিরে এক রাখালের মতো বাঁশি বাজিয়ে সবাইকে আকৃষ্ট করলেন। নাগরিক জীবনের হাতছানি, বিপন্নতা, অবসাদ, ক্লান্তি কারও কারও কবিতায় অনুপ্রবেশ করে। জসীমউদ্‌দীন গ্রাম বাংলার পথ-ঘাট, বৃক্ষ, ফুল, মানুষ ও তার সংগ্রামকে কবিতার বিষয় হিসেবে চিহ্নিত করেন। যে পল্লী সাহিত্য উপেক্ষিত ছিল তাকে তিনি রূপ ও রস প্রদান করেন। 

ব্যক্তিজীবনের দুঃখকষ্টের মধ্যে দীনেশ চন্দ্র সেনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হলে তিনি গ্রাম্য গাঁথা সংগ্রাহক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। একদিকে কবিতা লেখার তাগিদ, অন্যদিকে গ্রাম সম্পদ সংগ্রহের জীবন তাঁকে নতুন অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ করে। জীবনযুদ্ধের মধ্যে তিনি ক্রমশ অগ্রসর হয়েছেন। পৌঁছে গেছেন গন্তব্যে।

জসীমউদ্দীনের লেখালেখির শুরু ছেলেবেলা থেকেই। ছাত্রাবস্থায় তিনি রচনা করেন কবর কবিতা :

এইখানে তোর দাদির কবর

ডালিম গাছের তলে

তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি

দুই নয়নের জলে।

এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু

সোনার মতন মুখ,

পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে

কেঁদে ভাসাইতো বুক।

এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে

ভেবে হইতাম সারা,

সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর

ছড়াইয়া দিল কারা!

সোনালি ঊষায় সোনামুখ তার

আমার নয়নে ভরি

লাঙল লইয়া ক্ষেতে ছুটিতাম

গাঁয়ের ও-পথ ধরি।

যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে

দেখে লইতাম কত

একথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে

তামাশা করিত শত।

কবিতাটি কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। লেখা পাঠানোর ছয় মাস পর কবিতাটি প্রকাশিত হলে পাঠক মহলে বিপুল সাড়া পড়ে যায়। দীনেশ চন্দ্র সেনের সমালোচনা তাঁকে নতুন করে পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে আসে। দীনেশ চন্দ্র সেন এক ভবিষ্যৎ কবির সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করেন।

জসীমউদ্‌দীন রচিত নকশী কাঁথা মাঠ অসামান্য বর্ণনায় ঋদ্ধ। সোজন বাদিয়ার ঘাট কাব্যগ্রন্থে বাংলার মাটি ও মানুষের কাহিনি বিস্তৃত হয়েছে। সোজন বাদিয়ার ঘাট সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেন- তোমার সোজন বাদিয়ার ঘাট অতীব প্রশংসার যোগ্য। এ বই বাংলার পাঠকসমাজে আদৃত হবে সে বিষয়ে আমার লেশমাত্র সন্দেহ নাই। জসীমউদ্‌দীনের কবিতায় উপমা-উৎপ্রেক্ষার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। চেনা জনপদ থেকে তিনি কবিতায় প্রবিষ্ট করেন :

লাল মোরগের পাখার মত ওড়ে

তাহার শাড়ি

ভোরের হাওয়ায় যায় যেন গো

প্রভাতী মেঘ নাড়ি।

গ্রামের সাধারণ মানুষ, পরিচিত দৃশ্য, প্রকৃতিস্নাত পঙ্ক্তিমালা পাঠকের অন্তর ছুঁয়ে যায়। তিনি ভাটিয়ালি সংগীত রচনা করেছেন। ইসলামী গান, দেশাত্মবোধক গান তাঁর রচনার অমর সৃষ্টি। জসীমউদ্‌দীন বাংলা কবিতায় এক নতুন আবহের রূপকার। যেমন কবিতার বিষয়, ছন্দ, শব্দ নির্বাচন তেমন স্বতন্ত্র হৃদয়গ্রাহী স্বাদ ও রুচির কবিতা নির্মাণে তাঁর মতো কৃতী কবি খুব কম দেখা যায়। তাঁর সময়ে একদল কবি নগর যন্ত্রণায় ব্রত হয়ে কাব্যচর্চা করেছেন। সেখানে তিনি গ্রাম্য জীবনকে অবলম্বন করে স্নাত লোকজ ঐতিহ্যের অনুরাগী হয়ে নতুনমাত্রিক কাব্যভাষা রপ্ত করেছেন। ফুল, পাখি, নদী, শস্যের মাঠ আর সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে লীন জসীমউদ্‌দীন ধীরে ধীরে আধুনিক কবি হয়ে উঠেছেন। নিসর্গপ্রেমিক তিনি রাখাল আর বালুচরের সৌন্দর্যে মুগ্ধ। তাঁর রচিত সাধারণ মানুষেরা চাঁদ, সূর্য-বালুচরের মতো স্নিগ্ধ ও প্রবহমান। অসংখ্য কবিতায় নাগরিক জীবনে অভ্যস্ত হওয়া মানুষকে পেছনে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। জসীমউদ্‌দীনের মতো আর কেউ কি বলতে পেরেছেন এমন করে প্রাণের কথা : খেলা মোদের গান গাওয়া ভাই/ খেলা লাঙল চষা/ সারাটি দিন খেলতে জানি/ জানিই নেক বসা (রাখাল ছেলে/রাখালী) উদ্ধৃত করা যেতে পারে :

১. কাল সে আসিবে,

মুখ খানি তার নতুন চরের মত

চখা আর চখি নরম

ডানায় মুছায়ে দিয়াছে কত।

(কাল সে আসিবে)

২. কেমন যেন গাল

দুখানি মাঝে রাঙা ঠোঁটটি তাহার

মাঠে ফোটা

কলমি ফুলে কতকটা তার

খেলে বাহার

(রাখালী)

৩. কাঁচা ধানের পাতার

মত কচি মুখের মায়া,

তার সাথে

কে মাখিয়ে দেছে নবীন তৃণের ছায়া

জালি লাউয়ের ডগার মত বাহু

দুখান সরু

গা খানি

তার শাওন মাসের যেমন তমাল তরু

(নকশী কাঁথার মাঠ)

জসীমউদ্‌দীন রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। দেশপ্রেম ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তি করে তিনি অনেক কবিতা রচনা করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক কবিতা তেমন আলোচিত হয়নি। তাঁর সদর্থক ভূমিকা ও উপনিবেশিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কবিতার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। 

ভাষা আন্দোলনের শহিদদের উদ্দেশে তিনি উচ্চারণ করেন, ঘুমাও ঘুমাও ভাইরা মোদের ঘুমাও মাটির ঘরে/ তোমাদের কথা লিখিয়াছি মোরা রক্ত আখর গড়ে/ মাতা দিয়ে তার সন্তান বলি/ লিখেছে অমর সেই কথা কলি/ ভাই দিছে/ ভাই বৌ দিছে স্বামী যে রক্ত পথ ধরে।

হাজার বছর বাংলা কবিতার ভাণ্ডারে যে ঐতিহ্য ও বিষয় যুক্ত হয়েছিল তার সঙ্গে জসীমউদ্‌দীন নতুন ধারা সংযুক্ত করেন। বাংলার গ্রামীণ জনপদের আঙিনায় তিনি খুঁজে পেলেন তাঁর শিল্প সুষমা। রুপাই, দুলী, সাজুকে তাঁর কবিতার বিষয় বৈভব করেছেন তিনি। তাঁর মা পল্লী জননী। হিন্দু, মুসলমানদের যৌথ মাঙ্গলিক অভিযাত্রা তাঁর কবিতার মূর্ছনা। রবীন্দ্র, নজরুল, কল্লোল সাহিত্য প্রভাবিত যুগে তাঁর আবির্ভাব হলেও চন্দ্র কিরণের বিভায় আলোকিত করেছেন চারপাশ, তাঁর নিজস্বতা বজায় রেখেছেন সর্বক্ষেত্রে। আজও জসীমউদ্‌দীন স্বকাল, বাংলার রূপবৈচিত্র্য ও তাঁর ক্যানভাসে বর্ণিত বিষয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে বিরাজমান। বাংলা কবিতায় তাঁর সৃজিত ফসল কবিতা, নাটক, স্মৃতিকথা ও সংগীতে সমৃদ্ধ হয়ে আছে। স্মৃতিতে, স্মরণে জসীমউদ্‌দীন অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন তাঁর পাঠকের হৃদয়ে। 

কবি জসীমউদ্‌দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যু ১৯৭৬র ১৩ মার্চ।

এই বিভাগের আরও খবর
বিদায়
বিদায়
ছায়া পড়ে থাকে
ছায়া পড়ে থাকে
দুজনের সম্পর্ক যা
দুজনের সম্পর্ক যা
জসীমউদ্‌দীনের কবর
জসীমউদ্‌দীনের কবর
সুখের নান্দিপাঠ
সুখের নান্দিপাঠ
হলুদ বসন্ত পাখি
হলুদ বসন্ত পাখি
ভালোবেসেছিল
ভালোবেসেছিল
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন
আজমীর সাহেবের অবকাশযাপন
সৈয়দ মুজতবা আলী
সৈয়দ মুজতবা আলী
একটু দাঁড়াও
একটু দাঁড়াও
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
বালুকাবেলা, পাটুয়ারটেক
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
সেদিনও আকাশ ছিল লাল
সর্বশেষ খবর
আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার
আইপিএলে নতুন উচ্চতায় ভুবনেশ্বর কুমার

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু অপহরণের ঘটনায় 
পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২
শিশু অপহরণের ঘটনায়  পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেফতার ২২

৫৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা
দীর্ঘদিন পর নির্ভয়ে ঈদ করলেন চট্টগ্রামের বিএনপি নেতাকর্মীরা

৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার
রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার
টেকনাফে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে মহাসড়ক ও বাস কাউন্টারে জরিমানা আদায়
কুড়িগ্রামে মহাসড়ক ও বাস কাউন্টারে জরিমানা আদায়

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনে আগুন : আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
ট্রেনে আগুন : আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

পাহাড়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
পাহাড়ে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বরিশালে নছিমন উল্টে তরুণ নিহত
বরিশালে নছিমন উল্টে তরুণ নিহত

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

খোকসায় আট বছরের শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
খোকসায় আট বছরের শিশু ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কাহারোল নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের 
পুনর্মিলনী
কাহারোল নূরানী তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের  পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত টাকাও আ.লীগ লুটপাট করে খেয়েছে’
‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গচ্ছিত টাকাও আ.লীগ লুটপাট করে খেয়েছে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার
ট্রাম্পের শুল্ক-আঘাতে ধরাশায়ী এশিয়ার শেয়ারবাজার

১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক
রমজানের অর্জন ধরে রাখা আবশ্যক

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ঈদে সেনা-পুলিশের যৌথ টহলে নীলফামারীতে স্বস্তি
ঈদে সেনা-পুলিশের যৌথ টহলে নীলফামারীতে স্বস্তি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিনে স্বাবলম্বী আনোয়ারা
বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিনে স্বাবলম্বী আনোয়ারা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের ঈদ পুনর্মিলনী
সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের ঈদ পুনর্মিলনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চসিকের সাবেক কাউন্সিলর গ্রেফতার
চসিকের সাবেক কাউন্সিলর গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

১৮ হাজার টাকার জন্য চাপ, বিষপানে দিনমজুরের আত্মহত্যা
১৮ হাজার টাকার জন্য চাপ, বিষপানে দিনমজুরের আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতার মৃত্যু
চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ যুবদল নেতার মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক
ধলেশ্বরীতে সেনা অভিযানে অস্ত্রসহ ডেঞ্জার গ্যাংয়ের ১৬ সদস্য আটক

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প
ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু রবিবার
টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

নতুন শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের, দেশে দেশে পাল্টা পদক্ষেপের ঘোষণা
নতুন শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের, দেশে দেশে পাল্টা পদক্ষেপের ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

২০ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন
হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা মামলার খসড়া তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছে প্রসিকিউশন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম