শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১৫, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

এবার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন

মন্‌জুরুল ইসলাম
প্রিন্ট ভার্সন
এবার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করুন

‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’ নামে  জুলাই বিপ্লবীদের নতুন সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে। সংগঠনটির আহ্বায়ক হলেন আবু বাকের মজুমদার। গতকাল বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে নতুন এ রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নাম ঘোষণা করা হয়। বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে আগামীকাল শুক্রবার নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম হচ্ছে। দেশের গতানুগতিক রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তনের জন্য এ দলটির প্রতি দেশবাসীর ছয় মাসের প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে। অনেক মত-পথের সমন্বয়ে হচ্ছে এ দল। শুধু ছাত্র নয়, জনতাও থাকছে এ দলে। এ দলের নেতাদের সঙ্গে সাবেক সেনা কর্মকর্তারা বৈঠক করে জানিয়েছেন, তাঁদের ১ কোটি ভোটব্যাংক আছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় দলটির জন্ম হচ্ছে বলে শুরু থেকেই বিএনপির আপত্তি ছিল, এখনো আছে। তবে আপত্তি-অনাপত্তি যা-ই থাকুক না কেন, শেষ পর্যন্ত আগামী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন হওয়ার সব প্রস্তুতি নিয়েই দলটি পথচলা শুরু করছে। রাজনীতির মাঠে এমন বিশেষ অতিথির জন্যই এতদিন অপেক্ষা সবার। রাষ্ট্র পরিবর্তনের সব সংস্কার আয়োজনও এ নতুন অতিথির জন্য। সুতরাং এখন আর দেরি কেন, এবার নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করুন। নির্বাচন খেলার স্টেডিয়ামটা সুসজ্জিত করুন। নির্বাচনি মাঠ সবার জন্য সমান সমতল করুন। রেফারিকে নিরপেক্ষ রাখুন। সেই সঙ্গে নির্বাচনি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য যারা কলকাঠি নাড়ছেন, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। মালিককে তার মালিকানা বুঝিয়ে দিন।

বাংলাদেশ নিয়ে খেলাধুলা, ষড়যন্ত্র জন্ম থেকেই। পাকিস্তানের কর্তৃত্ববাদ, শোষণ ও তদানীন্তন শাসকদের হিমালয়সমান দম্ভে বাংলাদেশ জন্মের খেলাটা চলে যায় ভারতের কোর্টে। মুক্তিযুদ্ধে সহযোগিতার বিনিময়ে ভারত সব সময় বাংলাদেশকে তাদের করদরাজ্য করার চেষ্টা করেছে। বিগত ৫৩ বছরে ভারত কখনোই বাংলাদেশের পক্ষে থাকেনি। থেকেছে একটি পরিবারের পক্ষে। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর ভারত ওই পরিবারের দুই সদস্য শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে লালনপালন করেছে। সবকিছু শিখিয়ে-পড়িয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি বানিয়ে বাংলাদেশে পাঠায়। তিনি দেশে ফেরার মাত্র ১৩ দিনের মাথায় ৩০ মে ভারতের শত্রু প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হন। তারপর বাংলাদেশ নিয়ে ভারত খুব শক্তভাবে খেলতে শুরু করে। গত ১৬ বছর পুরোটা সময় ভারতই ছিল আওয়ামী লীগের অভিভাবক। সে কারণে এ ভূখণ্ডের কর্তৃত্ব হাতে রাখতে জঙ্গি ইস্যু তৈরি করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গিরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। ভারত যেভাবে জঙ্গি প্লটের স্ক্রিপ্ট তৈরি করে দিয়েছে, বিগত আওয়ামী সরকার সেই স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী শুধু শুটিং করে চিত্রনাট্যের পরিপূর্ণতা দিয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর আবার তাদের প্রিয় মানুষকে তারা নিজেদের নিরাপত্তায় নিয়ে গেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর বড় বেশি বেকায়দায় পড়েছে প্রতিবেশী দেশটি। এ সরকারকে নানাভাবে চাপে রাখার চেষ্টা করে নিজেরাই এখন বিপদে। তবে এখন আর এ দেশে কোনো জঙ্গি নেই। জঙ্গি নিয়ে রাজনীতিও নেই। কারণ, ভারত জানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জঙ্গি ইস্যুতে জড়ানো যাবে না। সারা বিশ্ব তাঁকে চেনে এবং জানে। আমাদের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভারতের নতুন চক্রান্তে বিভেদের রাজনীতি শুরু হয়েছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি টুকরো টুকরো করে জুলাই বিপ্লব ব্যর্থ করাই হলো প্রতিবেশীর মূল লক্ষ্য। সেইসঙ্গে আমাদের আইনশৃঙ্খলা নিয়েও খেলবে প্রতিবেশী। গত ১৫ বছরে আলেম সমাজ, ধর্মপ্রাণ মুসলমান, দাড়ি-টুপি, হিজাব নিয়ে তাদের যে জঙ্গি সিরিজ প্যাকেজ ছিল, তা এখন আর কাজে আসছে না। আমাদের স্বদেশি ধর্মনিরপেক্ষ সুশীলদের সমর্থনে অসংখ্য নিরীহ মানুষকে জঙ্গি সাজিয়ে খুন করা হয়েছে। কারাগার বা আয়নাঘরে সাজা দেওয়া হয়েছে আরও অসংখ্য মানুষকে। সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নতুন এজেন্ডায় এবং নতুন পরিকল্পনায় যথারীতি তৎপর থাকবে আমাদের প্রতিবেশী। সুতরাং সব পক্ষই সাবধান!

পবিত্র কোরআনের সুরা আশ-শুরার ৩০ নম্বর আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘তোমাদের যে বিপদাপদ ঘটে, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল এবং তোমাদের অনেক প্রতীক্ষার অবসানঅপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন।’ গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, ‘কর্মন্যে বাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন’। অর্থাৎ কর্মে তোমার অধিকার আছে, কিন্তু কর্মফল তোমার হাতে নেই। তুমি যেমন ইচ্ছা কর্ম করতে পারো কিন্তু তার ফল প্রকৃতির হাতে। প্রকৃতির নিয়ম অনুসারে কর্মের প্রতিফল তোমাকে ভোগ করতেই হবে।’ শুধু পবিত্র কোরআন আর গীতা নয়, সব ধর্মগ্রন্থেই কৃতকর্মের ফলের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা বান্দারা সে কথা মনে রাখি না। বিগত সরকার ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার জন্য দিনের ভোট রাতে, আমি ভোট, ডামি ভোট করেছিল। আর সেসব ভোটে অতি উৎসাহী ডিসি, এসপি দলীয় কর্মী বা বলা চলে দলীয় পান্ডার ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ২০১৮ সালের ভোটে যে কেলেঙ্কারি হয়েছে, তা নজিরবিহীন। সে ভোটে প্রত্যেক ডিসি-এসপি হাইকমান্ডের তুষ্টি অর্জনের জন্য রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন। পরে তাদের পদোন্নতি, ভালো পোস্টিং দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। ওই ভোটের পর সরকার যেমন ভেবেছিল তাদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হয়ে গেছে, তেমন ডিসি-এসপিরা প্রশাসনে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন। তাদের দাপটে অনেক সিনিয়র কর্মকর্তা ছিলেন কোণঠাসা। এখন সেই কৃতকর্মের ফল হিসেবে সরকার তাদের চাকরিচ্যুত করেছে। প্রশাসনে এমন শাস্তির দৃষ্টান্ত খুবই জরুরি ছিল। এজন্য অন্তর্বর্তী সরকার ধন্যবাদ পাওয়ার দাবিদার। আইনের শাসন, ন্যায়নীতি, প্রশাসন, গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করার পেছনে যারা কাজ করেছেন, তাদেরও চিহ্নিত করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এগুলো সংস্কার কার্যক্রমের অন্যতম অংশ। আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। সংস্কার আগে, নাকি নির্বাচন আগে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে, নাকি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগে-সে বিতর্ক এখন চলছে। তবে যে সিদ্ধান্তই হোক না কেন, আশা করা যায়, তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরিষ্কার হয়ে যাবে। আগামী সব নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সরকারের যেসব কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের প্রত্যেকেরই পূর্বসূরিদের কৃতকর্মের ফললাভ থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। কোনো বিশেষ মহল চাপ দিলেও কারও পক্ষ না নেওয়া এবং ন্যায়নীতি ও আইনের শাসনের পক্ষে থাকা উচিত। এর ব্যত্যয় ঘটলে ২০১৮ সালের ভোটের ডিসি-এসপিদের মতোই ভাগ্য বরণ করতে হবে-এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। ক্ষমতা, সম্মান আল্লাহর নিয়ামত। কোনো বান্দা যদি তা ধরে রাখতে না পারে, অথবা নিজের মর্যাদা নিজে রক্ষা করতে না পারে, তাহলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা কপালের ওপর দোষ চাপিয়ে লাভ নেই। বেলা শেষে কৃতকর্মের ফল ভোগ করতেই হবে।

দেশের অর্থনীতি এখন খাদের কিনারে। যদিও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতি খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেছে। সরকারের এ টেনে তোলার প্রচেষ্টাকে ধন্যবাদ। কিন্তু অর্থনীতিতে ইতিবাচক কোনো প্রভাব এখনো দেখা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীদের ইতোমধ্যে বারোটা বেজে গেছে। এখন শুধু হাতে হারিকেন নেওয়া বাকি। সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে, যেন আওয়ামী লীগ নয়, দেশের একমাত্র শত্রু এখন ব্যবসায়ী শ্রেণি। তাদের পাশে কেউ নেই। সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সম্পর্ক এখন ফ্ল্যাটবাড়িতে দুই প্রতিবেশীর মতো। কেউ কারও খবর রাখে না। দেখা হলে সৌজন্য রক্ষায় শুধু সালাম বিনিময়। ব্যাংকগুলো ব্যবসায়ীদের সহায়তার বদলে বন্ড ব্যবসা করে মুনাফা করছে। বেসরকারি খাতে নতুন কোনো বিনিয়োগ নেই। নতুন কোনো কর্মসংস্থান নেই। বরং অনেক কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বেড়েছে বেকারত্ব। এভাবে যদি চলতে থাকে, তাহলে গণতন্ত্রের পথচলা কষ্টসাধ্য হবে। সামাজিক স্থিতিশীলতা, গতিশীল অর্থনীতি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পূর্বশর্ত। অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ শুধু একটি নির্বাচন দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা নয়। ক্ষমতার রিলে রেসের কাঠিটি যাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে, তারা যেন নির্বিঘ্নে দৌড়াতে পারে; সে ব্যবস্থাও করা। গোটা পৃথিবীতে অর্থনীতির চালিকাশক্তি হলো ব্যবসায়ী সমাজ। তারা যদি হতাশ থাকে, অসহায় বোধ করে তাহলে তা দেশের জন্য শুভসংবাদ নয়। সে কারণে ব্যবসায়ীদের আস্থায় নিয়ে দেশের অর্থনীতি দৃঢ় করতে হবে।

বাকস্বাধীনতা ও পরমতসহিষ্ণুতার দাবিও ছিল জুলাই বিপ্লবে। আমরা সংস্কার নিয়ে আছি অথচ পরমতসহিষ্ণু হতে পারলাম না। গত সপ্তাহে ‘ড. ইউনূসের নতুন স্বপ্ন, নতুন দল, জামায়াতের রাজনীতি’ শীর্ষক আমার লেখা নিয়ে কারও ভিন্নমত থাকতেই পারে। সেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও আছে।  অথচ প্রকাশ ঘটেছে অসহিষ্ণুভাবে। একটি রাজনৈতিক দলের এক নেতা ফোন করে শাসিয়েছেন। দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। যে ভাষায় এবং যে মেজাজে তিনি শাসালেন, তা ভয়ংকর কোনো সন্ত্রাসীকেও হার মানায়। তথ্যটি প্রিয় পাঠকদের জানিয়ে রাখলাম। জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা ছিল মুক্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পাওয়া যাবে। কিন্তু তা হলো না। গণমাধ্যম অতীতেও চাপমুক্ত ছিল না। এখনো নেই। একেক সময় চাপের মাত্রা ও ধরন ভিন্ন। তবে গণমাধ্যমের ওপর প্রিয় পাঠকের চাপ হলো সত্য প্রকাশের। এটাই শিরোধার্য করে আমরা সব সময় পাঠকের সঙ্গেই থাকব।

লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

এই মাত্র | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

২২ মিনিট আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

২৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৬ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন