প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার আমলে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া গেছে। প্রতিটি মসজিদ নির্মাণে ১৭/১৮ কোটি টাকা করে খরচ করা হয়েছে। অথচ মসজিদগুলো ৭/৮ কোটি টাকায় করা যেত। এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কমিটি তদন্ত করছে। গতকাল রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। শফিকুল আলম বলেন, স্বৈরাচারের সমর্থকরা বলেছিল মসজিদগুলো নির্মাণে ফান্ড দিয়েছে সৌদি আরব। অথচ সৌদি একটা টাকাও দেয়নি।
একজন খুবই প্রভাবশালী মন্ত্রী (সাবেক) তার নির্বাচনি এলাকায় শহর বাদ দিয়ে ৮ কিলোমিটার দূরে যেখানে উনি রিসোর্ট করছেন সেখানে সরকারি টাকায় মডেল মসজিদ নির্মাণ করেছেন। মসজিদগুলো নির্মাণে নানা অনিয়ম নিয়ে ক্যাবিনেট মিটিংয়ে আলাপ হয়েছে।
সরকারি দপ্তরে প্রচুর জনবল নিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রেস সচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ক্যাবিনেট সচিবকে সরকারি সংস্থাগুলোতে দ্রুত প্রচুর জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নিতে বলেছেন। আগামী মিটিংয়ে ক্যাবিনেট সচিব শূন্য পদ ও নিয়োগের প্রক্রিয়া উপস্থাপন করবেন।
প্রেস সচিব বলেন, আগের সরকার বিভিন্ন কোম্পানির কাছে যে দেনা রেখে গেছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ টাকা দ্রুত পরিশোধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া নেপাল-ভারত-বাংলাদেশ মিলিয়ে কীভাবে নেপালের পানিবিদ্যুৎ বাংলাদেশে আনা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নেপাল গ্রীষ্মকালে আমাদের বিদ্যুৎ দেবে। শীতকালে তাদের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়ে। আমাদের তখন কমে। শীতকালে আমরা বিদ্যুৎ নেপালে রপ্তানি করতে পারি কি না তা নিয়ে আলাপ হয়েছে।
সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ছয় কমিশন ২ হাজারের মতো সুপারিশ দিয়েছে। সেখান থেকে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো আগে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। এটার ওপরে ৩৯ পৃষ্ঠার একটা ডকুমেন্ট করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়গুলো এগুলো বাস্তবায়ন করবে।