রাজধানীর পল্লবীতে নির্মাণাধীন একটি ভবনে ৫০ বছর বয়সী এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাতে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ভুক্তভোগী নারী নিজেই বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ করে মোট ১৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। সেই মামলায় হামিদুল (৫৩) ও এনামুল হক (৩৮) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ওই নারী পেশায় সাংবাদিক বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। সোমবার রাতে ওই নারী তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করে তুরাগের বাসায় ফিরছিলেন। পরে কয়েকজন লোক তাকে পল্লবীর বারনটেক এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তিনি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। সোমবার দিবাগত রাত একটা থেকে মঙ্গলবার ভোরের মধ্যে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ সকালে সংবাদ পেয়ে সেখান থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী নারী জানান, তার বাসা তুরাগ এলাকায়। তিনি একটি পত্রিকায় কাজ করেন। মাটিকাটা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করা হচ্ছে, এমন খবর পেয়ে তিনি রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে রাত ১১টার দিকে সেখানে যান। তখন কয়েকজন লোক তাকে ধরে বারনটেকের গ্রিন সিটি এলাকায় নির্মাণাধীন ১২তলা ভবনের তৃতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে তিনি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি পল্লবী থানায় মামলা করেন।
ওসি জানান, শারীরিক পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। বুধবার সকালে সেখানে তার ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। বাকি আসামিদের ধরার জন্য পুলিশের দুটি দল কাজ করছে।
বিডি প্রতিদিন/নাজিম