নগরবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় কিছু নেতার নাম দিয়ে ফুটপাত দখল করে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানো হয়েছে। সড়কে বিভিন্ন খাবার দোকানের কারণে যানজট নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ কিংবা সিটি করপোরেশন থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না
ঈদ এলেই নগরীর ব্যস্ততম কয়েকটি সড়কের ফুটপাত দখল হয়ে যায়। এ ছাড়াও সড়কগুলোতে ইচ্ছামতো মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন পার্কিং করে পায়ে হেঁটে চলাচল করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে পরিচিত বাজার, হাটখোলা, পোর্ট রোড, পদ্মাবতি, ফরিয়াপট্টি, ফলপট্টি, কাঠপট্টি, চকবাজার, গির্জা মহল্লা ও লাইন রোড। এসব রোডের মধ্যে মুদি-মনিহারি, তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিক্স পণ্য সামগ্রী, ফলের বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন পণ্য ও যাত্রী নিয়ে এসব রোড দিয়ে চলাচল করে।
সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা হয় নগরীর গির্জা মহল্লায়। এই সড়কে আবাসিক হোটেল, প্রাইভেট হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, খাবারের হোটেল ছাড়াও রয়েছে শতাধিক বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট। আবার মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের প্রয়োজনীয় পোশাক, ইলেকট্রনিক্স বিভিন্ন পণ্যের বাজারও এ সড়কে। কিন্তু এ সড়কের দুই পাশে ভ্রাম্যমাণ দোকান আর সারি সারি মোটর সাইকেল দিয়ে দখল করে রাখা হয়। এতে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে যাওয়া যায় না। বিভিন্ন যানবাহন বিশেষ করে কোনো প্রাইভেট কার ঢুকলে তো বিশাল যানজট হয়।
নগরবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় কিছু নেতার নাম দিয়ে ফুটপাত দখল করে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানো হয়েছে। সড়কে বিভিন্ন খাবার দোকানের কারণে যানজট নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ কিংবা সিটি করপোরেশন থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে বরিশাল সিটি প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার বলেন, সচেতনতা বোধ যদি মানুষের ভিতর না থাকে আইন করে কিছুই করা যাবে না। নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণে বরিশাল সিটি করপোরেশন ট্রাফিক বিভাগের প্রতি কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ট্রাফিকের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শরফুদ্দীন বলেন, আমি নিজেই দেখেছি। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও বাড়তি ট্রাফিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।