অনেকে ফেসবুকে পেজ খুলে ব্যবসা বা প্রচার করছেন। সঠিক কৌশল, নিয়মিত কিছু পরিবর্তন ও কার্যকর পদ্ধতি গ্রহণ করলে অল্প সময়েই ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় করা যায়। ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় করার কৌশল জেনে নিন-
মানসম্পন্ন কনটেন্ট : ফেসবুক পেজের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো মানসম্পন্ন কনটেন্ট। পেজে প্রকাশিত কনটেন্ট অবশ্যই দর্শকের আগ্রহ এবং চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। যদি কনটেন্ট অপ্রাসঙ্গিক বা নিম্নমানের হয়, তাহলে দর্শকের আগ্রহ হারিয়ে যাবে এবং পেজের এনগেজমেন্ট কমে যাবে।
পেজের প্রোফাইল : পেজের ‘অ্যাবাউট’ সেকশনটি দর্শককে প্রথমেই আকর্ষণ করে, তাই এখানে এমন তথ্য প্রদান করা উচিত, যা ব্র্যান্ডের মূল উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরে এবং দর্শকের কৌতূহল মেটায়। দর্শকের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোফাইল সাজালে তাদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং পেজের প্রতি আগ্রহ বাড়বে।
ক্রস প্রমোশন : ফেসবুকে পেজ চালু করার পর অন্যান্য জনপ্রিয় পেজ বা প্রোফাইলের মাধ্যমে প্রচার চালানো যেতে পারে। এ ছাড়া পেজে ফলো এবং শেয়ার বাটন যুক্ত করলে দর্শকের পেজে যুক্ত হওয়া সহজ হয়ে ওঠে। ক্রস প্রমোশন কৌশলটি নতুন দর্শক আনার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর।
ফেসবুকের নীতিমালা অনুসরণ : পেজে ফেসবুকের নীতিমালা অনুসরণ করে কনটেন্ট পোস্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা বা নীতিমালা লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট পেজের জনপ্রিয়তা কমিয়ে দিতে পারে। তাই ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী মানসম্মত এবং আকর্ষণীয় কনটেন্ট প্রকাশ করতে হবে।
ক্রস-পোস্টিং : যদি আপনার ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে একই কনটেন্ট ফেসবুক পেজে পোস্ট করার পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামেও শেয়ার করুন। এ কৌশলে কনটেন্টটি অনেক বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছাবে এবং একাধিক প্ল্যাটফর্মে পেজের পরিচিতি বৃদ্ধি পাবে।
লাইভ সেশন : ফেসবুকে লাইভ সেশন আয়োজন করা দর্শকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একটি চমৎকার উপায়। লাইভ সেশনে প্রশ্নোত্তর পর্ব যোগ করলে এটি আরও ইন্টার্যাকটিভ হয়ে ওঠে এবং দর্শকের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। লাইভ সেশন তাদের প্রয়োজন এবং আগ্রহ জানার জন্য বিশেষভাবে কার্যকর।
বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ : ফেসবুক পেজে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপন অনেক সময় বিরক্তিকর হতে পারে। তবে ফেসবুকের অ্যাড প্রেফারেন্স সেকশন ব্যবহার করে পছন্দসই বিজ্ঞাপন ক্যাটাগরি নির্বাচন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে দর্শকের পছন্দ অনুযায়ী বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা যায়, যা তাদের জন্য উপকারী হতে পারে।
ফেসবুক উপাত্ত বিশ্লেষণ : ফেসবুক পেজের উপাত্ত ডাউনলোড করে বিশ্লেষণ করা যায়। এ উপাত্তের মাধ্যমে সহজেই বোঝা যায় কোন ধরনের কনটেন্ট দর্শকের কাছে বেশি জনপ্রিয়। এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে দর্শকের চাহিদা অনুযায়ী কনটেন্ট তৈরি করা উচিত।