দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকটি এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়া দাবানল একদিনের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ এসব দাবানলকে দেশটির সবচেয়ে মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে অভিহিত করেছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া অন্তত পাঁচটি দাবানলে গতকাল পর্যন্ত অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর কয়েকটি ঐতিহাসিক মন্দির ভস্মীভূত হয়ে গেছে।
উইসেয়ং কাউন্টি থেকে শুরু হওয়া দাবানলটি ইতোমধ্যে ৮১ হাজার ৫০০ একরেরও বেশি পুড়িয়ে নতুন নতুন এলাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি সব দাবানলের মধ্যে সবচেয়ে বড় আগুন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক দাবানল হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান দক সু দাবানল নিয়ে সরকারি এক বৈঠকে বলেন, বহু হতাহত নিয়ে আমরা জাতীয়ভাবে একটি সংকটজনক পরিস্থিতিতে আছি। কারণ দাবানলগুলো নজিরবিহীন দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পবর্তময় অঞ্চল তিনটিতে দাবানল মোকাবিলায় ১২০টি হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চল হওয়ায় দাবানল নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ কোরিয়াকে হেলিকপ্টারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে গিয়ে বুধবার একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়, এতে পাইলট নিহত হন। রয়টার্স জানিয়েছে, উইসেয়ংয়ে উৎপত্তি হওয়া দাবানলটি পূর্বমুখে দ্রুত ছড়াতে ছড়াতে প্রায় উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে, শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্য প্রবল বাতাসের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। -রয়টার্স