পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় এক বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতে এবং যশোরের বেনাপোলে এক কর্মীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সকালে ভান্ডারিয়া উপজেলার মঞ্জু মার্কেট এলাকায় ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম ঝন্টুকে (৫০) হত্যা করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, একটি চুরির ঘটনা নিয়ে রেজাউল করিম ঝন্টুর সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয় একই এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে রুবেলের। একপর্যায়ে ঝন্টুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন তিনি। উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ঝন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর রুবেলকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। এদিকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বেনাপোলের ছোট আঁচড়া গ্রামে বিএনপির কর্মী মিজানুর রহমানকে বাড়ির উঠানে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তার স্ত্রী বলেন, ‘মিজানুরের সহকারী হিসেবে একজন ভ্যানচালক কাজ করেন। রাত আড়াইটার দিকে ওই ভ্যানচালক আমাকে ডাক দিলে বাইরে গিয়ে দেখি আমার স্বামী উঠানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।’
প্রতিবেশী ইউনূস আলী বলেন, মিজানুর গরু বেচাকেনা ও গোশত বিক্রি করতেন। ঘটনার রাতে মুঠোফোনে মহাজনের কল পেয়ে তিনি ঘর থেকে বের হন। বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি রাসেল মিয়া জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।