শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫

সান্‌জীদা খালা ক্ষমা করবেন

ফরিদুর রেজা সাগর
প্রিন্ট ভার্সন
সান্‌জীদা খালা ক্ষমা করবেন

সান্‌জীদা খালা ক্ষমা করবেন। সান্‌জীদা খাতুন আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কথাটা বলা যত সহজ লেখাটা তত কঠিন। তিনি চলে গেছেন, তাঁর জন্য দুঃখ করছি, কান্না করছি, তাঁকে নিয়ে লেখার চেষ্টা করছি। কিন্তু খালা তো এই শহরেই ছিলেন, তাঁকে কি দেখতে গেছি কোনো দিন? গত কয়েক বছরে খালাকে একটিবারের জন্যও দেখতে যাইনি। কারও সঙ্গে দেখা হলে জিজ্ঞেস করেছি, সান্‌জীদা খালা কেমন আছেন? এই এতটুকুই। আমি খুব ছোটবেলা থেকেই সান্‌জীদা খালাকে আমাদের বাসায় দেখি। তিনি আমার মায়ের বন্ধু ছিলেন। দুজনের মধ্যে নানা ধরনের আলাপ হতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। সান্‌জীদা খাতুন রবীন্দ্রসাহিত্যের প্রতিটি শাখায় জ্ঞাত ছিলেন। যেমন কবিতায়, তেমনি গান, গল্প, উপন্যাসে। তাঁকে রবীন্দ্র এনসাক্লোপিডিয়া বললেও অত্যুক্তি হবে না।

এ ব্যাপারে একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। একবার আমীরুলের কাছ থেকে একটি গল্প শুনেছিলাম-

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার তখন বাংলাদেশ টেলিভিশনে শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান শুরু করেছেন। নাম চারুপাঠ। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার লিঙ্কের জন্য সায়ীদ স্যার রবীন্দ্রনাথের একটি কবিতার অংশ বিশেষ উদ্ধৃত করবেন। কবিতাটি হলো-

বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরেবাংলাদেশ টেলিভিশনে

বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে

দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া

একটি ধানের শীষের ওপর

একটি শিশির বিন্দু।

কবিতাটি সবারই প্রায় মুখস্থ। দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া পঙ্্ক্তিটা প্রায় প্রবাদ বাক্যে পরিণত হয়েছে। কিন্তু কবিতাটার নাম কী? কোন কাব্যগ্রন্থে কবিতাটি আছে? কবিতাটির কি আরও পঙ্ক্তি আছে? ইত্যাদি নানা প্রশ্ন স্যারের মনে। পুরোপুরি না জেনে তো কবিতাটা উপস্থাপনায় উল্লেখ করা যাবে না।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের অনেককে স্যার জিজ্ঞেস করলেন। কেউ সঠিক তথ্য দিতে পারল না। সায়ীদ স্যার টেলিভিশনেও অনেকের সঙ্গে আলাপ করলেন। আশ্চর্যের ব্যাপার কেউ সঠিক তথ্য-উপাত্ত দিতে পারল না। কবিতাটা সম্পর্কে সবারই ভাসা ভাসা ধারণা।

তাঁর দুই প্রিয় ছাত্র আমীরুল আর মাযহার সঙ্গে আছে। চারুপাঠ অনুষ্ঠানে আমীরুল ছিল প্রধান সহকারী।

স্যার বললেন, কিহে কবিতাটার কোনো কূলকিনারা হলো?

না স্যার।

হাঁ-তোমরা তো আর রবীন্দ্রনাথ পড়লে না মন দিয়ে। কীভাবে কী হবে? একদিন দেখা যাবে এই সমাজে কেউ নেই যে রবীন্দ্রনাথকে কিছুটা জানে। জনপ্রিয় কয়েকটা রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকবেন। কবি রবীন্দ্রনাথের কবিতা নিয়ে কোনো আগ্রহ থাকবে না।

তারপর সায়ীদ স্যার বললেন,

চলো সান্‌জীদা আপার বাড়ি যাই।

সান্‌জীদা আপা মানে বিখ্যাত সান্‌জীদা খাতুন। সায়ীদ স্যারের ছোট্ট কিয়াই গাড়িতে মাযহার আর আমীরুল চড়ে বসল। চার তলা দালান। সান্‌জীদা খালা থাকেন তিন তলায়।

স্যার তিন তলা পর্যন্ত উঠলেন। সায়ীদ স্যার সান্‌জীদা খাতুনের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বললেন,

থাক চলো চলে যাই। আপা খুব মেজাজি মানুষ। আমাদের সরাসরি শিক্ষক। কখন কী বলে ফেলে ঠিক নেই। এই বয়সে আর বকা খেতে ভালো লাগে না।

আমীরুল আর মাযহার অবাক হয়ে স্যারের দিকে তাকিয়ে আছে। স্যারকে এমন বিব্রত হতে কখনো দেখেনি তারা।

সায়ীদ স্যার কয়েক পা নামলেন। আবার দরজার দিকে তাকালেন।

না। আপা ছাড়া রবীন্দ্রনাথকে কে আর তেমন করে পড়েছেন। চলো যাই, আপার কাছে যাই। আর মনজুরে মাওলার কাছে। মাওলাও রবীন্দ্রনাথকে পুরো আত্মস্থ করেছে।

তারপর দ্বিধা কাটিয়ে স্যার প্রবেশ করলেন সান্‌জীদা খাতুনের বাসায়। সায়ীদ স্যার আপার ড্রইংরুমে বসে আছেন। হালকা সবুজ রঙের শাড়ি পরনে। নিপাট চেহারা। লাবণ্যমাখা মুখশ্রী।

আপা আপনার বাসায় ছাত্র বয়সে গান শুনতে আসতাম। আমি আর মান্নান সৈয়দ। আপনার মনে আছে?

আপার ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি।

সায়ীদ স্যার তখন বললেন, আপা বহুদিন ধরে বহু ক্রোশ দূরে- কবিতাটি কোথায় পাব?

আপা গম্ভীরভাবে তাকালেন স্যারের দিকে।

এটা পূর্ণাঙ্গ কোনো কবিতা নয়। এটা রবীন্দ্রনাথ বালক সত্যজিৎ রায়কে অটোগ্রাফ দিয়েছিলেন। সত্যজিৎ রায় তখন শান্তিনিকেতনে পড়তে গিয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ সত্যজিৎ রায়কে ডাক নাম মানিক বলেই ডাকতেন। কারণ সত্যজিৎ রায়ের বাবা ছড়া সম্রাট সুকুমার রায় ছিলেন রবীন্দ্রনাথের অনুজ বন্ধু। সেই মানিককে অটোগ্রাফ দিতে গিয়ে এই অমর পঙ্ক্তিগুলো রবীন্দ্রনাথ লিখে দেন।

তারপর সান্‌জীদা খাতুন গভীরভাবে সায়ীদ স্যারকে বললেন,

সায়ীদ, তোমরা কেউই ভালো মতো রবীন্দ্রনাথ পাঠ করলে না। করা উচিত ছিল।

সায়ীদ স্যার মাথা নামিয়ে রইলেন।

এই হলেন সান্‌জীদা খাতুন। রবীন্দ্রনাথ নিয়ে যে কোনো জায়গায় যে কোনো বিষয়ে তাঁর মতো পাণ্ডিত্যময় ভাষণ তিনিই দিতে পারেন। পয়লা বৈশাখে ছায়ানটের যে অনুষ্ঠান হয় সেখানে সান্‌জীদা খাতুন একটি বক্তব্য দেন সেই বক্তব্যে কী পাণ্ডিত্য থাকে সেটা না শুনলে কেউ বুঝতে পারবেন না। রমনার বটমূলে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ থাকেন তারা অবশ্যই অনুধাবন করতে পারেন সান্‌জীদা খাতুন কী বলতে চেয়েছেন। সবাই মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাঁর কথা শোনেন। এ বছর আমরা তাঁর সেই মিষ্টি কণ্ঠে পাণ্ডিত্যময় বক্তব্য শুনতে পাব না এটা আমাদের জন্য কষ্টের, দুঃখের। তাঁর কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত অনেক দিন শুনি না। রেডিও, টেলিভিশনের আর্কাইভে তাঁর গানের রেকর্ড রয়ে গেছে, তারা সেগুলো প্রচার করেন। ছায়ানট প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে। সেই ছায়ানটকে তিনি বিশাল মহিরুহ রূপে পরিণত করেছেন। সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ছায়ানটের শিল্পীরা শুধু রবীন্দ্রসংগীত নয়, তারা শুদ্ধ সংগীতচর্চা করে যাচ্ছেন। সান্‌জীদা খালা আজীবন চেষ্টা করে গেছেন একটি শিশু যেন মানুষ হয়ে বড় হয়ে ওঠে। সততার সঙ্গে বড় হয়। শিশু যেন শ্রেণিশিক্ষার পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথকে ভালোবাসে। শিল্পসাহিত্যকে ভালোবাসে। ছায়ানট ভবন তৈরি করেছিলেন সেই স্বপ্ন নিয়ে। এখানে যারা আসবে তারা একটি নতুন স্বপ্ন নিয়ে বড় হবে। একজন ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন। তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। সান্‌জীদা খাতুন আর ছায়ানট আসলে একই সূত্রে বাঁধা।

ছায়ানটের পয়লা বৈশাখের যে অনুষ্ঠান সেটি চ্যানেল আই প্রচার করেছিল। বাংলাদেশ টেলিভিশনও প্রচার করে আসছে। এ অনুষ্ঠান প্রচার নিয়ে সান্‌জীদা খালার সঙ্গে আমি এবং শাইখ সিরাজের একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমরা চেষ্টা করেছিলাম সেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান করতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা সেটি পারিনি। আজ খালা যখন আমাদের মাঝ থেকে চলে গেলেন, তখন বলতে চাই সান্‌জীদা খালা আপনার প্রতি শ্রদ্ধা ভালোবাসার কোনো কমতি নেই। নির্দি¦ধায় বলতে পারি সান্‌জীদা খালা আপনার মনে যদি কোনো কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাদের ক্ষমা করবেন। খালা আপনাকে আমরা ভালোবাসি।

লেখক : গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

৪৮ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন