শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

রেমিট্যান্স বাড়লেও সুফল নেই

ড. ইউসুফ খান
প্রিন্ট ভার্সন
রেমিট্যান্স বাড়লেও সুফল নেই

প্রতিনিয়ত দেশে আসছে প্রবাসীদের ঘামঝরানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স, যা দেশ গঠনে রাখছে বড় ভূমিকা। দেশের অর্থনীতি যখন সামষ্টিক চাপে বিপর্যস্ত, তখন রেমিট্যান্সপ্রবাহ নিয়ে এসেছে স্বস্তির বার্তা। আর এ কৃতিত্বের হিরো প্রবাসীরাই। অর্থাৎ দেশের ডলারসংকট সমাধানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের গতি। রমজান উপলক্ষে ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে ফেব্রুয়ারিতে এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। মূলত এ মাসে দিনের সংখ্যা কম হওয়ায় রেমিট্যান্সও কম থাকে। কিন্তু এবার রমজান উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি চোখে পড়ার মতো। অর্থাৎ ব্যাংকিং চ্যানেলে ২৫২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে ফেব্রুয়ারিতে, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩১ হাজার ৯৪ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)। সে হিসাবে দৈনিক গড়ে ৯ কোটি ডলার বা ১ হাজার ১১০ কোটি টাকা রেমিট্যান্স এসেছে। উল্লেখ্য যে গত বছরের একই মাসের তুলনায় ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অর্থাৎ গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২ কোটি ডলার

নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দিন দিন রেমিট্যান্সের প্রবাহ যেন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার। তার পরের মাস আগস্টে আসে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সে হিসাবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের টানা সাত মাসে দুই বিলিয়নেরও বেশি প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি মার্চে দেশে রেমিট্যান্সপ্রবাহে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হবে। সে ক্ষেত্রে গত ডিসেম্বরে গড়া সর্বোচ্চ রেকর্ডও ছাড়িয়ে যেতে পারে। কারণ মার্চের শেষদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। রমজান ও ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীরা সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠান।

দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, রেমিট্যান্সপ্রবাহের ইতিবাচক প্রভাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়ছে। বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ ২০ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ ম্যানুয়াল অনুযায়ী, এ হিসাব করা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভ ২৬ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেকটি সূত্র থেকে জানা গেছে, এখন প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার পেছনে সচেতনতা কাজ করছে। আবার বৈধ পথে ডলারের দরবৃদ্ধিতে হুন্ডি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন তাঁরা। এতে বাড়ছে রেমিট্যান্স আসার গতি। আরও বেশি পরিমাণ প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসবে বলেও তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স, আজকের বিশ্বে উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য এক চালিকাশক্তি। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে যখন আর্থিক সংকট নেমে আসে, তখন প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স হয়ে ওঠে অর্থনীতির জন্য অক্সিজেন। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশের অর্থনীতির বড় একটি অংশ নির্ভর করে প্রবাসী আয়ের ওপর। বর্তমানে বিশ্বের ১৭৬টি দেশে প্রায় ১ কোটি ৫৭ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত, যাঁরা প্রতি বছর গড়ে ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠান। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তাঁদের পাঠানো অর্থের পরিমাণ ছিল মোট ২ হাজার ৩৯২ কোটি ডলার।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে প্রবাসীদের এ বিপুল পরিমাণ কষ্টার্জিত অর্থ? এ ব্যাপারে মানুষের একটা সাধারণ ধারণা রয়েছে যে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের অর্থ ভোগবিলাসে ব্যয় হচ্ছে। আসলে এর সবটাই কি ভোগবিলাসে ব্যয় হচ্ছে? কিছুই কি সঞ্চয় হিসেবে থাকছে না? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক জরিপে এর কিছু তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা গেছে যে প্রবাসী রেমিট্যান্স আয় বাবদ খাদ্য ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে যে বিনিয়োগ হয় তার বেশির ভাগই যায় অনুৎপাদনশীল খাতে। অর্থাৎ মোট রেমিট্যান্সের মধ্যে ৭৪.৬৮ শতাংশই কোনো উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ হয় না। এগুলোর মধ্যে রয়েছে কাপড়চোপড়, তেল-সাবান, বিভিন্ন প্রসাধনী দ্রব্য থেকে শুরু করে নানা বিলাসী পণ্য, যেমন ফ্রিজ, টেলিভিশন, খাট, সোফাসেটসহ নানান সামগ্রী। বাকি ২৫.৩২ শতাংশ অর্থ পরোক্ষভাবে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ হয়। এর মধ্যে ১৭ শতাংশ অর্থ জমিজমা, ফ্ল্যাট কেনায় ও বাড়িঘর নির্মাণে ব্যয় হয়।

গত কয়েক বছরের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে বছরের অন্য সময়ের তুলনায় রোজা ও ঈদের সময় সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে। যদিও ঈদের পরের মাসে তা আবার কমে আসে। ঈদের সময় যে পরিমাণ রেমিট্যান্স আসে তার বেশির ভাগ অর্থাৎ ৯০ শতাংশই ব্যয় করা হয় ভোগবিলাসে। বছরের অন্য সময় অবশ্য বিলাসিতায় এতটা খরচ হয় না। পরিসংখ্যান জরিপে আরও উঠে এসেছে যে প্রবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি পরিবার প্রাপ্ত অর্থ থেকে কমবেশি সঞ্চয় করে থাকে। এ ধরনের পরিবারের গড় হার প্রায় ৫৭ শতাংশ। তবে বিভাগওয়ারী এ হার ভিন্ন ভিন্ন। যেমন প্রবাসী আয় থেকে সঞ্চয় করে এমন পরিবারের সংখ্যা সবচেয়ে কম সিলেটে। বরিশালে এ হার সবচেয়ে বেশি। আবার যাঁরা ঋণ নিয়ে প্রবাসে গেছেন, ওই পরিবারগুলোতে সঞ্চয়ের সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম।

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। কিন্তু তাদের ঘামঝরানো এ আয়ের বড় অংশই ভোগবিলাসে ব্যয় হচ্ছে। আর বিনিয়োগ বলতে যা বোঝায় তা হলো জমিজমা কেনা ও ঘরবাড়ি নির্মাণ। অর্থাৎ প্রবাসী আয়ে এমন কোনো বিনিয়োগ হয় না, যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়। প্রবাসীদের এ রেমিট্যান্স আয় যদি পরিকল্পিতভাবে উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করা যেত তাহলে আমাদের অর্থনীতি আরও দ্রুত এগিয়ে যেত। কাজেই আহরিত রেমিট্যান্স বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ে আসার জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি প্রবাসী পরিবারগুলো তাদের বেসিক চাহিদা মেটানোর পর হাতে যে উদ্বৃত্ত অর্থ থাকে তা যাতে তারা নিরাপদে ও সহজে বিনিয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া বাঞ্ছনীয় বলে মনে করি।

বিগত সরকারের সময় রেমিট্যান্সযোদ্ধারা ছিলেন অনেকটাই অবহেলিত। প্রবাসীদের মর্যাদা তো দূরের কথা বিমানবন্দরে তাঁদের নানারকম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতো। তাঁদের  শ্রম-ঘাম, অর্থে কেনা জিনিসপত্র বিমানবন্দর থেকে প্রায়ই চুরি হয়ে যেত। এ ছাড়াও কোনো প্রবাসী বিদেশে মারা গেলে তাঁদের লাশ দেশে আনতে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। অথচ এ রেমিট্যান্সযোদ্ধারাই বছরের পর বছর রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছেন। ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানের পর তাই প্রবাসীরা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে শ্রম খাত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। প্রবাসীরা যাতে সত্যি সত্যিই রেমিট্যান্সযোদ্ধার মর্যাদা পান সে প্রত্যাশাই আমরা কামনা করছি।

লেখক : গবেষক ও প্রাবন্ধিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে অধ্যাপক ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৩৫ মিনিট আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জয়পুরহাটে ময়েন উদ্দিন প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ
জয়পুরহাটে ময়েন উদ্দিন প্রিমিয়ার লীগের পুরস্কার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরায় বাঁধ ভাঙনে দুর্যোগ, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নৌবাহিনী
সাতক্ষীরায় বাঁধ ভাঙনে দুর্যোগ, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে নৌবাহিনী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মির্জাপুরে বাছুরসহ দুই গাভী চুরি
মির্জাপুরে বাছুরসহ দুই গাভী চুরি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতে চট্টগ্রামে মাঠে বিআরটিএ
নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিতে চট্টগ্রামে মাঠে বিআরটিএ

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় রিমান্ডে সাবেক এমপি ছানোয়ার
কলেজছাত্র ইমন হত্যা মামলায় রিমান্ডে সাবেক এমপি ছানোয়ার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে ইসরায়েলি বাহিনী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পারিবারিক শত্রুতার বলি কলাগাছ
পারিবারিক শত্রুতার বলি কলাগাছ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন থাইল্যান্ডের দুই মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নোয়াখালীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার
নোয়াখালীতে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের মাঝে জিয়া ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত
রাঙ্গুনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল
দুর্নীতির অভিযোগ : পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

১৮ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের
তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ ড. ইউনূসের

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

১৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর ও ফলাফলমুখী ‘বিমসটেক’-এর ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ঈদের ৬ ছবির হালচাল
ঈদের ৬ ছবির হালচাল

শোবিজ

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ

সম্পাদকীয়

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম