শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩৯, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বরিশাল

সঞ্জয় কুমার সরকার
প্রিন্ট ভার্সন
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বরিশাল

অধিকাংশ জায়গায় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের পরের ঘটনা তেমন আলোচিত হয়নি। এমনকি অনেক স্থানে অনেক নাশকতার খবর ছিল কিন্তু বরিশালে শিক্ষার্থীরা নাশকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল...

 

বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের গণতন্ত্রহীনতার এক অনিবার্য পরিণতি জুলাই-আগস্টের আন্দোলন। একটি স্বৈরতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে এ প্রক্রিয়ায় পতন হঠানো ছাড়া আর ভিন্ন পথ ছিল না বললেই চলে। পৃথিবীর ইতিহাসে যেকোনো আন্দোলন কেবল একটি বিশেষ বৈষম্যের কারণে ঘটে না; বরং তা ঘটে অনেক বৈষম্যের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের কারণে। কেবল কোটা সংস্কার আন্দোলন শেখ হাসিনা সরকার পতনের কারণ নয়; এর পেছনে রয়েছে নানমুখী ঘটনা-প্রেক্ষাপট। বিরোধী মতকে দমন, ভোটবিহীন নির্বাচন ব্যবস্থা, রাষ্ট্রের সর্বস্তরে দুর্নীতির নজিরবিহীন উদাহরণ তৈরি হয়েছিল। অন্যদিকে দীর্ঘ ক্ষমতাভোগের কারণে সরকারপ্রধান হিসেবে নানা সময় শেখ হাসিনার বক্তব্যে চরম দাম্ভিক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন একনায়কের সুর শোনা গেছে। এরই ফলাফল হিসেবে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের মুখে তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণের এই উপকূলীয় অঞ্চল বরিশাল বেশির ভাগ সময় ঝড়ঝঞ্ঝা দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকে। ফলে উপকূলীয় মানুষের সংগ্রামের চেতনা অন্যান্য অঞ্চল থেকে অনেকটাই বেশি। যে কারণে বরিশালেও জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের ঢেউ লেগেছিল। শিক্ষার্থীদের হাত ধরে বরিশালে বিশেষ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রজমোহন কলেজে এই আন্দোলনের মূল রূপটি দেখা যায়। রাজনৈতিক বিভাজন মাথায় না রেখে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বরিশালেও চলতে থাকে একের পর এক কর্মসূচি। দিনে বিক্ষোভ ও রাতে মশাল মিছিলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আন্দোলন অব্যাহত থাকে। ভৌগোলিক কারণে বরিশালে আন্দোলন প্রকট আকার ধারণ করে। ব্রজমোহন কলেজের শিক্ষার্থীরা নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নিলে বরিশালের সঙ্গে সারা দেশই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্যদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা-বরিশাল সড়ক অবরোধ করলে সব পথই বন্ধ হয়ে যায়।

মূলত ২০১৮ সালের সরকারি পরিপত্র হাই কোর্ট বেআইনি ঘোষণা করলে আগের কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়। যা ২০২৪ সালে প্রথমে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনের ফলে দীর্ঘ ১৫ বছরের বঞ্চনার সব ক্ষোভ একসঙ্গে উগড়ে দেয় গণমানুষ। এই আন্দোলনের প্রত্যক্ষ সাক্ষী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। ৯ জুন ২০২৪ হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে প্রথম বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদী মিছিল করে। প্রথম দিনেই এরশাদবিরোধী আন্দোলনের মতো কেউ কেউ বুকে ও পিঠে- কোটা প্রথা নিপাত যাক স্লোগান লিখে মিছিলে অংশ নেন। পরে ঈদুল আজহার ছুটির পর প্রত্যয় পেনশন স্কিমের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলতে থাকলে কার্যত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এতে কোটা সংস্কার আন্দোলনও নতুন গতি পায়। জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে, মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই- এমন নানা স্লোগানে ২ জুলাই ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা মিছিল করতে থাকে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ জুলাই প্রথম দীর্ঘ সময় ধরে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। বরিশালে এই অবরোধ আন্দোলনে নতুন গতি আনে। ফলে ধীরে ধীরে শহরের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। ৭ থেকে ১০ জুলাই ঢাকার সঙ্গে যুগপৎ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিনব্যাপী বাংলা ব্লকেড কর্মসূচির অংশ হিসেবে মহাসড়ক অবরোধ করে। পুলিশের অবস্থানের কারণে ১১ জুলাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে, ছাত্র প্রতিরোধের মুখে পুলিশ সরে যায়। রাতে ক্যাম্পাসে প্রদীপ প্রজ্বালন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। ১৫ জুলাই শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দিলে ক্যাম্পাসজুড়ে এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র ......বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বরিশালের শিক্ষার্থীরা। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হয়তো তখনই বুঝে গিয়েছিল এমন বক্তব্য দেওয়ার পর সরকারের আসলে ক্ষমতায় থাকার আর কোনো নৈতিক অবস্থান নেই। তবুও তারা শেখ হাসিনার প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে আলোচিত দিন ১৭ জুলাই। সব বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক ধরনের তঞ্চকতা করে। তারা শিক্ষার্থীদের পক্ষ ও সরকার পক্ষ উভয়কেই সন্তুষ্ট রাখতে চায়। হল ত্যাগের নির্দেশনা দিয়ে তৎকালীন উপাচার্য বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, প্রক্টর ও প্রভোস্ট রাতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্যারাম খেলে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেন। ১৮ জুলাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও সারা দেশের জন্য এই দিনটি একটি মাইলফলক হয়ে রয়েছে। এই দিন কেন্দ্র নির্দেশিত দিনব্যাপী কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে সকালেই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের গ্রাউন্ড ফ্লোরে একত্রিত হতে থাকে। আবার ক্যাম্পাসের গেটগুলোর বাইরে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও এবিপিএনের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তারা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের বাইরে রাস্তায় নামতে দিচ্ছিল না। এই আন্দোলন যে সাধারণ মানুষের আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, সেটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যক্ষ করা গিয়েছে অন্য যেকোনো জায়গার থেকে বেশি। মসজিদের মাইকে ছাত্ররা এলাকাবাসীর সহযোগিতা চাইলে আশপাশের এলাকাবাসীও রাস্তায় নেমে আসেন। এই কারণে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর কাছে পরাজয় শিকার করে প্রশাসনিক সব বাহিনী হাত উঁচু করে আত্মসমর্পণের ভঙ্গিতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। একদিকে উপাচার্য হলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্যারাম খেলেন অন্যদিকে ছাত্রদের ওপর পুলিশ র‌্যাব ও বিজিবি টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে ছাত্রদের কাছে ব্যাপারটি পরিষ্কার হয় যে, এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মদদে হচ্ছে। এরপর শিক্ষার্থীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘোষিত নয় দফা দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে সংবাদ সম্মেলন করে। অন্য সময়ের মতো সরকারি পেটোয়া বাহিনী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মিটিং চলাকালে সেখানে হামলা করে। বেশ কিছু শিক্ষার্থী সেখানে আহত হন। এসময় জানা যায়, পুলিশ প্রশাসন ও তৎকালীন উপাচার্য বদরুজ্জামান ভূঁইয়া ও প্রক্টরের নির্দেশে ছাত্রলীগ পরিচয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। ১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক সংহতি সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও বৈরী পরিবেশের কারণে অল্প শিক্ষার্থীর উপস্থিতির সুযোগ নিয়ে বন্দর থানার পুলিশ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ জনকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে কিছু শিক্ষক তাদের ছাড়িয়ে আনতে বন্দর থানায় গেলে তৎকালীন প্রক্টর মো. আবদুল কাইয়ুম তড়িঘড়ি করে থানায় হাজির হন। অবাক করা বিষয়, সে সময় থানার ওসি তার সঙ্গে ছিলেন এবং তারা উপাচার্যের বাসভবন থেকে বেরিয়ে থানায় হাজির হন।

নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাজের ব্যানারে ৩৫ জন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পক্ষে ও সরকারের দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ৪ আগস্ট উপাচার্য সরকারের পক্ষে শিক্ষক ও সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর মানববন্ধন করার জন্য অনলাইন মিটিংয়ে চাপ প্রয়োগ করেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। সে সময়কার শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও প্রক্টর শিক্ষকদের হুমকি দিতে দ্বিধা করেন না।

সব থেকে আশ্চর্যের কথা যে এতসব ঘটনার পরও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বোচ্চ ব্যক্তি উপাচার্য বদরুজ্জামান ভূঁইয়া নানা উপায়ে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বে থেকে যাওয়ার পাঁয়তারা করেন। শিক্ষার্থীদের নানাভাবে বিভক্ত করে, নানারকম উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে, নিজে আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না মর্মে লিখিত দিয়ে এবং সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের কাছে উপযাচক হয়ে ক্ষমা চেয়ে তিনি তার পদ আগলে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে তিনি স্বৈরাচারী সরকারের মতো পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

এভাবে বরিশালে নতুন দিনের সূর্যের দেখা মেলে। ধীরে ধীরে ক্যাম্পাস ও শহরে দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকা শুরু হয়। শহিদ আবু সাইদের গ্রাফিতি আঁকা হলে রাতের অন্ধকারে তা মুছে দেওয়া হয়। এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না, রাষ্ট্রযন্ত্র না গণতন্ত্র, একি সভ্যতা নাকি সব ভোঁতা, মাথা উঁচু রাখাই নিয়ম এই স্লোগানগুলো একে একে সব মুছে দেওয়া হয়। শহরের নানা প্রান্তে শিক্ষার্থীরা নানা গ্রাফিতি আঁকে। এর মধ্যে- আদিবাসী, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও মুসলমান নিয়ে গাছের গ্রাফিতি আলোচিত হয়। আবার মওলানা ভাসানীর উক্তিতে ভরে যায় শহরের দেয়াল- শোনো রাষ্ট্রের সাথে ধর্ম মিলাইতে যাইও না। ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তিটি অনেকেরই নজর কাড়ে- আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। গ্রাফিতি মুছে ফেলার প্রতিবাদে ও সরকার কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা মাথায় লাল কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। অধিকাংশ জায়গায় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের পরের ঘটনা তেমন আলোচিত হয়নি। এমনকি অনেক স্থানে অনেক নাশকতার খবর ছিল কিন্তু বরিশালে শিক্ষার্থীরা নাশকতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল।

আন্দোলনের পূর্ণাঙ্গ ফসল ঘরে তুলতে হলে ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থানের মূল্যবোধকে সামনে রেখে আমাদের দেশ গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। ক্ষমতার দ্বন্দ্বে পড়ে বা দেশবিরোধী পুরনো শক্তির কবলে পুনরায় যেন দেশ বিপৎগামী না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া খুব জরুরি। আমাদের ইতিহাসে ৫২, ৭১, ৯০ ও ২৪ একইসূত্রে গাঁথা। এর কোনোটিকে অস্বীকার করার এতটুকু সুযোগ নেই। কিন্তু যে কথাটি আমাদের ভাবিয়ে তোলে সেটি হলো- স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। দিন দিন যেন আমরা কঠিন কাজকে কঠিনতর করে তুলছি। পুরনো রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, আগ্রাসনের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড-খুন, গুমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আমরা যেন দেশকে পুনরায় একই দিকে ধাবিত না করি সেদিকে সবার সতর্ক ও সজাগ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নিরন্তর বিপ্লবী নজরুল
নিরন্তর বিপ্লবী নজরুল
রাষ্ট্র সংস্কারে অর্জিত হোক জাতির প্রকৃত মুক্তি
রাষ্ট্র সংস্কারে অর্জিত হোক জাতির প্রকৃত মুক্তি
বিপ্লব থেকে রাজনৈতিক দল
বিপ্লব থেকে রাজনৈতিক দল
আন্দোলনের পথ ও প্রাপ্তি
আন্দোলনের পথ ও প্রাপ্তি
জুলাই বিপ্লব ও রাষ্ট্র সংস্কার
জুলাই বিপ্লব ও রাষ্ট্র সংস্কার
জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের অবদান
জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের অবদান
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য
আশা-নিরাশার দোলা
আশা-নিরাশার দোলা
প্রফেসর মানুষ এভাবে স্লোগান দেয় নাকি
প্রফেসর মানুষ এভাবে স্লোগান দেয় নাকি
হাসিনাকে দ্রুত ফেরত দেওয়া উচিত
হাসিনাকে দ্রুত ফেরত দেওয়া উচিত
রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হয়ে গেছে রাজনীতি
রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হয়ে গেছে রাজনীতি
এক অজানা ভয় মিডিয়ার গতি রোধ করছে
এক অজানা ভয় মিডিয়ার গতি রোধ করছে
সর্বশেষ খবর
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

৩৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা
ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সত্যের তরে দৈত্যের সাথে লড়াই করাই সাংবাদিকতা: কাদের গণি চৌধুরী
সত্যের তরে দৈত্যের সাথে লড়াই করাই সাংবাদিকতা: কাদের গণি চৌধুরী

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ
বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তে বিমসটেক সদস্যদের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্নাব্যুতে ৮ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ফাইনালে রিয়াল
বার্নাব্যুতে ৮ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে ফাইনালে রিয়াল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন