শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৫

জুলাই বিপ্লব

আশা-নিরাশার দোলা

ফরিদ খান
প্রিন্ট ভার্সন
আশা-নিরাশার দোলা

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং রাজনীতিবিদদের হাত ছাড়াই আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীরা দেশব্যাপী এক বিস্ময়কর প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী আওয়াজ তোলেন এবং এটিকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন। এটিকে জেন জি বিপ্লব বলা হয়েছে...

 

২০২৪ সালে হাই কোর্ট সরকারি চাকরিতে কোটা বিলুপ্ত সংক্রান্ত ২০১৮ সালে জারিকৃত সরকারি আদেশ বাতিল করে কোটা পদ্ধতি পুনরায় বহাল করে। শিক্ষার্থীরা কোটা বাতিলের জন্য নির্বাহী আদেশের দাবি করেন এবং তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তারা রাস্তায় নামেন। শিক্ষার্থীদের মতে কোটা বৈষম্যমূলক, মেধাভিত্তিক নিয়োগের জন্য ক্ষতিকর এবং সংবিধান পরিপন্থি। আদালতের এই রায়ের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। তারা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম বিশেষ করে ফেসবুক ব্যবহার করে তাদের এ প্রতিবাদ সারা দেশে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। কোনো ধরনের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং রাজনীতিবিদদের হাত ছাড়াই আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীরা দেশব্যাপী এক বিস্ময়কর প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী আওয়াজ তোলেন এবং এটিকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে পেরেছে। এটিকে জেন জি বিপ্লব বলা হয়েছে কারণ অংশগ্রহণকারীরা মূলত বয়সে তরুণ, সম্ভবত প্রথমবারের মতো ভোটার তবে নিশ্চিতভাবে ভোটাধিকার বঞ্চিত।

পরে এই ছাত্রবিক্ষোভ শহর থেকে গ্রামে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু স্কুল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। কোটার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নেমে আন্দোলন এটিই প্রথম নয়। ২০১৮ সালেও তারা এই প্রতিবাদ করেছিল। সাহসী তরুণরা কোটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য শহরের রাস্তায় নেমেছিল। তবে এবারের জুলাই আন্দোলনের গতি, প্রকৃতি এবং তীব্রতা একেবারেই ভিন্ন। একটি ছাত্র আন্দোলন দ্রুত একটি গণ আন্দোলনে রূপ নেয়। জুলাইয়ে যারা প্রতিবাদ করেছিল তাদের বেশির ভাগই ছিল ছাত্র। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাদের কাছে সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিলের সিদ্ধান্তের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল সরকারের দমনপীড়ন, দুর্নীতি, দুঃশাসন, জীবনযাত্রার অত্যধিক ব্যয় বৃদ্ধি, অনিয়ন্ত্রিত বাজারের কারণে সৃষ্ট ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রভৃতি।

সরকারের দীর্ঘ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যখন জনগণ রাজপথে নামার সাহস হারিয়ে ফেলেছিল, সেসময় শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ সাধারণ জনগণের মাঝেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। প্রতিবাদ সামাজিক মাধ্যমের লাইন অতিক্রম করে সত্যিকারের রাস্তায় প্রতিবাদ করার ক্ষমতা ও সাহস- এই আন্দোলনের একটি বড় সফলতা, যা সাধারণ জনতাকে রাস্তার আন্দোলনে ফিরে আসার সাহস জুগিয়েছে। পুলিশি নির্যাতন, জেল-জুলুম, গুম-খুন, মামলা-হামলার সত্যিকারের ঝুঁকির মধ্যেও শিক্ষার্থীদের অদম্য সাহস সাধারণ মানুষকে বিপুল শক্তি জুগিয়েছে। যেখানে সরকারবিরোধী অবস্থানের কারণে বিগত বছরগুলোতে জীবিকা এবং জীবন হারানোর অনাকাক্সিক্ষত সম্ভাবনা প্রমাণিত।

বিক্ষোভকারীরা এই সময়, কোনো টিয়ারগ্যাস বা গ্রেপ্তারের ভয় পাননি। আন্দোলনকারী যুবকদের প্রায়ই আটক করা হয় এবং তাদের মাঝে সমন্বয় রোধ করতে সোশ্যাল মিডিয়া, ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো কিছুই তাদের দমাতে পারেনি। আন্দোলন এক সময় কোটা সংস্কার থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। কিন্তু সরকার সহিংসতা দিয়ে ছাত্রদের দমন করার চেষ্টা করলে সর্বস্তরের মানুষ শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ায় এবং আন্দোলনে যোগ দেয়। আন্দোলন দমাতে সরকারদলীয় সন্ত্রাসী, পুলিশ প্রশাসনকে কাজে লাগালে ব্যাপক সহিংসতা আন্দোলনের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেয়, যা একসময় সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। আন্দোলন চলাকালে রাজশাহী, গাইবান্ধা, রংপুর এবং লালমনিরহাটের রাজপথে একাধিক অছাত্র আন্দোলনকারীর সঙ্গে কথা বলে জেনেছিলাম তাঁরা বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত বসবাস উপযোগী একটি ভালো দেশ চান, যা তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের পতন ছাড়া সম্ভব নয়। ফলে শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয় এবং শেষ পর্যন্ত হাসিনা সরকারের পলায়নের মাধ্যমে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিজয় সুনিশ্চিত হয়। বিজয়-পরবর্তী দেশব্যাপী ব্যাপক অরাজকতা, সহিংসতা, হানাহানি, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পতিত হয়। অস্থিতিশীল ও অরাজক পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য সেনাবাহিনী ভূমিকা রাখে। দেশের মানুষ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর ভূমিকাকে স্বাগত জানায়। ডক্টর ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা এবং আন্দোলনের দুই ছাত্র সমন্বয়কারীসহ দেশে একটি অন্তর্র্বর্তী সরকার গঠিত হয়।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপট থেকে এ বিপ্লবের জন্ম হলেও এ বিপ্লব জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রান্তিক এবং নিপীড়িত জনগণের মুক্তির ব্যাপক আশা জাগিয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সরকারি চাকরিসহ সমাজের পরতে পরতে যে বৈষম্য বিরাজ করছে তা দূর হওয়ার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার মতো প্রতারণামূলক     এবং অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিয়ে এ বিপ্লব আসেনি। বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারীরা সব ধরনের পক্ষপাত ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে থেকে, নিজেদের কোনোভাবে কলুষিত না করে, ক্ষমতা ও পেশিশক্তির ওপর ভর না করে, নির্মম ও আক্রমণাত্মক না হয়ে দেশকে এবং নিজেদের ঐক্যকে সবার ঊর্ধ্বে রেখে সামনে এগিয়ে যাবে সেটিই প্রত্যাশিত।

জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনকারীরা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিরপেক্ষ বলে মনে করা হয় এবং এই আন্দোলন একেবারে সাধারণ ছাত্র-জনতার আন্দোলন হিসেবেই ব্যাপক সাড়া পায়। তাদের দেশপ্রেম এবং জনগণের প্রতি ভালোবাসাই ছিল একমাত্র শক্তি। ফলে দেশের মানুষ বিশ্বাস, আশা এবং ভালোবাসা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ায়, যা খুব দরকার ছিল। কেননা রাজনৈতিক শক্তিগুলো জনগণের নাম ভাঙিয়ে সবকিছু জায়েজ করতে চাইলেও জনগণের সমর্থন ও ভালোবাসা তাদের সঙ্গে ছিল না। ফলে রাজপথের আন্দোলনে সাধারণ জনগণ সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখায়নি। জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় অর্জন ছিল সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন। তবে এ ভালোবাসা ও আস্থায় চির ধরতে থাকে যখন আন্দোলনকারীরা এর মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে অন্য সহযোদ্ধাদের জায়গা সংকুচিত করে, নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করে, নিজেদের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে নিজেরাও ক্যাম্পাস রাজনীতির ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠে। আর রাজনীতিবিদদের প্রতি দেশের মানুষের আস্থা এবং ভালোবাসার ঘাটতি প্রকট। অনেকে মনে করেন বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী আমাদের রাজনীতিবিদরা।

দেশের তরুণ ছাত্র ও যুবসমাজ যাদের হাত ধরেই বিপ্লব এসেছে তাঁরা এখনো প্রাসঙ্গিক, কিন্তু তাদের ভূমিকা ক্রমেই দুর্বল এবং পরিবর্তিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। পুলিশের বর্বরতা সত্ত্বেও যে যুবকরা তাদের বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছিল, গুলির মুখেও যারা পিছপা হয়নি, জীবনবাজি রেখে যারা শেখ হাসিনার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে সেসব মহানায়কের ভূমিকা নিয়ে সংশয় বেড়েছে। যারা সত্যিকার অর্থে জীবনবাজি রেখে রাস্তায় নেমেছিল তারা এখন অনেকেই নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে কিংবা নব্য অতিবিপ্লবীদের প্রতাপে ছিটকে পড়ছে মূল দৃশ্যপট থেকে।

অনেকের মাঝে এখন সংশয় বিপ্লব কি তাহলে বেহাত হতে যাচ্ছে কিংবা বিফলে যাচ্ছে? বিপ্লব যদি হয় ক্ষমতায় থাকা মানুষগুলোর পালাবদল তাহলে বিপ্লবের ফলাফল দাঁড়াবে যেই লাউ সেই কদু। বিপ্লব যদি হয় রাষ্ট্রক্ষমতা এক ষাঁড়ের মাথা থেকে অন্য ষাঁড়ের মাথায় স্থানান্তর তাহলে বিপ্লব বৃথা- কিছুই অর্জন হবে না।

জাতির সামনে এখন পর্যন্ত এই জুলাই বিপ্লব ধারণ করে নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো উপাদান দেখা যাচ্ছে না, যা মুক্তিযুদ্ধ বা ৯০-এর গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে লক্ষণীয় ছিল। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী যারা নেতৃত্ব দিতে আগ্রহী, তাদের মধ্যে জাতির বিভাজন সৃষ্টি করে নিজেদের স্বার্থ আদায়ের প্রচেষ্টার একটি সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে যে যার মতো বয়ান সৃষ্টি করে বিপ্লবের মালিকানা ছিনতাই করার একটি প্রতিযোগিতা প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে  শুরু হয়েছে।

রাজনীতিবিদরা সর্বদা এ ধরনের বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়বেন, সেগুলো থেকে ফসল ঘরে তোলা হোক বা কেবল পাল থেকে হাওয়া নেওয়ার চেষ্টা করবেন সেটিই স্বাভাবিক। ফলে এ বিপ্লব রাজনৈতিক শ্রেণির দ্বারা ছিনতাই হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তারা ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইবে এবং নেতৃত্ব দেবে। এ উপমহাদেশে এটিই সাধারণ ব্যাপার।

দুঃখজনকভাবে আজ দেশব্যাপী মানুষের মাঝে ক্ষোভ, তিক্ততা, অরাজকতা, অসন্তোষ ও বিদ্বেষ তীব্র হচ্ছে। এর বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ঘটছে অসহিষ্ণুতা, সহিংসতা, অনাচার, দুর্নীতি, নৈতিক অবক্ষয়, আস্থার অভাব। দিনে দিনে আমাদের সুবিবেচনা হ্রাস পাচ্ছে, জায়গা করে নিচ্ছে নির্বুদ্ধিতা। আমরা যেন এক ব্যাপক এবং বুদ্ধিহীন ক্ষমতা আর গোষ্ঠীস্বার্থে যুদ্ধে নেমেছি, যার চূড়ান্ত ফল পরাজয়, বিপন্ন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। সবার আগে দেশ। দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য শান্তি বজায় রাখা এবং ঐক্যবদ্ধ থাকা অতি প্রয়োজন। মনে রাখা প্রয়োজন আমাদের দুর্দশা আর অন্ধকার থেকে মুক্তির জন্য একটি বিপ্লবের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু কেউ অবশ্যই বলতে পারে যে, বিপ্লবই আমাদের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য একমাত্র প্যানাসিয়া নয়। কারণ আমরা বিপ্লবের ভয়াবহতাও দেখেছি।

চে গুয়েভারা মন্তব্য করেছিলেন, একজন বিপ্লবী প্রেমের মহান অনুভূতি দ্বারা পরিচালিত হন। আর ছদ্ম বিপ্লবীরা পরিচালিত হয় ঘৃণা, লোভ এবং জাগতিক বস্তুবাদ দ্বারা। আজ আসল বিপ্লবী আর ছদ্ম বিপ্লবীর মধ্যে সীমারেখা টানা খুবই দুরূহ। যারা এতদিন ফ্যাসিবাদের আঁচলের নিচে লুকিয়ে ছিল, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে ছদ্মবেশে মাঠে ছিল- এখন তারাই অতি বিপ্লবী সেজে ফ্যাসিবাদবিরোধী বক্তৃতায় মঞ্চ কাঁপাচ্ছে, পাড়ায় পাড়ায়, প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানে ফ্যাসিবাদের দোসর খুঁজে বেড়াচ্ছে। আর এখানেই সবচেয়ে বড় শঙ্কা, বড় ভয়। যে দাবির ওপর দাঁড়িয়ে এত আত্মত্যাগ, এত প্রাণের বিসর্জনে এই অমূল্য বিজয় সেই দাবি থেকে ক্রমেই যেন বিচ্যুত হতে দেখছি। আত্মপ্রবঞ্চনা দেখছি। শিক্ষাঙ্গনে দলীয় ছাত্ররাজনীতি আরও প্রকট আকার ধারণ করছে, সবকিছুতে বিশেষ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিশেষ এলাকার আধিপত্য হয়তো একটি বিফল বিপ্লবের সংকেত দিচ্ছে- কথায় আছে উঠতি মুলো পত্তনেই চেনা যায়। আমাদের খালি বিপ্লবের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন পুনরুজ্জীবন। বিজয় অটুট রাখতে প্রয়োজনে পুনরায় সংগঠিত হতে হবে। সব সংশয় পরাজিত করে আমাদের বিজয় অটুট রাখতে হবে। নতুন করে বিষণ্ন বিকেল নয়, নতুন কোনো আঁধার নয়, চাই নতুন প্রভাত, নতুন সূর্য। কোনোভাবেই এ বিপ্লব বেহাত হতে দেওয়া যাবে না, দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

লেখক : অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নিরন্তর বিপ্লবী নজরুল
নিরন্তর বিপ্লবী নজরুল
রাষ্ট্র সংস্কারে অর্জিত হোক জাতির প্রকৃত মুক্তি
রাষ্ট্র সংস্কারে অর্জিত হোক জাতির প্রকৃত মুক্তি
বিপ্লব থেকে রাজনৈতিক দল
বিপ্লব থেকে রাজনৈতিক দল
আন্দোলনের পথ ও প্রাপ্তি
আন্দোলনের পথ ও প্রাপ্তি
জুলাই বিপ্লব ও রাষ্ট্র সংস্কার
জুলাই বিপ্লব ও রাষ্ট্র সংস্কার
জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের অবদান
জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের অবদান
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বরিশাল
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে বরিশাল
প্রফেসর মানুষ এভাবে স্লোগান দেয় নাকি
প্রফেসর মানুষ এভাবে স্লোগান দেয় নাকি
হাসিনাকে দ্রুত ফেরত দেওয়া উচিত
হাসিনাকে দ্রুত ফেরত দেওয়া উচিত
রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হয়ে গেছে রাজনীতি
রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হয়ে গেছে রাজনীতি
এক অজানা ভয় মিডিয়ার গতি রোধ করছে
এক অজানা ভয় মিডিয়ার গতি রোধ করছে
সর্বশেষ খবর
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

এই মাত্র | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

৩৬ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৫ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!

২৩ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন