রমজান ও ঈদ সামনে রেখে রংপুর নগরী সেজেছে রঙিন আলোতে। মেগামল, বিপণিবিতান, মার্কেটগুলো হরেক রকম বাতি দিয়ে আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। সন্ধ্যা নামলেও লাল-নীল বাতির আলোয় রঙিন হয়ে উঠেছে শহর। তবে সচেতন মহল মনে করছে বিদ্যুতের অপচয় রোধে আলোকসজ্জার একটি নীতিমালা প্রয়োজন। নগরীর সুপার মার্কেট, জাহাজ কোম্পানি মার্কেট, শাহ আমানত মাকেট, ছালেক মার্কেটসহ বিভিন্ন মেগামল রঙিন আলোতে আলোকিত করা হয়েছে। কোথাও কোথাও মাত্রাতিরিক্ত আলোকসজ্জা করা হয়েছে।
নগরীর জিএলরায় রোডের বস্ত্র ব্যবসায়ী শেখ ব্রাদার্সের মালিক সামছুজোহা ডিএম বলেন, অন্যান্য বছর ১৫ রমজানের পর বেচাবিক্রি শুরু হলেও এবার রমজানের প্রথম দিন থেকে ক্রেতার সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ক্রেতা আকর্ষণের জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। রংপুর চেম্বারের পরিচালক জনতা ট্রেডিংয়ের মালিক হাজি এমদাদ হোসেন বলেন, এবার আগেভাগে লোকজনের সমাগম দেখা যাচ্ছে। তবে অনেক ক্রেতা পোশাক দেখেশুনে পছন্দ করে যাচ্ছেন। তারা হয়তো কয়েকদিন পর পছন্দের জিনিসটি কিনবেন। আলোকসজ্জা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা সারা বছর অপেক্ষা করেন মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের জন্য। এ একটি মাস আলোকসজ্জা করা দোষণীয় কিছু নয়। একটি মেলা মলে কথা হয় আমেনা বেগম নামে এক ছাত্রীর সঙ্গে। তিনি বলেন আগেভাগে ঈদের কেনাকাটা করার জন্য বিভিন্ন দোকানে পছন্দের জিনিস দেখছি।
তবে সচেতন মহল মনে করছে এমনিতে বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে। এর ওপর বাড়তি আলোকসজ্জা বিদ্যুতের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। ফলে লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও বাড়বে। সমাজউন্নয়ন কর্মী হুমায়ুন কবির মানিক এ বিষয়ে বলেন, বিদ্যুতের অপচয় রোধে আলোকসজ্জার বিষয়ে একটি নীতিমালা করা প্রয়োজন। তা না হলে রমজান মাসে লোডশেডিং অসহনীয় পর্যায়ে চলে যেতে পারে।