শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৬ মার্চ, ২০২৫

জনদুর্ভোগের অপসংস্কৃতি ও জনশিক্ষা

ড. মাহরুফ চৌধুরী
প্রিন্ট ভার্সন
জনদুর্ভোগের অপসংস্কৃতি ও জনশিক্ষা

একটি সমাজের নৈতিক ও মূল্যবোধভিত্তিক অগ্রগতি নির্ভর করে তার নাগরিকদের শিক্ষা, সচেতনতা ও ইচ্ছাশক্তির ওপর। তবে যখন শিক্ষার আলো সর্বস্তরে সঠিকভাবে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তখন সমাজে বিভিন্ন ধরনের অপসংস্কৃতি জন্ম নেয় ও সেগুলো নানাভাবে বিকশিত হয়। ইতিহাস সাক্ষী দেয় যে, শিক্ষা ও জনসচেতনতার অভাবে অনেক সমাজেই সহিংসতা, উগ্রতা এবং ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি রাজনীতি ও সামাজিক জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে প্রতিবাদ, আন্দোলন ও দাবিদাওয়া আদায়ের নামে এমন এক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এবং গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার বিকৃতি ঘটায়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের জন্য সহিংসতা, অবরোধ, ধ্বংসযজ্ঞের পথ বেছে নেওয়া এক বহুলচর্চিত অপসংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। অথচ সমাজ পরিবর্তনের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণকর আন্দোলনের পথ হতে পারে জনশিক্ষা, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে গঠিত হবে।

জনশিক্ষার মাধ্যমে মানুষকে বোঝানো সম্ভব যে, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বজায় রেখেও অধিকার আদায়ের আন্দোলন করা যায়। প্রাচীন চৈনিক দার্শনিক কনফুসিয়াস থেকে শুরু করে আধুনিককালের ভারতের গান্ধী, আমেরিকার মার্টিন লুথার কিং বা দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা- তাঁরা সবাই শান্তিপূর্ণ ও মানবিক আন্দোলনের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। জনশিক্ষা কেবল ব্যক্তি নয়, বরং গোটা সমাজকে যুক্তিবাদী চিন্তাধারায় পরিচালিত করতে পারে, যা সহিংস ও ধ্বংসাত্মক পন্থার পরিবর্তে আলোচনার সংস্কৃতি ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যার সমাধানের পথ উন্মুক্ত করে। একটি সুসংগঠিত ও শিক্ষিত সমাজ জানে, ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জনকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হয় এবং গণতান্ত্রিক দাবিদাওয়া কেবল সহিংসতা দিয়ে নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিকতার মানদণ্ডে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করা যায়। জনশিক্ষা কেবল তথ্য-উপাত্ত সরবরাহের মাধ্যম নয়, এটি সমাজ বিনির্মাণের মৌলিক ভিত্তি। এটি একটি সমাজকে শুধু জ্ঞানদান করে না, বরং নাগরিক দায়িত্ব, মানবিকতা, নৈতিকতা ও যৌক্তিক চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটায়। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস বিশ্বাস করতেন, অজ্ঞতাই সকল সমস্যার মূল কারণ। তাঁর শিক্ষা দর্শনে বারবার উঠে এসেছে যে প্রকৃত শিক্ষা মানুষের আত্মোপলব্ধি ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়ায়। জনশিক্ষার প্রসার ঘটলে জনগণ নিজেরাই বুঝতে পারবে কোনটি তাদের প্রকৃত অধিকার, কোনটি ন্যায়সংগত দাবি এবং কোনটি জনস্বার্থের পরিপন্থি। ফলে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে তারা সাংবিধানিক ও নৈতিক উপায়ে নিজেদের দাবিদাওয়া উত্থাপন করতে সক্ষম হবে।

ইতিহাসের নানা বাঁকে প্রমাণ মেলে যে, সঠিক জনশিক্ষার মাধ্যমে সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনগুলো সফল হয়েছে। ঔপনিবেশিক ভারতে গান্ধীর অহিংস আন্দোলন তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে অহিংসার ধারণা দেননি; বরং জনগণের মধ্যে আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা, ন্যায্যতা ও অহিংস উপায়ের শক্তি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করেছিলেন। তাঁর জনশিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের ফলে সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছিল, সহিংসতা মুক্তিসংগ্রামের পথকে শুধু দীর্ঘায়িত করে না, বরং জনসমর্থনও কমিয়ে দেয়। একইভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের নেতৃত্বে নাগরিক অধিকার আন্দোলনও জনশিক্ষার মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছিল। তিনি তাঁর বক্তৃতা ও শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে আফ্রিকান-আমেরিকান জনগোষ্ঠীর মধ্যে নাগরিক অধিকারের বিষয়টি গভীরভাবে প্রতিষ্ঠা করেন এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের শক্তি সম্পর্কে তাদের সচেতন করেন। ঠিক তেমনই, বাংলাদেশসহ যে কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনশিক্ষার শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আন্দোলনকারীরা বুঝতে পারবে যে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথকে শুধু দীর্ঘায়িতই করে না, বরং জনসমর্থন কমিয়ে দেয়। সুতরাং জনশিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণকে নৈতিক, শান্তিপূর্ণ ও যৌক্তিক উপায়ে দাবি আদায়ের পথ দেখানো। এটি কেবল সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে না, বরং জন-আন্দোলনকে গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী করে তুলবে।

জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা আজ সময়ের দাবি। লক্ষণীয় যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি দুঃখজনক দিক হলো, আন্দোলনের নামে জনগণকে কষ্ট দেওয়া। পরিবহন ধর্মঘট, হরতাল, অবরোধ, ভাঙচুর ইত্যাদি কর্মসূচি কেবল রাজনৈতিক শক্তিপরীক্ষার অস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার প্রধান শিকার হয় সাধারণ জনগণ। প্রতিদিনের কর্মজীবন ব্যাহত হয়, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া রোগী আটকে পড়ে, অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। অথচ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ, যেখানে জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। জনশিক্ষার মাধ্যমে এ বাস্তবতা উপলব্ধি করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, জনজীবনে দুর্ভোগ সৃষ্টি করা নয়। আমেরিকান দার্শনিক জন রলস (১৯২১-২০০২) তাঁর ন্যায়বিচারের তত্ত্ব (এ থিওরি অব জাস্টিস) গ্রন্থে ন্যায়বিচারের নীতিমালা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দেখিয়েছেন- একটি ন্যায়সংগত সমাজ গঠনের জন্য এমন নীতি গ্রহণ করতে হবে, যা সমগ্র সমাজের জন্য কল্যাণকর হয়। তাঁর মতে, কোনো দাবিদাওয়া যদি সামগ্রিক কল্যাণের বিরুদ্ধে গিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে, তবে সেটি নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এ দর্শনের আলোকে বলা যায়, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনগুলোকে এমনভাবে সংগঠিত করতে হবে, যাতে তা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কারণ না হয়, বরং সেগুলো সামষ্টির স্বার্থে ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সংস্কৃতির জন্ম দেয়।

বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে আন্দোলন, প্রতিবাদ ও দাবিদাওয়া উত্থাপন হয় শান্তিপূর্ণ ও সুসংগঠিত উপায়ে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলন (সিভিল রাইটস মুভমেন্ট), ভারতের স্বদেশি আন্দোলন, দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন (অ্যান্টি-অপার্টহেইড মুভমেন্ট) -এগুলো সবই শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাজে স্থায়ী পরিবর্তন এনেছে। এর মূল ভিত্তি ছিল জনশিক্ষা, যা জনগণের মধ্যে আন্দোলনের নৈতিকতা, যৌক্তিকতা ও গণতান্ত্রিক উপায়ে দাবি আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করেছিল। সুতরাং জনশিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে জনগণকে বোঝানো দরকার যে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা কেবল একটি অস্থায়ী সমাধান, যা মূল সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না। বরং গণসচেতনতার মাধ্যমে আন্দোলনের নৈতিক দিক সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা গেলে তারা শান্তিপূর্ণ ও কার্যকর উপায়ে দাবি আদায়ের পথ খুঁজবে। অতএব, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে জনশিক্ষাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা জরুরি। এটি দেশে কেবল জনদুর্ভোগমুক্ত আন্দোলনের সংস্কৃতি গড়ে তুলবে না, বরং গণতন্ত্রের সঠিক চর্চাকেও নিশ্চিত করবে।

এখন প্রশ্ন হলো, জনশিক্ষা কীভাবে জনদুর্ভোগহীন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করতে পারে? একটি গণতান্ত্রিক সমাজে জনশিক্ষা শুধু তথ্য-উপাত্ত প্রদান বা আহরণের উপায় নয়, বরং এটি সামষ্টিক কল্যাণে নৈতিক চিন্তাধারা এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার ভিত্তি গড়ে তোলে, যা সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনকে কল্যাণমুখী করতে পারে। জনশিক্ষা যদি জনগণের মধ্যে দায়িত্বশীলতার চেতনা, মানবিক মূল্যবোধ এবং যৌক্তিক চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটাতে পারে, তাহলে আন্দোলনের ভাষা বদলাবে, সহিংসতা কমবে এবং দাবি আদায়ের পদ্ধতি হবে অধিকতর ন্যায়সংগত ও কার্যকর। এ লক্ষ্যে নিচের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

১. জনশিক্ষার মাধ্যমে প্রতিটি মানুষের মাঝে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশের চেষ্টা চালানো। শিক্ষা যদি সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে, তাহলে আন্দোলনের ভাষা ও পদ্ধতি পরিবর্তিত হবে। সক্রেটিসের মতে, একজন সত্যিকারের জ্ঞানী মানুষ কখনো অন্যের ক্ষতি করে না। শিক্ষা আন্দোলনকারীদের শেখাবে যে, জনস্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ড বা ভাষা ব্যবহার করা যাবে না, বরং যুক্তিসংগত সংলাপ ও কাঠামোগত সমাধানই টেকসই পরিবর্তন আনতে পারে।

২. গণসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সফল ব্যবহার নিশ্চিত করা। আধুনিক যুগে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জনশিক্ষার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম। গণমাধ্যম যদি বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা, শিক্ষামূলক প্রবন্ধ, তথ্যচিত্র এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা করে আন্দোলনের নৈতিক ও যৌক্তিক দিক তুলে ধরে, তাহলে এটি জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে গণমাধ্যমের দ্বারা জনসচেতনতা সৃষ্টি করে অহিংস আন্দোলনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশেও কার্যকর হতে পারে, যেখানে মিডিয়া জনশিক্ষার বাহক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

৩. আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পাঠ্যসূচিতে নৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের শিক্ষা অন্তর্ভুক্তি অত্যাবশ্যক। আনুষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে যদি শিক্ষার্থীদের নাগরিক দায়দায়িত্ব, মানবাধিকার, আন্দোলনের নৈতিকতা ইত্যাদি সম্পর্কে সচেতন করা হয়, তাহলে নতুন প্রজন্ম ছোটবেলা থেকেই ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের ধারণা পাবে। ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ, যেখানে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চিন্তাভাবনা এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশেও শিক্ষার পাঠ্যক্রমে নৈতিক শিক্ষা, সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের নীতিমালা এবং অহিংস পদ্ধতিতে দাবি আদায়ের কৌশল অন্তর্ভুক্ত করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গঠনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতি শেখানো সম্ভব হবে।

৪. রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে জনগণের সংলাপের সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো জরুরি। আন্দোলন শুধু আন্দোলনকারীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে তা কাক্সিক্ষত ফল দেয় না। রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিমণ্ডলে বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার সুযোগ তৈরি করতে হবে। জনশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জনগণ ও সরকার উভয়কে তাদের দায়দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে তোলা, যাতে তারা সংঘাত নয়, বরং যুক্তিসংগত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খোঁজে। জন রলসের ন্যায়বিচারের তত্ত্ব অনুসারে, একটি সমাজ তখনই ন্যায়পরায়ণ হতে পারে, যখন রাষ্ট্র ও নাগরিকদের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সংলাপ থাকে। ফলে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকদের জনশিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সংলাপের সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত করা গেলে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুদৃঢ় হবে এবং অযথা জনদুর্ভোগ এড়ানো সম্ভব হবে।

জনশিক্ষা কল্যাণমুখী সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের মূল চাবিকাঠি। শিক্ষাই পারে আন্দোলনের ভাষা বদলাতে, জনদুর্ভোগহীন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এবং সমাজকে নৈতিক ও কল্যাণমুখী পথে পরিচালিত করতে। এ কথা সত্য যে, সমাজ পরিবর্তন একদিনে সম্ভব নয়, তবে দীর্ঘমেয়াদে জনশিক্ষার মাধ্যমে আন্দোলনের ইতিবাচক রূপ গড়ে তোলা সম্ভব। তাই একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনের জন্য জনশিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, যেখানে শিক্ষার আলো সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছায়নি, সেখানে সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের প্রবণতা বেড়েছে। পক্ষান্তরে সুশিক্ষিত ও সচেতন জনগোষ্ঠী নিজেদের অধিকার এবং দাবিদাওয়া আদায়ের ক্ষেত্রে যুক্তিবাদী ও শান্তিপূর্ণ পন্থাকে অগ্রাধিকার দেয়। জনশিক্ষার বিস্তার ঘটলে জনগণ উপলব্ধি করতে পারবে সহিংসতা ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়; বরং নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও যুক্তিভিত্তিক আন্দোলনের পন্থাই অধিক কার্যকর।

লেখক : ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি, ইউনিভার্সিটি অব রোহ্যাম্পটন, যুক্তরাজ্য

Email: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা