শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বইমেলা ও সিজার-ক্লিওপেট্রা উপাখ্যান

সাইফুর রহমান
প্রিন্ট ভার্সন
বইমেলা ও সিজার-ক্লিওপেট্রা উপাখ্যান

একজন মানুষের জীবনে তিনটি জিনিস প্রয়োজন বই, বই এবং বই- এ উক্তিটি করেছিলেন বিশ্ববরেণ্য রুশ লেখক লিও তলস্তয়। সচেতন মানুষমাত্রই অবগত আছেন তাঁর এই উক্তিটি বর্তমান সময়ে কতটা প্রণিধানযোগ্য। বইয়ের কথা উঠলে প্রসঙ্গক্রমেই চলে আসে বইমেলার কথা। বইমেলা নিঃসন্দেহে আমাদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। কারণ এ উৎসবটি মানুষের মনে সাধারণত বই পড়ার গুরুত্ব ও আগ্রহ জাগ্রত করে। একই সঙ্গে বই পঠনে পাঠকের হৃদয়ে প্রোথিত হয় জ্ঞানের আলো। ফরাসি দার্শনিক জ্যাঁক দারিদা যথার্থই বলেছেন, ‘একটি ভালো বই পড়া মানে হচ্ছে বিগত শতাব্দীর মহৎ লেখকের সঙ্গে আলাপ করা।’ বই পড়ার গুরুত্ব যে কতটুকু সেটি ইতিহাসের আলোকে দু-একটি ঘটনার মাধ্যমে অনুধাবন করা যেতে পারে। বড় বড় সাহিত্যিক, দার্শনিক, বিজ্ঞানী, বুদ্ধিজীবী মাথা গুঁজে বই পড়বেন, সেটা অতি স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু যখন রাজাগজা, সম্রাট, বণিক ও রাজনীতিবিদরা গুরুত্বের সঙ্গে গ্রন্থ পাঠ করেন তখন বুঝতে হবে বইয়ের মধ্যেই নিহিত আছে পৃথিবীর প্রায় সব সমস্যার সমাধান। দিগি¦জয়ী আলেকজান্ডার ছিলেন একজন নিবিষ্ট পাঠক। প্রাতঃস্মরণীয় দার্শনিক এরিস্টটল ছিলেন তাঁর শিক্ষক, সে কারণেই বোধ করি বইয়ের গুরুত্ব তিনি কিশোর বয়সেই উপলব্ধি করেছিলেন। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট জীবনে বহু বই পড়েছেন। কী কী বই পড়েছেন তিনি সে বিষয় নিয়ে পৃথক একটি প্রবন্ধ লেখা যেতে পারে। তবে যে বইটা তিনি বারবার পড়তেন, সেটা ছিল হোমারের ‘ইলিয়াড’। আলেকজান্ডার পারস্য জয় করেছিলেন ৩৩৪ খ্রিস্টপূর্বে। তো হয়েছে কী, যেদিন ভোরে পারস্য সম্রাট দারিয়াসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কথা সেদিন সকালে পারমিনিয়ন নামে তাঁর এক সেনাপতি আলেকজান্ডারের তাঁবুতে গিয়ে দেখতে পেলেন যে তিনি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। পারমিনিয়ন তাঁকে ডেকে তুলে বললেন, ‘একি আলেকজান্ডার, তুমি দেখছি নিশ্চিন্ত মনে ঘুমাচ্ছ। অথচ দুশ্চিন্তায় সারা রাত আমাদের ঘুম নেই!’ পারমিনিয়নের কথার প্রতি উত্তরে আলেকজান্ডার মৃদু হেসে বললেন, ‘এ যুদ্ধে জয় আমাদের সুনিশ্চিত।’ পারমিনিয়ন বললেন, ‘সেটা কীভাবে? পারস্যের আড়াই লাখ সৈন্যের বিরুদ্ধে আমাদের সৈন্যসংখ্যা মাত্র ৫০ হাজার।’ আলেকজান্ডার অম্লান বদনে বললেন, ‘ইলিয়াডের সব যুদ্ধকৌশল আমার মুখস্থ। পারস্য সম্রাট দারিয়াস নিশ্চয়ই হোমারের ইলিয়াড পড়েনি।’

সম্রাট দারিয়াসের পরিত্যক্ত শিবির ও অঞ্চল থেকে যেসব মহামূল্যবান জিনিসপত্র আনা হয়েছিল তার মধ্যে একটি অদ্ভুত সুন্দর ছোট বাক্সও ছিল। তিনি তাঁর সতীর্থদের জিজ্ঞেস করলেন, এর মধ্যে কী উপযুক্ত জিনিস রাখা যেতে পারে। বিভিন্ন জিনিসপত্রের নাম প্রস্তাব করা হলো। কিন্তু তিনি বললেন যে মহাকাব্য ইলিয়াডই হচ্ছে প্রকৃত উপযুক্ত বস্তু যা এর মধ্যে রাখা সবচেয়ে উত্তম হবে। ইতিহাসবিদরা মনে করেন আলেকজান্ডারের যুদ্ধ পরিচালনার বিষয়ে মহাকবি হোমারের এ মহাকাব্যটি সাহায্য করেছিল।

মুঘল সম্রাট বাবর, হুমায়ুন ও আকবর- এরা সবাই বই পড়তেন। আকবর ছিলেন অক্ষরজ্ঞানহীন, তবু উপলব্ধি করেছিলেন বইয়ের গুরুত্ব। তিনি জানতেন রাষ্ট্র চালাতে জ্ঞানের বিকল্প নেই। এ জন্য তাঁর সংগ্রহশালায় ছিল প্রায় ২৪ হাজার বই। তিনি নিজে পড়তে জানতেন না বলে অন্যকে দিয়ে পড়াতেন আর নিজে শুনতেন বইয়ের ভিতরকার সেসব মর্মকথা। সম্রাট হুমায়ুনও বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাঁর জীবনের সবচেয়ে প্রধান শত্রু শেরশাহ যখন তাঁকে তাড়া করে ফিরছেন বিশাল সৈন্যবহর নিয়ে, তখনো তিনি বই পড়া থেকে নিজেকে বিরত রাখেননি। হাতির পিঠে ছিল তাঁর চলন্ত গ্রন্থাগার। তিনি যেখানেই যান সঙ্গে থাকে তাঁর বইয়ের সংগ্রহশালা। তাঁর ধারণা বই দুঃসময়ে তাঁকে শক্তি ও প্রেরণা জোগাবে। বই থেকেই তিনি পেতে পারেন আত্মরক্ষা ও বিজয়ের সূত্র। ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নেরও ছিল বইয়ের দারুণ নেশা। ভালোবাসতেন সোনার কৌটো থেকে নস্যি নিতে। গরম জলে স্নান করতে আর পছন্দ করতেন ফরাসি এসেন্স। একই সঙ্গে দুরন্ত নেশা ছিল বই পড়ার। সতীর্থরা যখন সুরা আর সুন্দরী নারী আসক্তে মত্ত, তখন কর্সিকা দ্বীপ থেকে আগত অর্ধ ফরাসি ও অর্ধ ইতালিয়ান এ কিশোরটি ডুবে যেতেন বইয়ের মধ্যে। একবার তিনি ফ্রান্স থেকে মিসরে যাচ্ছিলেন যুদ্ধাভিযানে। বেশ কটি জাহাজে তাঁর সৈন্যসামন্ত, সঙ্গে জাহাজ বোঝাই বই। হঠাৎ আকাশ ভেঙে ঝড় উঠল। সমুদ্রে দৈত্যাকৃতির বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়তে লাগল জাহাজে। জাহাজগুলো যেন তখন কলার মোচার মতো অসহায় ও ছন্নছাড়া হয়ে ভাসছে সমুদ্রে। মাঝিমাল্লাদের মধ্যে কেউ কেউ ছুটে এলেন নেপোলিয়নের কাছে, এমন বিপদে কী করণীয় সেটা জানতে। তারা দেখতে পেলেন এমন বিপদেও লণ্ঠন সামনে রেখে একাগ্রচিত্তে বই পাঠে নিমগ্ন নেপোলিয়ন। তারা চেঁচিয়ে বলতে লাগলেন, ‘মহামান্য সম্রাট আমাদের জাহাজগুলো সব ডুবতে চলেছে। এ মুহূর্তে আমাদের কী করণীয় দয়া করে পরামর্শ দিন।’ নেপোলিয়ন ঈষৎ হেসে বললেন, ‘বইয়ের মধ্যে আমি সেই উত্তরটাই খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছি, যা এ মুহূর্তে আমাদের বাঁচার জন্য প্রয়োজন।’ তারপর দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘দেখ যা কিছু ঘটছে সবই প্রাকৃতিক। এখানে আমাদের কারোরই কিছু করার নেই। ঝড় থেমে গেলে সমুদ্র এমনিতেই শান্ত হয়ে যাবে। তাহলেই আমরা বাঁচতে পারব।’

এবার বইমেলা প্রসঙ্গে আসা যাক। আমাদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, আমাদের এ উপমহাদেশে বইমেলার সংস্কৃতি খুব একটা পুরোনো নয়। এমনকি সমগ্র পৃথিবীতেই বইমেলার সংস্কৃতি খুব একটা বেশি দিনের নয়। এর প্রধান কারণ ১৫ শতকে মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের আগে বই সাধারণত পশুর চামড়া, প্যাপিরাসপাতা কিংবা পাথরের ফলক প্রভৃতি জিনিসপত্রে লেখা হতো এ জন্য বই সে সময় এতটা সুলভ ছিল না। কিন্তু ১৪৫০ সালে জার্মান আবিষ্কারক জোহানেস গুটেনবার্গ মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কার করার ফলে মুদ্রণশিল্পে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসে। পরবর্তীকালে ছাপা হতে থাকে লাখ লাখ বই। ভারতবর্ষে মুদ্রণযন্ত্রের আগমন ঘটে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামার হাত ধরে। তিনি ১৫০২ সালে তাঁর দ্বিতীয় দফা ভারত অভিযানের সময় সঙ্গে করে নিয়ে আসেন জার্মানদের আবিষ্কৃত মুদ্রণযন্ত্র।

ভারতীয় উপমহাদেশে বাণিজ্যিকভাবে বই ও সংবাদপত্র প্রকাশের জন্য গোয়াতে ছাপাখানা স্থাপন করেন পর্তুগিজরা ১৫৫৬ সালে। বঙ্গে ছাপাখানা স্থাপিত হতে লেগে যায় আরও ২০০ বছর। ১৭৭৮ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হলো ছাপাখানা। ঢাকায় প্রথম মুদ্রণযন্ত্র স্থাপিত হয় ১৮৪৮ সালে। তবে পূর্ববঙ্গ বা বর্তমানের বাংলাদেশে সৃজনশীল প্রকাশনার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮৬০ সালে দীনবন্ধু মিত্রের নীলদর্পণ নাটকটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশের অমর একুশে বইমেলা সম্পর্কে বলতে গেলে বলতে হয় বাংলাদেশে বইমেলার বীজ বপন করা হয় ১৯৬৫ সালে। এটি শুরু হয় খুব ছোট্ট পরিসরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে। ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি চিত্তরঞ্জন সাহা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বর্ধমান হাউস প্রাঙ্গণে বটতলায় এক টুকরো চটের ওপর কলকাতা থেকে আনা ৩২টি বই সাজিয়ে বইমেলার গোড়া পত্তন করেন। এ ৩২টি বই ছিল চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ (বর্তমান মুক্তধারা প্রকাশনী) থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশি শরণার্থী লেখকদের লেখা বই।

এ বইগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের প্রকাশনা শিল্পের প্রথম অবদান। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি একাই বইমেলা চালিয়ে যান। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে অন্যরা অনুপ্রাণিত হন। ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমির তৎকালীন মহাপরিচালক আশরাফ সিদ্দিকী বাংলা একাডেমিকে মেলার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত করেন। ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে মেলার সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক সমিতি; এ সংস্থাটিও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন চিত্তরঞ্জন সাহা। ১৯৮৩ সালে কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে বাংলা একাডেমিতে প্রথম অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজনে প্রভূত অবদান রেখেছিলেন। কিন্তু স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষা ভবনের সামনে ছাত্রদের বিক্ষোভ মিছিলে ট্রাক তুলে দিলে দুজন ছাত্র নিহত হন। ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর সেই বছর আর বইমেলা করা সম্ভব হয়নি। ১৯৮৪ সালে সাড়ম্বরে বর্তমানের অমর একুশে গ্রন্থমেলার সূচনা হয়। সেই ৩২টি বইয়ের ক্ষুদ্র মেলা কালানুক্রমে বাঙালির সবচেয়ে স্বনামধন্য বইমেলায় পরিণত হয়েছে। বাংলা একাডেমি চত্বরে স্থানসংকুলান না হওয়ায় ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

এবার আলোচনা করা যাক বই ফেরিওয়ালাদের কথা। চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে বইমেলা শুরুর আগে বহু প্রকাশক ও বই ব্যবসায়ী বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও স্টিমারে বই ফেরি করে বিক্রি করতেন। এভাবে তাঁরা বইয়ের বাজার তৈরিতে প্রভূত অবদান রেখেছিলেন। এঁদের মধ্যে অনেক বিখ্যাত লেখক, প্রকাশকও ছিলেন। এঁদের কথা বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হয় গজেন্দ্র কুমার মিত্র ও সুমথনাথ ঘোষের কথা। সেসব বিষয় বিস্তারিত লেখা আছে গজেন্দ্রকুমার মিত্রের কাকভূষণ্ডীর আলাপচারিতায়।

গজেনবাবু (গজেন্দ্রকুমার মিত্র) ও সুমথবাবু (সুমথনাথ ঘোষ) ছিলেন বাল্যবন্ধু। দুজনে একই ক্লাসে পড়তেন বালিগঞ্জের জগদ্বন্ধু স্কুলে। দুজনের কারোরই সাংসারিক অবস্থা সচ্ছল ছিল না, কলেজে পড়তে পড়তেই ভাগ্যান্বেষণের চেষ্টা চলেছে, সেই সঙ্গে সাহিত্যচর্চাও। দুজনে মিলে পত্রিকাও বের করেছেন। সুমথবাবুর বেশি উৎসাহ ছিল ছবি আঁকায়। পরে পুরোপুরি তিনিও সাহিত্যচর্চায় নেমে পড়েন। তাঁদের প্রথম ছাপা পত্রিকার নাম ছিল ‘বিজয়’। প্রায় বিনা মূলধনের পত্রিকা। বিজয় পত্রিকাও বন্ধ হতে বিলম্ব হলো না। এই যখন অবস্থা তখন দুই বন্ধু ঠিক করলেন, বাংলার বাইরে নতুন-পুরোনো ভালো ভালো বই নিয়ে গিয়ে বিক্রির ব্যবস্থা করলে কেমন হয়! যেমন ভাবা তেমনি কাজ। তাঁরা দুজনে ট্রাঙ্ক বোঝাই করে নতুন-পুরোনো বাংলা বই নিয়ে বিহারের কতকগুলো শহরে অভিজাত বাঙালিদের বাড়ি বাড়ি হাজির হলেন। অভাবনীয় সাড়া পাওয়া গেল। এ সাড়াতেই ভরসা পেলেন দুই বন্ধু এবং ফেরি করে বিক্রি করতে লাগলেন বই। এবার বিখ্যাত সাহিত্যিক প্রবোধকুমার সান্যালের কথা বলি। তিনিও ফেরি করে গ্রামগঞ্জে বই-পত্রিকা এগুলো বিক্রি করতেন। তিনি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসোপম আত্মজীবনী ‘বনস্পতির বৈঠকে’ লিখেছেন- “সেই সপ্তাহ থেকেই আমি ‘বিচিত্রা’ ফেরি করতে আরম্ভ করেছিলুম। আমি হকার, এ আমার গৌরব।”

সভ্যতার সূচনালগ্নে বইয়ের গুরুত্ব ছিল, বর্তমানে আছে আমার ধারণা ভবিষ্যতেও থাকবে। যদিও প্রাচীন যুগে বইমেলা ছিল না কিন্তু বইমেলার পরিবর্তে লাইব্রেরি ছিল। মিসরের রানি ক্লিওপেট্রার নাম আপনারা নিশ্চই শুনেছেন। তিনি ছিলেন জ্ঞানতাপসী। মোট সাতটি ভাষায় তিনি অনর্গল কথা বলতে পারতেন। চিকিৎসা, জোতির্বিদ্যা, গণিতশাস্ত্র এমন কোনো বিষয় নেই, যা তাঁর অজানা ছিল। বইয়ের প্রতি ছিল তাঁর ভীষণ অনুরাগ। একবার তাঁদের সংগ্রহশালাটি আগুনে পুড়ে যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন বিশিষ্ট গবেষক ও পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। তিনি তাঁর লাইব্রেরি নামক প্রবন্ধে আমাদের জানাচ্ছেন, ‘টলেমিরা সব দেশের বই-ই সংগ্রহ করতেন; মিসরের বইও তারা সংগ্রহ করতেন, হিব্রুদের বইও সংগ্রহ করতেন। তারা বড় বড় পণ্ডিত দেখে লাইব্রেরির অধ্যক্ষ নিযুক্ত করতেন। কেউ কেউ বলেন সেখানে ৪ লাখ বই ছিল, কেউ বলেন সেখানে ৭ লাখ বই ছিল। জুলিয়াস সিজার যখন আলেকজান্দ্রিয়ার নৌকার বহরগুলোতে আগুন লাগিয়ে দেন, তখন সেই আগুনে ওই বড় লাইব্রেরিটিও পুড়ে যায়। সিজারের পর ক্লিওপেট্রার পরম বন্ধু মার্ক এন্টনি এ ক্ষতি পূরণের জন্য ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তিনি করেন কী, তুরস্কের পার্গামম নামে এক জায়গায় এক বিশাল লাইব্রেরি ছিল, সেটাই তুলে এনে ক্লিওপেট্রাকে উপহার দেন। এ উপহার পেয়ে ক্লিওপেট্রার দুঃখ নিশ্চয়ই কিছুটা প্রশমিত হয়েছিল।’

লেখক : কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা