অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, রমজানে ভোগ্যপণ্যের অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর হবে। খাদ্যের সরবরাহ থাকলেও অনেক সময় ভোক্তার কাছে সেই খাদ্য যায় না। গুদামে পড়ে থাকে, লুকিয়ে রাখা হয়। এগুলো যেন কোনোভাবেই না হয়। রোজার সময় আমরা এটি এনসিওর (নিশ্চিত) করব। গতকাল সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি আরও বলেন, ভোগ্যপণ্যের বাজারে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে যেন কোনো রকমের কারসাজি না হয় সেজন্য জেলা প্রশাসকদের স্থানীয়ভাবে মনিটরিং করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আজকে অনেকগুলো এজেন্ডা ছিল। তার মধ্যে চাল, সার আমদানি, সারের গুদাম তৈরি করা, কিছু রাস্তা, ব্রিজ ও বন্দরের রাস্তার বিষয় রয়েছে। আজকে যেটা করা হয়েছে সেটা হলো অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য, আর কতগুলো আছে ভৌত অবকাঠামো, সেগুলো আমরা অনুমোদন দিয়েছি। আমাদের ভৌত অবকাঠামোগুলো বিরাট বিরাট মেগা প্রকল্প না। আমরা যেটা দিয়েছি সেটা অত্যন্ত দরকারি। মাতারবাড়ি প্রকল্প নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, মাতারবাড়ি একটি বড় প্রজেক্ট, কিন্তু বেশির ভাগ কাজ হয়ে গেছে। মাতারবাড়িতে পাওয়ার সাপ্লাই আছে। জাপানিজরা করেছে জাপানিজ গ্রান্ট (অনুদান)। জাপানি অনুদানের শর্তগুলো খুবই সহনীয়। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো মাতারবাড়ি একটি ইন্টিগ্রেটেড প্রজেক্ট। পোর্ট অথরিটি ওখানে চট্টগ্রাম পোর্টের একটা জেটি করবে। ওখানে একটা প্রাইভেট জেটি অলরেডি আছে। এ প্রকল্পের সুবিধা হলো সেখানে পোর্টের কিছু সুযোগ-সুবিধা বাড়বে এবং পাওয়ার জেনারেট হবে। বেশির ভাগ কাজ হয়ে গেছে, এখন শুধু বাকিটা করা হবে।