রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক মুসতাক আহমেদকে অনিয়ম ও দুর্নীতির অপরাধে পাঁচ বছরের জন্য অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চারুকলা অনুষদের শিক্ষক সুজন সেনের বিরুদ্ধে গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক মুসতাক আহমেদ বিভাগের সভাপতি থাকাকালীন বিভাগের আয়-ব্যয়ের নিরীক্ষার বিষয়ে গঠিত কমিটির প্রতিবেদন এবং বিভাগের স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আনীত অভিযোগসমূহ খতিয়ে দেখেছে তদন্ত কমিটি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পাঁচ বছর একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতির পাশাপাশি পদোন্নতি ও বেতনের বার্ষিক প্রণোদনা স্থগিত করা হয়েছে। বিভাগের পাওনাদি বিষয়ে পত্র ইস্যু করার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তা পরিশোধ করতে হবে। শাস্তি চলাকালে তিনি অন্য কোথাও চাকরি বা খণ্ডকালীন শিক্ষকতা বা কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না এবং এই ৫ বছর সক্রিয় চাকরি হিসেবেও গণ্য করা হবে না।
এর আগে, গত বছর সেপ্টেম্বরে অর্থ আত্মসাৎ, নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি ও ছাত্রলীগ নেতার ভুয়া প্রত্যয়নপত্র প্রদানের অভিযোগ তুলে শাস্তি দাবি করেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ফলে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুজন সেনের আচরণের নৈতিক স্খলন হিসেবে প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। ফলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর ৫৫(৩) ধারায় ড. সুজন সেনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনকে আহ্বায়ক ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক রেজাউল করিম-২ ও ড. সুজন সেন কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধিকে সদস্য করে এ কমিটি গঠিত হয়েছে।
এর আগে, গত বছর সেপ্টেম্বরে ড. সেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শাস্তির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। ফলে তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিডি প্রতিদিন/এমআই