বর্ণাঢ্য আয়োজনে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, বেলুন এবং পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।
এ সময় উপাচার্যের সাথে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল লতিফ এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইশতিয়ার উদ্দিন, শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটি উপলক্ষে পরে কেক কেটে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় উপাচার্যের সাথে পবিপ্রবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টার ও টিএসসির সামনে বৃক্ষরোপন ও রক্তদান কর্মসূচি পালন করার পর অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাদের অর্থের বিনিময়ে, শ্রম ও ঘামের বিনিময়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের প্রতি আমরা সম্মান জানাচ্ছি। প্রতিষ্ঠাকালে তারা স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি মানবিক, উন্নত শিক্ষা ও গবেষণামুখী এবং সংস্কৃতিবান্ধব একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের। আমরা চাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই স্বপ্ন পূরণ হোক। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠুক এবং তারা দেশ ও বিশ্ব গড়ার কাজে নিয়োজিত হোক।’
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইশতিয়ার উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন পোস্ট গ্রাজুয়েট স্ট্যাডিজ এর ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।
এ সময় উপ-উপাচার্য, রেজিষ্ট্রার, ডেপুটি রেজিষ্ট্রার, অনুষদ সমূহের ডিন, সিন্ডিকেট সদস্য, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট পরিচালক, দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের অংশ গ্রহণে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় প্রীতি ফুটবল, হাঁড়ি ভাঙ্গাসহ বিভিন্ন খেলা। বিকাল ৩টায় টিএসসির কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন শীর্ষক বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে প্রশাসন ভবন, হলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়ক সমূহে আলোকসজ্জা করা হয়। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রবেশ পথে তোরণ নির্মাণ এবং রোড ডিভাইডার ও আইল্যান্ডে সাজসজ্জা করা হয়।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ