কেস ও প্রটেক্টরের ব্যবহার :
আজকাল স্মার্টফোনে মজবুত গ্লাস কভার ও অ্যালুমিনিয়ামের ফ্রেম থাকে। কিছু ফ্ল্যাগশিপ মডেলে টাইটেনিয়াম পর্যন্ত ব্যবহার করা হচ্ছে। তবু ফোনকে নতুনের মতো রাখার জন্য কেস ও স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। যা ফোনকে দাগ বা পড়ে যাওয়ার ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। ফলে ফোনের পুনঃবিক্রয় মূল্য ২০-৩০% পর্যন্ত বেশি পাওয়া যেতে পারে।
বক্স ও চার্জার রাখা :
অধিকাংশ স্মার্টফোনের বক্সে খুব বেশি কিছু থাকে না। একটি সাধারণ কেস, ইউএসবি-সি কেবল, সিম ইজেক্টর পিন ও কিছু কাগজপত্র। তবুও ফোনের বক্স ও ক্রয়ের রসিদ রাখা জরুরি। ছোটখাটো এসব বিষয় আলাদাভাবে তেমন গুরুত্বপূর্ণ না হলেও ফোন বিক্রির সময় সামগ্রিকভাবে মূল্য বাড়াতে সাহায্য করে। যা ক্রেতাকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।
ব্যাটারি হেলথ বজায় রাখা :
ফোনের ব্যাটারি হেলথ ভালো রাখা সহজ কাজ নয়। তবে এটি বিক্রির সময় ভালো দাম পেতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ফাস্ট চার্জিং, ফাস্ট ওয়্যারলেস চার্জিং এড়ানো যেতে পারে। ব্যাটারি হেলথ ৯৫% নিয়ে বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যায়। ৮০% বা তার কম হলে দাম কম পাওয়া যাবে।
ওয়ারেন্টির ব্যবহার :
ওয়ারেন্টি অক্ষত থাকলে যে কোনো সমস্যা হলে অফিশিয়াল সার্ভিস সেন্টারে যাওয়া জরুরি। এতে ওয়ারেন্টি বজায় থাকে ও মানসম্মত সার্ভিস পাওয়া যায়। অন্যদিকে অচেনা থার্ড-পার্টি সার্ভিস সেন্টার থেকে কাজ করানো হলে আরও সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে পুরোনো ও ওয়ারেন্টি শেষ হওয়া ফোনের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য থার্ড-পার্টি সার্ভিসই বিচক্ষণ বিকল্প। কারণ, অফিশিয়াল সার্ভিস সেন্টারের খরচ তুলনামূলক অনেক বেশি হয়ে থাকে।