ভারতীয় সাবেক বোলার প্রবীন কুমারের চাওয়া, রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি আরও একটা ট্রফি উপহার দিক দেশকে। এই চাওয়া তো পুরো ভারতেরই। তবে নিউজিল্যান্ডও কি কম? কিউইদের হাতেও তো অস্ত্র কম নয়। কেন উইলিয়ামসন বটবৃক্ষের মতো সঙ্গে আছেন। অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করেন। রাচিন রবীন্দ্র, ম্যাট হেনরি, ফিলিপস, লাথামদের কে না ভয় করে? এ কারণেই সম্ভবত রোহিত-বিরাটদের ওপর বাড়তি চাপ দিচ্ছেন সাবেকরা। হয়তো বোঝাতে চাইছেন, জিততে হলে নিজেদের সেরাটাই দিতে হবে!
কাল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত-নিউজিল্যান্ড। ২৫ বছর আগে এ টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। সে সময় ভারতীয় দলে শচীন-সৌরভ-দ্রাবিড়দের দুরন্ত দাপট। কিন্তু ঠান্ডা মাথার অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিং ভারতীয়দের হারিয়েছিলেন। ক্রিস কেয়ার্নস দারুণ এক সেঞ্চুরিতে দলকে জয় উপহার দিয়েছিলেন। এখনো ভারত-নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হলে সেই ম্যাচের কথা উঠে আসে। তবে সময় অনেক বদলেছে। ভারতীয়রা ক্রিকেটে এক অপরাজেয় দল গড়ে তুলেছে। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, মোহাম্মদ সামি, হার্দিক পান্ডিয়ারা কতটা ভয়ংকর, তা নিউজিল্যান্ডেরও ভালোই জানা আছে। এবারের আসরেই গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের ২৪৯ রান তাড়া করে জয় পায়নি নিউজিল্যান্ড। অলআউট হয়েছিল মাত্র ২০৫ রানে। একটা বৈশ্বিক আসরের ফাইনালে অতীত অতীতেই থাকে। ফাইনালটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেখানে কাউকে ফেভারিটের তকমা দিয়ে রাখা কঠিন। নউজিল্যান্ড-ভারতের লড়াইয়েও তাই। কে জিতবে বলা যায় না। তবে দুই দলের পক্ষ থেকেই কথার লড়াই চলছে। নিউজিল্যান্ড যেমন আত্মবিশ্বাসী, তেমনি ভারতও। এবার কেবল মাঠের লড়াইয়ের অপেক্ষা।