ছাত্র-জনতার ২৪-এর অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দেশের মানুষকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে পিছপা হয়নি তরুণরা। বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যায় বন্দুকের বুলেটের সামনে। দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে রাজপথে তাজা প্রাণ বিলিয়ে দেয় শিক্ষার্থীসহ আপামর জনতা। এ অভ্যুত্থানের অন্যতম শক্তি ছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। যখন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দমনপীড়নে শিক্ষার্থী শূন্য। ঠিক তখনই আন্দোলনের নতুন প্রেক্ষাপট তৈরি করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনে আবার উজ্জীবিত হয় দেশের মানুষ। শহীদ হয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী। আহত হয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাই শিক্ষার্থীদের মানসিক অবসাদ মুক্ত করে বিকশিত এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় করে দেশ গঠনে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বসুন্ধরা গ্রুপ।
সে লক্ষ্যেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের এই শিল্প গ্রুপটি আয়োজন করেছে ইউনিভার্সিটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি-২০২৫। গত শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের ২৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে এ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো তিনটি আলাদা ভেন্যু- বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মাস্কো সাকিব ক্রিকেট একাডেমি ও ইউল্যাব সিলিকন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গতকাল বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে খেলা পরিদর্শনে আসেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান। বেলা ৩টার দিকে আসেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইয়াসিন হোসেন পাভেল, বাংলাদেশের একমাত্র খেলাধুলা বিষয়ক টিভি চ্যানেল টি স্পোর্টসের এজিএম এ আর মল্লিক রনি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য সচিব আতিক শাহরিয়ার। টুর্নামেন্ট আয়োজনের বিষয়ে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইয়াসিন হোসেন পাভেল বলেন, গণ অভ্যুত্থানের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন। অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আবার অনেকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়েছেন। তাই খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে বিকশিত করতেই এই আয়োজন। এর মধ্য দিয়ে তাদের পারস্পরিক বন্ধন আরও অটুট হবে বলেই আমাদের প্রত্যাশা। যা আগামীর বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা পালন করবে।