শুধু চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতা হয়নি ইংল্যান্ডের। ওয়ানডে বিশকাপ ও টি-২০ বিশকাপ জিতেছে দলটি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শিরোপা উৎসব করা হয়নি। যদিও দুবার ফাইনাল খেলেছে। রানার্সআপেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে ‘থ্রি লায়নস’কে। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার এমন কোনো ট্রফি নেই, যা জেতা হয়নি। ওয়ানডে বিশকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি। সর্বোচ্চ ছয়বার শিরোপা উৎসব করেছে অস্ট্রেলিয়া। জিতেছে টি-২০ বিশকাপও। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন দুবার। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার হাত ধরেই আজকের ক্রিকেট এত জনপ্রিয়। দুই দেশ প্রথম টেস্ট খেলেছে ১৪৮ বছর আগে ১৮৭৭ সালে। দুই দল প্রথম ওয়ানডে খেলেছে ৫৪ বছর আগে, ১৯৭১ সালে। ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী দল এ দুটি। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আজ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছে। জশ বাটলারের ইংল্যান্ড ও স্টিভ স্মিথের অস্ট্রেলিয়ার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মিশন শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায়। ওয়ানডে বিশচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্টে খেলছে খর্বশক্তির দল নিয়ে। দলটির মূল পেস অ্যাটাকের কেউই নেই। বিশচ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স নেই ইনজুরির জন্য। ব্যক্তিগত কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন দুবারের বিশকাপজয়ী পেসার মিচেল স্টার্ক এবং ইনজুরির কারণে নেই জশ হ্যাজলউড। এ ছাড়া নেই সিমিং অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ্ব। চার তারকা ক্রিকেটার না থাকার পরও দলটির বোলিং শক্তি খুব একটা পিছিয়ে নেই। শিন অ্যাবটের নেতৃত্বে পেসাররা তৈরি। দলটির সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার অধিনায়ক স্মিথ। তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কামিন্সের অনুপস্থিতিতে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অস্ট্রেলিয়ার ট্রাম্পকার্ড ট্রাভিস হেড। ওয়ানডে বিশকাপে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছিলেন হেড। লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পাও রয়েছেন দুরন্ত ফর্মে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে আসার আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রস্তুতিমূলক দুই ম্যাচের একটি ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে। জশ বাটলারের ইংল্যান্ড ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। সেজন্য দলে ভিড়িয়েছে জো রুটকে। দলটির ট্রাম্পকার্ড বাটলার নিজে। এ ছাড়া হ্যারি ব্রুক একজন ম্যাচ উইনার, ফিল সল্ট আগ্রাসি ব্যাটার। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জেমি স্মিথ যে কোনো পজিশনে খেলতে পারদর্শী। বোলিংয়ে মার্ক উড, জোফরা আর্চার পরীক্ষিত। লেগ স্পিনার আদিল রশিদ ম্যাচ উইনার। প্রয়োজনে হাত ঘোরাতে পারেন রুট। আজকের ম্যাচের আগে দুই দল পরস্পরের বিরুদ্ধে ১৬১টি ওয়াডে খেলেছে। অস্ট্রেলিয়ার ৯১ জয়ের বিপরীতে ইংল্যান্ডের জয় ৬৫। টাই দুই ম্যাচ এবং খেলা হয়নি তিন ম্যাচে।