কিশোর গ্যাংয়ের কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী শিহাব হোসেন শয়ন ওরফে আরাফাতকে গ্রেপ্তার করছে সেনাবাহিনী। সোমবার মধ্যরাতে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শয়নের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার দুই সহযোগী হৃদয় এবং সোহাগকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার প্রধান সহযোগী এ বি এম মাহমুদুল বশ্রী ওরফে জন পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের দমন নিপীড়নে রাজধানীর আদাবর থানায় করা একটি মামলায় শয়নকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল আদালতে তোলা হয়।
তার বিরুদ্ধে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাসহ বিভিন্ন থানায় আরও একাধিক মামলা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে তার নামে থাকা বাকি মামলাগুলোতে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে।
জানা গেছে, শিহাব হোসেন শয়ন মিরপুর মডেল থানার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ট্রিপল মার্ডার, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, চাঁদাবাজি এবং অপহরণসহ অন্তত ১০টিরও বেশি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
গত জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের দমন-পীড়নের অভিযোগে ৫ আগস্টের পর তার বিরুদ্ধে আরও চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলাও রয়েছে।
শিহাব হোসেন শয়ন ওরফে আরাফাত মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের অন্যতম সহযোগী। ঢাকা উত্তরের ২৮ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফোরকান এবং রাষ্ট্রনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি ঢাকা থেকে শেরপুরে পালিয়ে যান। সম্প্রতি তিনি আগারগাঁও এলাকায় তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে পুনর্গঠিত করতে ঢাকায় ফেরেন।