আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারা দেশে শুরু হওয়া অপারেশন ডেভিল হান্ট ও রাজধানীতে ডিএমপির পক্ষ থেকে চালানো বিশেষ অভিযানে ৮৫২ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে অপারেশন ডেভিল হান্টে ৫৬৯ জন ও ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযানে ২৮৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়াও রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে চেক পোস্ট কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) ইনামুল হক সাগর বলেন, অপারেশন ডেভিল হান্টে আরও ৫৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টের আওতায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬৬২ জনকে। সব মিলিয়ে সারা দেশ থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে ১ হাজার ২৩১ জন। এদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, ১০ রাউন্ড গুলি, ৬২ গ্রাম গান পাউডার, ৩টি রামদা, একটি লোহার তৈরি দা, একটি ছোরা, দুটি লোহার রড ও একটি কাঠের লাঠি উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ২৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৮ জন ডাকাত, ২৬ জন ছিনতাইকারী, ৬ জন চাঁদাবাজ, ২০ জন চোর, ১৬ জন চিহ্নিত মাদক কারবারি, ৩১ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ অন্যান্য অপরাধে জড়িত অপরাধী রয়েছে। অভিযানে ৩০০ রাউন্ড গুলি ও বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহৃত তিনটি চাকু, তিনটি সুইচ গিয়ার, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও নগদ ১ হাজার ৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া অভিযানে ১০ লিটার দেশি মদ, ১২১ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১২.৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিএমপির ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির ৫০টি থানা এলাকায় ৫৮৬টি টহল টিম দায়িত্ব পালন করে। এ ছাড়া মহানগর এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে ডিএমপি কর্তৃক ৬৫টি পুলিশি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। অপরাধপ্রবণ স্থানে সিটিটিসির ১৪টি, এটিইউর ১২টি এবং ডিএমপির সঙ্গে র্যাবের ১০টি টহল টিম দায়িত্ব পালন করে। এ ছাড়াও ডিএমপির সঙ্গে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট এপিবিএন কর্তৃক ২০টি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়।