পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক মাদরাসা ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে ছেলে। এদিকে আম গাছে ঝুলছে বাবা তৈয়ব আলীর লাশ। গতকাল সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামে ভিকটিমের বসতঘরের সামনের গাছ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। তৈয়ব আলী দীর্ঘদিন ধরে রাঙ্গামাটিয়া গ্রামে শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ।
ভিকটিমের স্ত্রী রহিমা বেগম জানান, ১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে তাদের ছেলে আবদুল করিম জনি পার্শ্ববর্তী নোয়াপাড়া গ্রামের এক মাদরাসা ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ছাত্রীর পরিবার থানায় আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। দ্রুত তাদের মেয়েকে ফিরিয়ে না দিলে গ্রামছাড়া করার হুমকি দেয়। এই ঘটনায় তার স্বামী তৈয়ব আলী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। পাশাপাশি মেয়ের পরিবার ও পুলিশের ভয়ে তিনি বাড়ির বাইরে বাগানে অবস্থান করেন। তিনিও ঘরে তালা লাগিয়ে অন্য বাড়িতে রাতযাপন করছেন। সকালে বাড়িতে গিয়ে তার স্বামীকে খুঁজতে গিয়ে দেখেন আম গাছের ডালে গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় লাশ ঝুলে আছে। তার চিৎকার শুনে লোকজন জড়ো হয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়।
মেয়ের মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে নিয়ে তৈয়ব আলীর ছেলে আবদুল করিম জনি পালিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আত্মীয়স্বজন পুলিশ নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়েছিল, কাউকে হুমকি দেইনি।’
রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের রাশেদুল ইসলাম জানান, মেয়ের পক্ষের লোকজন পুলিশ নিয়ে তৈয়ব আলীর পরিবারকে হুমকি দিলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তৈয়ব আলী নামের একজনের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।’