সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী বলেছেন, পরিবারের সম্মতি পেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবি আল মাহমুদের বাড়িতে স্মৃতি জাদুঘর ও মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হবে।
তিনি বলেন, কবি আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার রচনা বাড়ি স্মৃতি আগামী প্রজন্মের জন্য রাখা ও ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। এই বিষয় আমাদের আগ্রহ আছে, ধীরে গতি হলেও এমন কাজ হয়। কিন্তু গণ অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকার এই কাজটি গুরুত্ব দিয়ে করবে।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কবি আল মাহমুদের ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কালের কলসের আয়োজনে ‘বিপ্লব বসন্তে আল মাহমুদ’ নামে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ফারুকী।
এ সময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা বলেন, আল মাহমুদ কোনো রাজনৈতিক দলের নন, তিনি পুরো বাংলা ভাষার।
কবি আবদুল হাই শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার।
তিনি বলেন, জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আল মাহমুদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্তমূলকভাবে হাজির হয়েছে। তার চিন্তা ছড়িয়ে দিতে হবে। জুলাই আন্দোলনে প্রমাণ হয়েছে আমরা ঘুমিয়ে নেই, জেগে আছি।
ফরহাদ মজহার বলেন, ’২৪ এর বিপ্লব যেন বেহাত না হয় এজন্য সাংস্কৃতিক লড়াই অবধারিত, এই লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে হবে শিল্পী, কবি, সংস্কৃতিকর্মীদের।
সভাপতির বক্তব্যে কবি আব্দুল হাই শিকদার অবিলম্বে কবি আল মাহমুদের কবর রাষ্ট্রীয়ভাবে সংস্কারের দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কালের কলস সম্পাদক লেখক ও সাংবাদিক আবিদ আজম।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন একুশে পদকজয়ী আলোকচিত্রী নাসির আলী মামুন, জাতীয় কবিতা পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক কবি শাহীন রেজা, কবি জাকির আবু জাফর, ড. কুদরত ই হুদা, ড. কাজল রশীদ শাহীন, কবি ইমরান মাহফুজসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে আল মাহমুদের গান পরিবেশন করেন শিল্পী আমিরুল মোমেনিন মানিক ও জান্নাতুন নাঈম পিংকী। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন শিমুল পারভীন, কামরুল হাসান জুয়েল, মুক্তা বরমন, ফারাহ দোলন, কঠোর হাসান, মুসা আখন্দ, এম. তারেক হাসিব, মনিরুজ্জামান পলাশসহ আরো অনেকে।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত