শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০২:১৭, শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

এগোচ্ছে ভোট প্রস্তুতি ও সংলাপ

প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে সবাই খুশি

এটা অত্যন্ত ইতিবাচক : ফখরুল
শফিউল আলম দোলন ও রফিকুল ইসলাম রনি
প্রিন্ট ভার্সন
প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে সবাই খুশি

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের ঐক্যে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। নির্বাচনের সময় ও প্রক্রিয়া নিয়ে আর কোনো দলের কোনো ধরনের প্রশ্ন উঠুক, এটা তারা চায় না। ফ্রি-ফেয়ার ইলেকশন হলে বিএনপি সরকারে এবং জামায়াত বিরোধী দলে যাবে বলেই দৃঢ় প্রত্যাশা উভয় দলের নেতাদের। এ অবস্থায় বিএনপিও চায় আগামী জাতীয় সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল আসুক। কার্যকর সংসদ গঠনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করুক। জামায়াতকে সব ধরনের ইতিবাচক সহায়তা দিতে প্রস্তুত বিএনপি। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরপরই আগামী নির্বাচনের পর ছোটবড় সব রাজনৈতিক দল যারা ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, তাদের নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সরকার গঠনের পরিষ্কার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রয়োজনীয় সংস্কার, দৃশ্যমান বিচার ও জুলাই গণ অভুত্থানের ঘোষণাপত্রসহ সবকিছুতেই একমত দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও নির্বাচন সামনে রেখে জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, গণ অভ্যুত্থানের পর নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনি প্রক্রিয়ার দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে একটি অপশক্তি বারবার বাধার সৃষ্টি করছে। নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের পথে তারা সবচেয়ে বড় অন্তরায়। তিনি নির্বাচন, দেশ গঠন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকার ও জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিনটি দাবিও পূরণ হওয়ার পথে রয়েছে। নির্বাচনের আগে তারা চাচ্ছে মৌলিক সংস্কার, গণহত্যার বিচারকার্যের দৃশ্যমান অগ্রগতি এবং জুলাই গণ অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র। এ তিনটি দাবির সঙ্গেই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ অন্য সব রাজনৈতিক দলই একমত। প্রয়োজনীয় সংস্কারে বিএনপি ও জামায়াতসহ সবাই একমত। বিএনপি ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব আগে থেকেই দিয়ে রেখেছে। গণহত্যার চলমান বিচার কার্যক্রম এখন প্রায় দৃশ্যমানই হয়েছে। গত বুধবার রাতে বিএনপির পক্ষ থেকে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্রের খসড়া অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, ১৩ জুন অনুষ্ঠিত লন্ডন বৈঠকের পর আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সবকিছুকেই ইতিবাচক হিসেবে নিচ্ছে দলটি। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রস্তুতি গ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশনা প্রদানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমি আজ প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে ধন্যবাদ দিতে চাই। তিনি নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সব কাজ গুছিয়ে রাখার জন্য। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক ব্যাপার। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। এ বিজয় ধরে রাখতে প্রয়োজন ধৈর্য ও সহনশীলতা। জনগণ সব দেখছে। তাদের বোকা ভাবা ঠিক হবে না। অতীতে যারা এ ধরনের দম্ভোক্তি করেছেন, তারা আজ ইতিহাসে নেই। বাংলার মানুষ এসব কখনো মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না। ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আজ সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, এ ভাষা গণতান্ত্রিক সমাজের নয়।

আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে -গোলাম পরওয়ার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে স্পেস দেওয়ার জন্য নতুন নতুন তত্ত্ব আসছে। আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত করার জন্য নানা ফিলোসোফির মাধ্যমে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক দরজা ওপেন করার চক্রান্ত চলছে। এটা হচ্ছে এ দেশের মানুষকে ব্যবহার করে, কোনো রাজনৈতিক দলকে ব্যবহার করে। তিনি বলেন, সংস্কারকে কেন্দ্র করে পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর মধ্যে নানান বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবে, এর মানে এই না, সেই দল নির্বাচন চায় না, নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চায়। যখন আলোচনার কোনো বিষয় আসবে তখন বিতর্ক হতে পারে, নতুন যুক্তি আসতে পারে। তিনি বলেন, ব্যক্তি হাসিনা পালিয়ে গেলেও প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, বিচার বিভাগে, পুলিশে, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসহ সব জায়গায় ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে বসে আছে। ফলে একজন ফ্যাসিস্ট গেলেও দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়নি। ফ্যাসিবাদের আদর্শ যারা লালন করে তারা কিন্তু এখনো দেশে আছে। নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের পথে তারা সবচেয়ে বড় অন্তরায়। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ডিসেম্বর ঘিরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। এটা অত্যন্ত ইতিবাচক দিক। নির্বাচন যে প্রাধান্য পাচ্ছে তাঁর এ নির্দেশনা অনন্য নজির। আশা করি, অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও এটাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আস্থা বাড়াবে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা যে নিদের্শনা দিয়েছেন, তা রুটিং ওয়ার্ক। তার পরও বলব, নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছিল, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনার পর ধোঁয়াশা কেটে গেল। এটাকে আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রধান উপদেষ্টার অনেক ইতিবাচক দিক রয়েছে। আমরা চাই ক্ষমতার প্রভাবমুক্ত একটি সুন্দর নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচনের সব প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত প্রস্তুত করার অংশ হিসেবেই প্রধান উপদেষ্টা এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় খুশি হতাম যদি ডিসেম্বরের ভিতরে ভোট শেষ করার নির্দেশনা দিতেন। তার পরও আমরা মনে করি, সব ধোঁয়াশা কেটে জাতীয় নির্বাচনের এক ধাপ অগ্রগতি হয়েছে। আমরা এখন নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে নির্বাচনের তারিখ শুনতে চাই। কারণ নির্বাচন করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

তিন শর্ত পূরণের আগে নির্বাচন নিয়ে ভাববে না এনসিপি : মৌলিক সংস্কার ও জুলাই গণহত্যার বিচারকার্যের দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে কোনো ভাবনা নেই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)। দলটি এখন দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা শীর্ষক কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে দেশের জনগণের অন্যতম দুটি চাওয়া হলো- রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের রূপরেখা বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচার। পাশাপাশি জুলাই গণ অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র। গণ অভ্যুত্থান থেকে গড়ে ওঠা বিপ্লবীদের রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপিরও অন্যতম চাওয়া এখন এ তিনটি। এনসিপি এখন নির্বাচন নিয়ে ভাবছে না। দলটির নেতা-কর্মীরা দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।

১০ দিনে আমরা দেশের ২২টি জেলায় পদযাত্রা ও পথসভায় অংশ নিয়েছি। মাসজুড়ে আমাদের এ কর্মসূচি চলবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি সংস্কার এবং বিচারের দাবি নিয়ে। বিশেষ করে সংস্কার ও বিচারের দাবিতে তাদের ঐকবদ্ধ করছি। এ দুটি শর্ত পূরণসাপেক্ষে আমরা নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনায় যাব। নির্বাচন যখনই হোক না কেন তাতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে তার আগে মৌলিক সংস্কার এবং গণহত্যার বিচার নিয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হতে হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার
ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহার
সীমান্ত হত্যা নিয়ে পুরোনো সুর বিএসএফের
সীমান্ত হত্যা নিয়ে পুরোনো সুর বিএসএফের
আবু সাঈদের মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল বুকে গুলির চিহ্ন
আবু সাঈদের মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল বুকে গুলির চিহ্ন
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
চীন সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
চীন সফর শেষে ফিরলেন সেনাপ্রধান
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা
রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড জরুরি
রাজনীতিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড জরুরি
আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন
সর্বশেষ খবর
সিডিসির নতুন পরিচালকের নাম ঘোষণা করল হোয়াইট হাউস
সিডিসির নতুন পরিচালকের নাম ঘোষণা করল হোয়াইট হাউস

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
বগুড়ায় সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ
দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১
কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের
হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন
গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম
মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির
পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি
গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ
সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের
অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট
পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি
চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল
আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ
ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা
বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল
রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক
‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার
বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম