লাকসামে বেড়াতে এসে এক তরুণী দুই দফা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের বিচার দাবিতে ছাত্র-জনতা লাকসাম থানার সামনে অবস্থান নেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিলে তারা চলে যান।
১৩ মার্চ নোয়াখালীর সোনাপুরের এক তরুণী ও তার স্বামী লাকসামে নানাশ্বশুরবাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। ১৪ মার্চ ভোরে তারা লাকসাম বাইপাস মোড় থেকে বাড়ি ফেরার জন্য অটোরিকশায় ওঠেন। সিএনজি চালক মাসুদ তাদের স্বামী-স্ত্রী কি না জানতে চান। একপর্যায়ে তিনি কৌশলে তাদের লাকসামের গন্ডামারা এলাকায় নিয়ে ব্যাগ তল্লাশি করে। স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে লাকসামের পাইকপাড়ায় পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে মাসুদ ও মোহাম্মদ আলী তাকে প্রথম দফায় ধর্ষণ করে। এরপর ভিকটিমকে লাকসাম পৌর শহরের একটি বাসায় নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ধর্ষণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। পরে তার মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে লাকসাম থানায় মামলা করেন। লাকসাম থানার ওসি নাজনীন সুলতানা জানান, পুলিশ দিনভর অভিযান চালিয়ে পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ভিকটিমের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠেছে।