সুন্দরবন ও এর সংলগ্ন অঞ্চলে দূষণ কমানো এবং বাস্তুসংস্থান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘সুন্দরবনের জন্য সাংবাদিকতা’ বিষয়ক আলোচনা সভা হয়েছে বৃহস্পতিবার। জেলা শহরের অদূরে অগ্রগতি সংস্থার রিসোর্ট এবং ট্রেনিং সেন্টারের সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক রফিকুল ইসলাম খোকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন- শুভাশিস ভট্টাচার্য, সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল। বক্তারা বলেন, ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ৬০ শতাংশ এলাকা বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে অবস্থিত। উপকূলীয় সুরক্ষা ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সুন্দরবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রায় ৩০ লাখ মানুষ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সুন্দরবনের বনজ ও জলজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল, যা তাদের জীবন-জীবিকার প্রধান উৎস। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মানবসৃষ্ট বিভিন্ন কারণে সুন্দরবন চরম প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত ঝুঁকির সম্মুখীন। এ অঞ্চলে দূষণ বাড়ছে, বিশেষত প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহারে।
দূষণ নদী, খাল ও জলাশয়গুলোকে প্রভাবিত করছে। গাছপালা, বন্যপ্রাণী ও জলজপ্রাণীর ওপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব। যা বনের উৎপাদনশীলতা হ্রাস করছে এবং মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকিতে ফেলছে। সভায় বলা হয়, সুন্দরবন না থাকলে আগামী প্রজন্ম বাঁচতে পারবে না। সুন্দরবন বাঁচাতে হলে দূষণ এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত পরিণতি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে হবে। সভা শেষে ২৫ সদস্যের জার্নালিজম ফর সুন্দরবন কমিটি গঠন করা হয়েছে।