যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মর্যাদায় গতকাল ২৬ রমজান দিবাগত রাতে সারা দেশে মহিমান্বিত রজনি পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ ও মনোবাসনা পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে রোনাজারি করেছেন। মুসল্লিরা আল্লাহর করুণা লাভের আশায় নিজ নিজ বাড়িঘরে ও মসজিদে মসজিদে নফল এবাদত, কুরআন তিলাওয়াত, তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়, জিকির-আজকার আর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে কাটিয়েছেন হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ এ রাতটি। পবিত্র রমজান মাসে দেশের অধিকাংশ মসজিদে তারাবির নামাজে কুরআন খতম গতকাল শেষ হয়েছে। তারাবি শেষে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। এ ছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
লাইলাতুল কদর অর্থ মহিমান্বিত রজনি বা মর্যাদাসম্পন্ন রাত। পবিত্র এ রাতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর নাজিল হয়েছিল পবিত্র মহাগ্রন্থ ‘আল-কুরআন’। পবিত্র কুরআনে এ রাতকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। নবী করিম (সা.) এ রাতে নিজে এবাদতে মশগুল থাকতেন এবং তার সাহাবিদেরও বেশি বেশি এবাদত করার নির্দেশনা দিতেন।