দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনের পক্ষে গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘মাগুরা সদরে বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ৫ মার্চ দিবাগত রাতে আট বছরের এক মেয়ে শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন আছে। সে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।’ বিবৃতিতে সাম্প্রতিক সময়ের কিছু ঘটনা উল্লেখ করে বলা হয়, ‘এসব ঘটনায় প্রমাণিত হয় দেশে নারী ধর্ষণ ও সহিংসতা বেড়ে গেছে। এসব অনাকাক্সিক্ষত ঘটনায় দেশবাসীর সঙ্গে আমরাও গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’ তিনি বলেন, ‘মাগুরার আট বছরের মেয়ে শিশুর ধর্ষক ও ধর্ষণের সহযোগিতাকারীদের অপরাধ এক ও অভিন্ন। এদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষক নামের নিকৃষ্টদের পাকড়াও করে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’ জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, ‘বাস, ট্রেন, লঞ্চ, অফিস, বাসাবাড়ি, স্কুল-কলেজ, মাদরাসা কোথাও নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নেই। এটি জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ইমাম, খতিব ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বসহ সচেতন নাগরিকদের ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ধর্ষকদের ঘৃণা ও সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।’
পৃথক বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল জাতিসংঘের মাধ্যমে বাংলাদেশি হত্যার আন্তর্জাতিক তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিকদের অব্যাহতভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। জাতিসংঘের অধীনে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।