হবিগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মো. আবু জাহির ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্যের সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিস দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুপুরে ছয়জনের নামে আলাদা আলাদা নোটিস জারি করে আবু জাহিরের বাসার সামনে টানিয়ে দেওয়া হয়। পরের তিন সপ্তাহের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিসে উল্লেখ রয়েছে। সাবেক এমপি আবু জাহির ছাড়াও নোটিসপ্রাপ্তরা হলেন তার স্ত্রী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলেয়া আক্তার, মেয়ে আরিফা আক্তার মুক্তি, ছেলে ইফাত জামিল, ছোট ভাই মো. আল আমিন এবং মো. বদরুল আলম। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. এরশাদ মিয়া বলেন, ওই ছয় ব্যক্তি আত্মগোপনে থাকায় তাদের বাড়ির দেওয়ালে নোটিস টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সময়মতো বিবরণী দাখিল না করলে কমিশন আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ জানুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবু জাহির ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে অপরাধলব্ধ ১০ কোটির বেশি টাকার সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন হবিগঞ্জের স্পেশাল জজ জেসমিন আরা বেগম। গত ৫ আগস্ট দেশের পট পরিবর্তনের পর আবু জাহির ও তার পরিবারের সদস্যদের এলাকায় দেখা যায়নি। দুদকের অভিযোগ, তার পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১০ কোটি ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজ মিলেছে। এর মধ্যে বাড়ি, গাড়ি ও জায়গা রয়েছে। এসব সম্পদ মো. আবু জাহির, স্ত্রী আলেয়া আক্তার, ছেলে ইফাত জামিল, মেয়ে আরিফা আক্তার মুক্তি ও ছোট ভাই বদরুল আলমের নামে।