চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান তামিম ইকবাল। অথচ দারুণ ছন্দে ছিলেন দেশসেরা ওপেনার। বিপিএলে তার নেতৃত্বে চ্যাম্পিয়ন হয় ফরচুন বরিশাল। ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে এবার নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঐতিহ্যবাহী মোহামেডানকে। এ দলটি প্রিমিয়ার ক্রিকেটে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ১৬ বছর আগে। চলতি মৌসুমে শিরোপা জিততে জাতীয় দলের একাধিক তারকাকে নিয়ে দল গড়েছে। বিকেএসপি-৩ নম্বর মাঠে গতকাল চতুর্থ রাউন্ডের খেলায় ৯ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে। মোহামেডানকে জয়ী করতে সেঞ্চুরি করেন দলনায়ক তামিম ইকবাল। বাঁ হাতি ওপেনার অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। চলতি আসরে এটা তামিমের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। একই দিনে প্রিমিয়ার লিগে বাকি দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে আবাহনী ও লেজেন্ড অব রূপগঞ্জ। মিরপুর স্টেডিয়ামে আবাহনী ৮ উইকেটে পারটেক্স স্পোর্টিংকে এবং লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ৮ উইকেটে হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে। চতুর্থ রাউন্ড শেষে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে (৩.৩২৯) সবার ওপরে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুই আবাহনী (১.৮১৪) এবং তিনে মোহামেডান (০.৫২৪)।
টস জিতে ফিল্ডিং নেন মোহামেডানের অধিনায়ক তামিম। তিন স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিতে ৪৮.৪ ওভারে ১৮৭ রানে অলআউট হয় ব্রাদার্স। দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন ইমতিয়াজ হোসেন। তাইজুল ৪ উইকেট নেন ৩১ রানের খরচে। নাসুম ৩৫ রানের খরচে একটি এবং মেহেদি হাসান মিরাজ ৩০ রানের খরচে নেন ২ উইকেট। টার্গেট ১৮৮ রান। তামিম ও মেহেদি মিরাজ প্রথম ওভারের শেষ বলে বিচ্ছিন্ন হন দলীয় ৪ রানে। এরপর অধিনায়ক তামিম ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কণ অবিচ্ছিন্ন থেকে ৩১.৫ ওভারে ১৮৭ রান যোগ করেন। ম্যাচসেরা তামিম অপরাজিত থাকেন ১০৫ রানে। ১০৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটের ৯৬ বলের ইনিংসটিতে ছিল ৯ চার ও ৪ ছক্কা। অঙ্কণ অপরাজিত থাকেন ৭৫ রানে। তামিম আগের ম্যাচে পারটেক্সের বিপক্ষে অপরাজিত ছিলেন ১২৫ রানে।
মিরপুরে আবাহনীর বাঁ হাতি স্পিনার মাহফুজুর রহমান রাব্বির ঘূর্ণিতে ৩৩.১ ওভারে ১০০ রানে অলআউট হয় পারটেক্স। ম্যাচ সেরা রাব্বির স্পেল ৯-২-১৮-৫। পারভেজ হোসেন ইমনের অপরাজিত ৫৫ রানে ১৪.৩ ওভারে ৮ উইকেটে জয় তুলে নেয় আবাহনী। বিকেএসপি-৪ নম্বর মাঠে প্রাইম ব্যাংককে ১৫২ রানে গুটিয়ে ৮ উইকেটের জয় তুলে নেয় রূপগঞ্জ। প্রাইমের পক্ষে মোহাম্মদ নাঈম ৮১ রান করেন। রূপগঞ্জের পক্ষে তানজিদ ৬৮ ও সৌম্য সরকার অপরাজিত ৫০ রান করেন।