পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে চলছে সেঞ্চুরির উৎসব। যার মধ্য দিয়ে এবার ভেঙে যেতে পারে আগের সব আসরের সেঞ্চুরির রেকর্ড। স্বাগতিক পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের উদ্বোধনী ম্যাচে উইল ইয়াংয়ের সেঞ্চুরি দিয়ে শুরু এই যাত্রা। ম্যাচে কিউইদের উইকেটকিপার-ব্যাটার টম ল্যাথামও সেঞ্চুরি করেন। উদ্বোধনী ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে ২০০০ সালের চ্যাম্পিয়ন কিউইরা। এরপর প্রতিটি ম্যাচে কোনো না কোনো দলের ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করেছেন। নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান, বাংলাদেশ-ভারত ও অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড ম্যাচে দুটি করে সেঞ্চুরি হয়েছে। এরপর আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত-পাকিস্তান ও বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচেও একটি করে সেঞ্চুরি দেখেছে ক্রিকেট বিশ্ব।
এবার ফাইনালসহ মোট ১৫টি ম্যাচ হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। এর মধ্যে প্রথম ছয় ম্যাচেই ৯টি সেঞ্চুরির দেখা মিলেছে। গতকালের ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচ পরিত্যাক্ত হয়। তবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কেননা, এর আগে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির সংখ্যা ছিল ১০টি। আটবার অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে দুবার করে ১০টি সেঞ্চুরির দেখা মেলে। প্রথমবার ২০০২ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০১৭ সালে। এ ছাড়া ১৯৯৮ সালে ৪টি, ২০০০ সালে ৬টি, ২০০৪ সালে ৪টি, ২০০৬ সালে ৭টি, ২০০৯ সালে ৬টি ও ২০১৩ সালে ৩টি সেঞ্চুরির রেকর্ড রয়েছে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে। কিন্তু এবার টুর্নামেন্টের প্রথম ৬ ম্যাচেই ৯টি সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন। যার মধ্যে ৩টি নিউজিল্যান্ড, ২টি ভারত ও একটি করে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা হাঁকিয়েছেন।
অন্যদিকে, ওয়ানডে বিশ্বকাপের এক টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির সংখ্যা ৪০টি। যা ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত ৪৮ ম্যাচের সর্বশেষ বিশ্বকাপের রেকর্ড। যার মধ্য দিয়ে ভেঙেছিল অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৫ বিশ্বকাপের ৩৮টি সেঞ্চুরির রেকর্ড। এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন বেন ডাকেট। লাহোরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৬৫ রান করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসেই এটি ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংস। একই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার জশ ইংলিস গড়েন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। ৭৭ বলে তিনি এ রেকর্ড করেন। এর আগে ২০০২ সালে কলম্বোয় ১২৬ রান করার পথে ৭৭ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ভারতের বীরেন্দর শেবাগ।