শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৪৭, বৃহস্পতিবার, ০৬ মার্চ, ২০২৫

মহানবী (সা.)-এর সাহরি ও ইফতার

আসআদ শাহীন
অনলাইন ভার্সন
মহানবী (সা.)-এর সাহরি ও ইফতার

সাহরি খাওয়া সুন্নত এবং এতে অফুরন্ত বরকত আছে। সাহরি খাওয়ার ফলে মানুষ শারীরিক শক্তি ও কর্মশক্তি লাভ করে, যা সারা দিনের রোজা পালনে সহায়ক হয়। সাহরির সর্বোত্তম সময় হলো ফজরের আজানের প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে। এই সময়ে সাহরি খাওয়ার অন্যতম বড় উপকারিতা হলো, এতে ফজরের নামাজ জামায়াতে আদায় করার সুযোগ সহজ হয়।

তবে মনে রাখতে হবে, সাহরি মানেই যে বাহারি খাবার কিংবা নানা আয়োজন থাকতে হবে, এমন নয়। বরং কারো যদি খাওয়ার ইচ্ছা না থাকে, তবু অন্তত একটি খেজুর বা কয়েক ঢোক পানি সাহরির নিয়তে গ্রহণ করলেও সাহরির বরকত লাভ করা সম্ভব।
কেননা রমজান মাসে রোজার সূচনা করতেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) সাহরির মাধ্যমে। তিনি নিজে সাহরি করতেন এবং সাহাবাদেরও এর প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহিত করতেন।


তিনি বলেন, সাহরি করো, কেননা সাহরির মধ্যে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ বরকত নিহিত রয়েছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯২৩, সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০৯৫)
অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, সাহরির খাবার তোমাদের দিনভর রোজা রাখার শক্তি ও সামর্থ্য এনে দেবে। (মুসতাদরিকে হাকিম, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৪৩৫)

সাহরির প্রতি উৎসাহ জাগিয়ে তিনি কখনো এ কথাও বলতেন, আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর ফেরেশতাগণ সাহরি খাওয়াদের জন্য রহমতের দোয়া করেন।

(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৩৪৬৭)

প্রিয় নবী (সা.) সাহরির খাবারকে বরকতময় আহার বলে অভিহিত করেছেন।


(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৪৪)
তিনি বিশেষ করে খেজুরকে সাহরির জন্য উত্তম খাদ্য হিসেবে পছন্দ করতেন।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৪৫)

রাসুল (সা.)-এর ব্যক্তিগত সাহরি ছিল একেবারে সহজ-সরল ও পরিমিত—অল্প কয়েকটি খেজুর ও এক গ্লাস পানি দিয়েই সাহরির সে আয়োজন সম্পন্ন হতো। তবে তিনি কখনো একা একা সাহরি করতেন না; বরং সাহাবাদেরও আহ্বান জানাতেন, যেন সবাই একসঙ্গে এই বরকতময় খাবারে অংশ নেয়। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১৩০৬; সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৪৪)

আর সময়ের হিসাবেও ছিল অপূর্ব দূরদর্শিতা। তিনি সাহরি করতেন রাতের একেবারে শেষ প্রহরে, যখন সুবহে সাদিকের আলো উদ্ভাসিত হওয়ার ঠিক দ্বারপ্রান্তে।


এভাবে সাহরির মাধ্যমে নবী (সা.) আমাদের শিখিয়ে গেছেন রোজার প্রস্তুতি কিভাবে করতে হয়, আর কিভাবে এই ছোট্ট আহারও আল্লাহর অফুরন্ত রহমত ও বরকতের মাধ্যম হতে পারে। হজরত জায়েদ বিন সাবিত (রা.) বর্ণনা করেন, আমরা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে সাহরি খেলাম। তারপর আমরা মসজিদে গেলাম, আর সেখানে গিয়ে দেখি—সঙ্গে সঙ্গেই নামাজের জামাত দাঁড়িয়ে গেল। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি তখন জিজ্ঞাসা করলাম, সাহরি আর নামাজের মধ্যে কতটুকু বিরতি ছিল? তিনি (জায়েদ) জবাব দিলেন, এতটুকু সময়, যতটুকুতে একজন মানুষ ৫০টি আয়াত তিলাওয়াত করতে পারে।
(মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ২১৯১৮)

এই বর্ণনার মধ্যে ফুটে ওঠে নবীজির (সা.) সুন্নতি জীবনযাপন এবং সাহরির সময় নির্ধারণে তাঁর অনুপম প্রজ্ঞা। সাহরি শেষ করার পর নামাজের প্রস্তুতি নিতে খুব বেশি সময় নিতেন না, বরং সুবহে সাদিকের ঠিক আগে সাহরি শেষ করে মসজিদে গিয়ে জামাতে অংশ নিতেন।

সুবহে সাদিকের সেই আবহে, আকাশের কোলে ভোরের প্রথম আলো ঠিকরে পড়ার আগে, রাসুল (সা.)-এর সঙ্গী হয়ে সাহাবিরা শিখে নিতেন—সময়ের প্রতি যত্নশীলতা, ইবাদতের প্রতি আন্তরিকতা, আর জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আল্লাহর স্মরণে রাঙিয়ে তোলার শিক্ষা।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইফতার

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতারের ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান ছিলেন এবং সাহাবাদের এর প্রতি উৎসাহ দিতেন। তিনি বলেন, সূর্যাস্তের পর দেরি না করে অবিলম্বে ইফতার করো। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭, সহিহ মুসলিম,

হাদিস : ১০৯৮)

তিনি (সা.) আরো বলতেন : যত দিন মানুষ দ্রুত ইফতার করতে থাকবে, তত দিন তারা কল্যাণের পথে থাকবে। আর ইফতারের সময় অযথা বিলম্ব করাকে তিনি ইহুদি-নাসারাদের অভ্যাস হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৫৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতারে খেজুরকে অগ্রাধিকার দিতেন এবং বলতেন, এতে বরকত রয়েছে। আর যদি খেজুর না মেলে, তবে পানি দিয়ে ইফতার করাকে তিনি উত্তম মনে করতেন, কারণ পানি হলো পবিত্রতার প্রতীক।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৫৫, জামে তিরমিজি হাদিস : ৬৭৮)

ইফতারের সময় রাসুল (সা.) এই দোয়া পাঠ করতেন, ‘আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু।’ অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই রিজিকের মাধ্যমে ইফতার করছি।

(সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

রাসুল (সা.) কখনো কখনো সাহাবিদের বাসায় গিয়ে ইফতার করতেন এবং তখন এই দোয়া পড়তেন, ‘আফতারা ইনদাকুমুস সায়িমুন ওয়া আকালা তাআমাকুমুল আবরার ওয়া নাজালাত আলাইকুমুল মালাইকাহ।’ অর্থ : তোমাদের ঘরে রোজাদাররা ইফতার করুক, তোমাদের খাবার যেন নেককার লোকেরা ভক্ষণ করে, আর তোমাদের ওপর ফেরেশতারা রহমত নিয়ে অবতরণ করুক। (সুনানে দারেমি, হাদিস : ১৭৭২)

রাসুল (সা.) অন্যদের ইফতার করানোর ব্যাপারেও বিশেষভাবে উৎসাহ দিতেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করায়, কিংবা কোনো মুজাহিদকে (আল্লাহর পথে যুদ্ধকারী) সাহায্য করে, তার জন্যও রোজা ও জিহাদের সমান সওয়াব লেখা হবে। (জামে আত-তিরমিজি, হাদিস: ৮০৭; সুনানে নাসাঈ, হাদিস : ৩৩৩১)

এ কথা শুনে এক সাহাবি বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমাদের তো এত কিছু নেই, যাতে অন্যদের ইফতার করাতে পারি। তখন তিনি বলেন, এই সওয়াব তো সেই ব্যক্তিও পাবে, যে একজন রোজাদারকে এক ঢোক দুধ, একটি খেজুর বা এক ঢোক পানি দিয়েও ইফতার করায়। (শুআবুল ঈমান লিল বায়হাকি, হাদিস : ৩৬০৮)

ওলামায়ে কিরামের দৃষ্টিতে সাহরি ও ইফতার

ইমাম নববী (রহ.) বলেন, সব আলেম একমত যে সাহরি করা সুন্নত। সাহরির মধ্যে যে বরকত রয়েছে, তা স্পষ্ট; কেননা সাহরি খেলে রোজা রাখা সহজ হয়, সারা দিন শরীর কর্মক্ষম থাকে। তদুপরি, সাহরির কল্যাণে রোজার কষ্ট অনুভূত হয় কম, যার ফলে আরো রোজা রাখার আগ্রহ জাগে। আর এটিই সাহরির বরকতের প্রকৃত অর্থ ও রহস্য। (শারহুল মুসলিম, খণ্ড-৭, পৃষ্ঠা-২০৬)

আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়া গ্রন্থে বলা হয়েছে, রোজাদারের জন্য সাহরি করা সুন্নত। ইবনু মুনযির (রহ.) এ বিষয়ে ইজমা বা সর্বসম্মত মত উল্লেখ করেছেন।

(আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়া, খণ্ড-২৪, পৃষ্ঠা-২৭০)

ইবনে হাজার আসকালানি (রহ.) বলেন, সাহরির মধ্যে বহু দিক থেকে বরকত নিহিত রয়েছে। প্রথমত, এতে রয়েছে সুন্নতের অনুসরণ; দ্বিতীয়ত, এতে রয়েছে আহলে কিতাবের বিরোধিতা; তৃতীয়ত, ইবাদতের জন্য শক্তি ও প্রেরণা লাভ; চতুর্থত, সারা দিন রোজার মাধ্যমে উদ্যম ধরে রাখার সুযোগ; পঞ্চমত, ক্ষুধার কারণে যে খিটখিটে মেজাজ তৈরি হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়া। এর পাশাপাশি, সাহরির সময়ে কেউ যদি খাবার চায় তবে তাকে খাবার দেওয়ার বা নিজের সঙ্গে বসিয়ে খাওয়ানোর সৌভাগ্য অর্জনের সুযোগ থাকে। এ ছাড়া রয়েছে এই সময়ে আল্লাহর জিকির ও দোয়ার সুযোগ, আর এই সময়টি এমনিতেই দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত। তদুপরি, রাতে কেউ যদি রোজার নিয়ত না করে থাকে, তবে সাহরির সময়ে সে সহজেই নিয়ত করার সুযোগ পায়।

(ফাতহুল বারি, খণ্ড-৪, পৃষ্ঠা-১৪০)

তবে সাহরি করা ফরজ বা ওয়াজিব নয়; তাই কেউ যদি সাহরি না খেয়ে রোজা রাখে, তবু তার রোজা শুদ্ধ হয়ে যাবে। কেননা এটি মুস্তাহাব আমল। তবে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া সাহরি ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়; বরং এই বরকতময় সুন্নতকে গুরুত্বের সঙ্গে পালন করাই উত্তম। (তুহফাতুল ফুকাহা, খণ্ড-১, পৃষ্ঠা-৩৬৫)

 বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
বেসরকারি হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ৯ এপ্রিল শুরু
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
চাঁদ দেখা ও প্রমাণিত হওয়ার কিছু বিধান
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
ইবাদতের আবহে মুমিনের ঈদ উদযাপন
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদ জামাত
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
চাঁদ দেখা গেছে, সৌদি আরবে ঈদ রবিবার
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো অস্ট্রেলিয়া
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
আজ চাঁদ উঠলে সৌদি আরবে কাল ঈদ
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
মুুমিন যেভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেন
রমজানের শেষ মুহূর্ত: ফিরে আসার এক সুবর্ণ সুযোগ
রমজানের শেষ মুহূর্ত: ফিরে আসার এক সুবর্ণ সুযোগ
রমজানে মুসলিম-বাঙালি সংস্কৃতি
রমজানে মুসলিম-বাঙালি সংস্কৃতি
দেশকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করতে হবে : ধর্ম উপদেষ্টা
দেশকে কোরআনের আলোয় আলোকিত করতে হবে : ধর্ম উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৪ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার
ঈদের দিন ঘুরতে বেরিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেফতার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল
কোস্টারিকার নোবেলজয়ী সাবেক প্রেসিডেন্টের মার্কিন ভিসা বাতিল

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি
বাউবি উপাচার্যের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, থানায় জিডি

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত
ঈদের আনন্দকে বাড়াতে যমুনার চরে ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২
রাজধানীতে দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’
ভাসমান স্কুলের উদ্ভাবক রেজোয়ান পেলেন ‘ইয়েল বিশ্ব ফেলোশিপ’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনিতে নদীর ভাঙনরোধ ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির
যে কারণে পরমব্রত’র সঙ্গে কৌশানীর অভিনয়ে আপত্তি ছিল বনির

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা
ঈদ শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সত্যের তরে দৈত্যের সাথে লড়াই করাই সাংবাদিকতা: কাদের গণি চৌধুরী
সত্যের তরে দৈত্যের সাথে লড়াই করাই সাংবাদিকতা: কাদের গণি চৌধুরী

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বগুড়ায় প্রেম যমুনা ঘাট হতে পারে
রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনার খাত
বগুড়ায় প্রেম যমুনা ঘাট হতে পারে রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনার খাত

১২ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সর্বাধিক পঠিত
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!
কফিতে মশগুল ব্রিটেনে পলাতক সাবেক মন্ত্রীরা!

২২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাতসকালে লোহাগাড়ায় বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১০
সাতসকালে লোহাগাড়ায় বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১০

২৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোকে লোকারণ্য কক্সবাজার সৈকত
লোকে লোকারণ্য কক্সবাজার সৈকত

২৩ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫
সিলেটে মধ্যরাতে বিএনপি-যুবদল সংঘর্ষ, আহত ১৫

২১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন