জাতীয় পরিচয়পত্র সেবাকার্যক্রম নির্বাচন কমিশনে রাখার দাবিতে ‘স্ট্যান্ড ফর এনআইডি’ কর্মসূূচি পালন করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। গতকাল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সামনে বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। ঢাকার বাইরে সারা দেশে একই কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ মার্চ মঙ্গলবারের মধ্যে আইন বাতিল করে এনআইডি সেবা ইসির অধীনে রাখার বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ১৯ মার্চ বুধবার ৩ ঘণ্টা ‘অপারেশনাল হল্ট’ (কর্মবিরতি) কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসির কর্মকর্তারা। এদিকে গতকাল আগারগাঁওয়ের কর্মসূচি থেকে ‘এক-দুই-তিন-চার, এনআইডির পিছু ছাড়’; ‘ভোট চুরির ধান্ধা বন্ধ করো, এনআইডির পিছু ছাড়ো’; ‘ভোটার তালিকা ও এনআইডি একসূত্রে গাঁথা, বিভক্তি মানি না’; ‘এনআইডি রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়, এটি ইসির অধিকার’; ‘ইসির অধীনে এনআইডি, জনগণের নিরাপত্তার গ্যারান্টি’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়। এসব স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ডও দেখা গেছে। কর্মসূচিতে আইডিয়া-২ প্রকল্পের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেন। বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, মঙ্গলবারের মধ্যে আইন বাতিল করে এনআইডি সেবা ইসির অধীনে রাখার বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না পেলে বুধবার ৩ ঘণ্টা ‘অপারেশনাল হল্ট’ কর্মসূচি পালন করা হবে। ১৯ মার্চ সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অপারেশনাল হল্ট কর্মসূচির সময় এনআইডি সেবা বন্ধ থাকবে বলে জানান তিনি।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘আমাদের অবস্থান হচ্ছে-অতীতের মতো এখনো বলছি, এনআইডি কার্যক্রমটা ইসির অধীনে থাকতে হবে বা থাকা উচিত। এখন বাইরে যদি কোনো বিষয় ঘটে থাকে, তবে আমার কাছে বাড়তি তথ্য দেওয়ার কিছু নেই।’ নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের কারিগরি দক্ষতা আছে, আমরা এখান থেকে প্রত্যাশিত সেবা দিচ্ছি।’ ইসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মসূচির বিষয়ে সচিব আখতার বলেন, ‘এনআইডি এখনো যায়নি, কাজেই ভোটে প্রভাব পড়বে কি না সেটা এখনো প্রাসঙ্গিক নয়। এটি ইসির অধীনেই থাকবে, এটাই ইসির মনোভাব।’