রাজধানীর গুলশান শাহজাদপুরে আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত আরেকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তার নাম ইশরাফুল আলম সজিব (৪০)। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার আরাফপুর গ্রামের হাজি ইয়াছিনের ছেলে। রাজধানীর নর্দ্দা এলাকায় ট্রাভেলস এজেন্সির ব্যবসা করতেন ইশরাফুল।
সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্বজনরা তার মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহত সজিবের শ্যালক মিজবাউল হক শান্ত বলেন, নিহত সজিব নর্দ্দার কালাচাঁদপুর এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন এবং সেখানে নিউ ঢাকা হলিডে নামে ট্রাভেলস এজেন্সির ব্যবসা রয়েছে। বিকাল থেকে তাকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যার দিকে সজিবের স্ত্রী আফসানা মিমি ফোন দিয়ে সজিবের বিষয়টি জানান।
তিনি আরও বলেন, রাত ৮টার দিকে গুলশান থানায় খোঁজ করতে যাই। সেখান থেকে বলা হয় ঢাকা মেডিকেলে তিনটা অজ্ঞাত মরদেহ আছে সেখানে খোঁজ নিতে। পরে রাতে ঢাকা মেডিকেলে বোন জামাই সজিবের মরদেহ দেখতে পাই এবং পুলিশের কাছ থেকে জানতে পারি শাহজাদপুর এলাকায় আবাসিক হোটেলে আগুনের ঘটনায় মারা যান তিনি। সজিব ট্রাভেলস এজেন্সির ব্যবসা করতেন। হয়তো বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও ক্লায়েন্টের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন।
জানা গেছে, রাজধানীর নর্দ্দা কালাচাঁদপুর এলাকায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন ইশরাফুল। সেখানে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বিকাল ৪টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে লাশ পাঠায় পুলিশ। এর আগে আরও একটি মরদেহ শনাক্ত হয়। তার নাম মিরন জমাদ্দার (৫৫)।
গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ হোসেন জানান। চারটি মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। দু’টি মরদেহ শরীরে হালকা দগ্ধ আছে।
তিনি আরও বলেন, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। বাকি দুটি মরদেহ এখনও অজ্ঞাত হিসেবে রয়েছে। তাদের বয়স আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ বছর।
বিডি প্রতিদিন/একেএ