চট্টগ্রামে গাইনি চিকিৎসায় নতুন পদ্ধতি, নতুন পরিবর্তন ও এসব পরির্তন প্রয়োগ এবং কিছু পুরাতন পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা নিয়ে দুই দিনব্যাপী বৈজ্ঞানিক সেমিনার শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরের হোটেল পেনিনসুলায় প্রথম দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। দুই দিনের এ সেমিনারে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রায় ৩০০ গাইনি ও প্রসূতি চিকিৎসক অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর ডা. লায়লা আরজুমান্দ বানু, অতিথি ছিলেন প্রফেসর ডা. শামসুন্নাহার।
ওজিএসবি চট্টগ্রাম শাখা, আরসিওজি ও আইআরসি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে দুইদিন ব্যাপী এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘প্রসূতি ও স্ত্রী রোগ বিষয়ে অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োগ ও প্রয়োজনীয়তা’। উপজীব্য বিষয়ের ওপর সেমিনারে মোট আটটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। সেমিনারের দ্বিতীয় দিন আজ বুধবার নগরের এপোলো ইমপেরিয়াল হাসপাতালে দিন ব্যাপী ‘অত্যাধুনিক ল্যাপারোস্কপিক সার্জারির প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রফেসর ডা. কামরুন নেসা রুনা এবং প্রফেসর ডা. ফৌজিয়া হুসাইনের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন গাইনি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. রোকেয়া বেগম, প্রফেসর ডা. সাহানারা চৌধুরী, প্রফেসর ডা. সেহেরিন এফ সিদ্দিকা, প্রফেসর ডা. সাহানা আক্তার, প্রফেসর ডা. রওশন মোর্শেদ, প্রফেসর ডা. এসকে জিন্নাত আর নাসরিন, প্রফেসর ডা. শাহীন রহমান, প্রফেসর ডা. সিরাজুন নূর, প্রফেসর ডা. শামীমা সিদ্দিকা, প্রফেসর ডা শর্মিলা বড়ুয়া, ডা. ফাহমিদা ইসলাম চৌধুরী, ডা. রেশমা শারমিন, ডা. ফাহমিদা শিরিন, ডা. তানজিলা করিম, ডা. মুনাওয়ারা সুলতানা, ডা. ফারহানাজ মাহবুব, ডা. নাজনিন আহমেদ, ডা. শোয়েলা শাহনাজ, ডা. আফরোজা বিলকিস, ডা. প্রীতি বড়ুয়া প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, সময়ের ব্যবধানে এখন গাইনি চিকিৎসা আরও সহজ ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে আছে, ল্যাপারোস্কপির মাধ্যমে ও অপারেশন ব্যতীত ওষুধের সাহায্যে এক্টোপিক প্রেগনেন্সির চিকিৎসা, বিভিন্ন বয়সে ওভারিয়ান সিস্টের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার, অপারেশনের হার কমানোর উপায় বের করা হচ্ছে। তাছাড়া, প্রসবকালীন এবং প্রসব পরবর্তী সময়ে নারীর মানসিক স্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য হারে পরিবর্তন আসে। তখন তারা মানসিকভাবে বিষণ্নতায় ভোগে, কাজে মন বসে না, আনমনা হয়ে থাকেন। এ সময় তাদেরকে পরিবারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সাপোর্ট ও সহযোগিতা দেয়া দরকার।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত