রমজানের প্রথম ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও রংপুর নগরীতে যানজট নিরসনে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি এখন পর্যন্ত। উদ্যোগ না নিলে ঈদে কেনাকাটা করতে আসা মানুষজনকে চরম ভোগান্তিতে ফেলবে যানজট।
রংপুর সিটি করপোরেশন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার লাইসেন্স দিয়েছে ৮ হাজার। এর মধ্যে অটোরিকশার ৫ হাজার এবং রিকশার ৩ হাজার। কিন্তু নগরীতে অটোরিকশা ও রিকশা চলছে ৩০ হাজারের বেশি। পবিত্র রমজান ও ঈদ উপলক্ষে বাইরের জেলা ও উপজেলা থেকে শত শত অটোরিকশা প্রবেশ করছে প্রতিদিন। যানজট নিরসন ও জনসাধারণ যাতে নিরাপদে বাজারে যাতায়াত করতে পারেন এজন্য রংপুর মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের কোনো উদ্যোগ এখন পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায়নি। বিগত বছরগুলোতে রমজানের দ্বিতীয় দিনে রংপুর নগরীর লক্ষ্মী সিনেমা হল মোড়, গোমস্তপাড়া মোড়, জীবন বীমা মোড়, লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ মোড়, বেগম রোকেয়া কলেজ মোড়সহ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে চেক পোস্ট বসানো হয়েছিল যানজট নিয়ন্ত্রণে। সে সময় নগরবাসী যানজট নিরসনে ট্রাফিক বিভাগের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু এ বছর এসবের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমনিতে সারা বছর নগরীর জাহাজ কোম্পানির মোড় থেকে সিটি করপোরেশন পর্যন্ত ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগেই থাকে। ঈদের সময় এই মাত্রা কয়েক গুণ বাড়ে।
এ বিষয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আবদুর রশিদ জানান, ঈদ উপলক্ষে আমরা জনবল বাড়িয়েছি। সিটি করপোরেশনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। আশা করি খুব দ্রুত যানজট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখা হবে।