পিলখানা গণহত্যার দায়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিচারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলের মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
তিনি বলেন, জাগপা ১৬ বছর আগে সর্বপ্রথম ২৫ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ সেনা দিবস ঘোষণা এবং পিলখানা গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনার বিচারের দাবি করেছিল। ১৬ বছর পরে হলেও আমাদের প্রথম দাবি আলোর মুখ দেখেছে, সেজন্য আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) ধন্যবাদ জানাই। এখন সময় এসেছে বিচারের। পিলখানা গণহত্যার দায়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেখ হাসিনার বিচারের ব্যবস্থা করুন।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে জাগপা আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। পিলখানা গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনার বিচারের দাবিতে বিজয় নগর পানির ট্যাংকের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পল্টন ও প্রেসক্লাব এলাকা ঘুরে পল্টন মোড় গিয়ে শেষ হয়।
রাশেদ প্রধান বলেন, পিলখানা গণহত্যা ভারত এবং আওয়ামী লীগের নীলনকশা। উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে সেনা এবং মেধাশূন্য করার। ভেতর থেকে বারবার সাহায্যের আবেদন আসার পরেও স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নির্দেশে সাহায্য পাঠানো হয়নি বরং বিদ্রোহের নামে গণহত্যার সুবিধার্থে বেসামরিক সন্ত্রাসী এবং ভারতীয়দের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে নরেন্দ্র মোদির আশ্রয় নিয়েছিল প্রতি বিপ্লবের আশায়। শেখ হাসিনা ভেবেছিল ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪-এর নির্বাচনের মত ভারত সরকার তাকে ক্ষমতায় রাখার ব্যবস্থা করবে বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্য বানানোর জন্য। কিন্তু স্বৈরাচার শেখ হাসিনা বুঝতে পারে নাই আগস্টের ৫ তারিখে বাংলার মাটিতে আওয়ামী লীগ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের কবর রচিত হয়েছে। অতএব নরেন্দ্র মোদির হাতে এখন আর বাংলার গদি নাই।
এসময় আরো বক্তব্য দেন জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন ফিরোজ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রওশন আলম, যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, সহসভাপতি মাহিদুর রহমান বাবলা, জাগপা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জীবন আহমেদ অভি, ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম হাসু, সহসভাপতি নাসির উদ্দীন, সাইদুজ্জামান কবির, জনি নন্দী, মো. রুবেল মিয়া প্রমুখ।
বিডি প্রতিদিন/নাজিম