২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড-বিষয়ক জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তদন্ত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসসহ ১৫ জনের সাক্ষ্য নেবে কমিশন। গতকাল কমিশন থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিশনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে বা অনলাইনে সাক্ষ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাক্ষীদের অসহযোগিতার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আইনানুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
কমিশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান সই করা বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তর, পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডবিষয়ক জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন কর্তৃক তদন্ত প্রক্রিয়ায় নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। যাদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে তারা হলেন- গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক এমপি জাহাঙ্গীর কবির নানক, জামালপুর-৩ আসনের সাবেক এমপি মির্জা আজম, ঢাকা-৮ আসনের সাবেক এমপি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ৪৪ রাইফেল ব্যাটালিয়নের তৎকালীন অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ শামসুল আলম, ডিজিএফআইফের সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোল্লা ফজলে আকবর (অব.), সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ (অব.), সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ (অব.), সাবেক ডিজি র্যাব হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল কাহার আকন্দ, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক নুর মোহাম্মদ ও সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম।