প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনার সামনে জুলাই আন্দোলনে আহতরা ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় পতাকা নিয়ে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ তাঁদের বলেছেন, আপনাদের ত্যাগ অনস্বীকার্য মূল্য দিয়ে নির্ধারণ করা যাবে না। কিন্তু সরকারের একটি নিয়ম আছে। এখন এটি আমি হাতে নিয়েছি এবং যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দেব। একই সঙ্গে বিষয়টি সুবিচেনার অনুরোধও জানাব। আমি আশা করব আপনারা এ অবস্থান ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেবেন।
গতকাল দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ১ নম্বর গেটের সামনের সড়কে বসে পড়েন জুলাই আন্দোলনে আহতরা। তারা দ্রুত পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ, বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা এবং ইমার্জেন্সি হটলাইন চালুর দাবি জানান।
এসব দাবির বিষয়ে উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ বলেন, আপনারা যে আন্দোলন করেছেন তার ফলেই বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। আমরা সবাই একটি সুন্দর ও নতুন বাংলাদেশ চেয়েছিলাম। আপনারা আহত হয়েছেন, রক্ত দিয়েছেন। আপনারা যে সংগ্রাম করেছেন সে জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আমি নিজে এখানে এসে দাবিগুলো হাতে নিয়েছি। যে উপদেষ্টা এ বিষয়টি দেখেন তার কাছে আমি পৌঁছে দেব। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি আপনারা ধর্মঘট প্রত্যাহার করুন। পরে আহত ও তাদের পরিবারবর্গের পক্ষে আরমান নামের একজন বলেন, দাবি পূরণ না হওয়ার আগ পর্যন্ত এখান থেকে সরে যাব না। আমরা এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখব। পরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ভিতরে চলে যান। এর আগেও বিভিন্ন সময় আন্দোলনে আহতরা স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবিতে রাজধানীর শ্যামলী, শাহবাগ, উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অবরোধ করে ও অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করেছিলেন।