শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৫৮, মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫

ঈদের দিনের খাবার দাবার

ডা. এম শমশের আলী
অনলাইন ভার্সন
ঈদের দিনের খাবার দাবার

রোজার এক মাসে মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে যে পরিবর্তন আসে, সেটাতেই অনেকে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। আর ঈদের দিনে আনন্দের অন্যতম আয়োজনটাই হলো নানা রকমের খাবার-দাবার। তাই এ সময় খাবার গ্রহণে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ঈদ উৎসবের স্থায়িত্বকাল তিন থেকে সাত দিন। 

সাধারণভাবে ঈদের প্রথম দু-এক দিন খাবারের উৎসব আয়োজনটা একটু বেশিই থাকে। যদি আপনার বয়স ৩০ এর মধ্যে হয়, তবে এসব ব্যক্তির ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত খাবার ৭-১০ দিন ধরে খাওয়া যাবে না। এতে আপনার শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঈদের খাবারে সাধারণত প্রচুর তেল-চর্বি, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বিদ্যমান থাকে এবং সাধারণত শাকসবজি এবং ফলমূল খুবই অল্প পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। 

তাই এ ধরনের খাবার লম্বা সময় ধরে খেলে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, ফিস্টুলা, অ্যানালফিসার, পেটে গ্যাস ও পেট ফাঁপার মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। কাজেই ঈদের খাবারেও প্রয়োজন অনুসারে শাকসবজি ও ফলমূল রাখা বাঞ্ছনীয়। এতে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি কমবে। বাংলাদেশে ঈদের খাদ্যে অতিরিক্ত তেল ব্যবহারের রেওয়াজ রয়েছে। 

এসব খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে ক্ষুধামন্দা, বদহজম, পেটে গ্যাস ইত্যাদি দেখা দিতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া হিসেবে ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস সৃষ্টির কারণ হিসেবে বিবেচ্য। ঈদের খাবারের আরও একটি বড় উপাদান হলো মাংস ও ডিম। এদের প্রোটিনের বড় উৎস বলে মনে করা হয়। সাধারণভাবে প্রোটিন খেতে কোনোরূপ বাধা নেই। 

কিন্তু আলোচিত যে দুটি খাবার থেকে প্রোটিন আসে যেমন-মাংস ও ডিম (যার সঙ্গে অবশ্যই চর্বি থাকবে) বিশেষ করে গরু বা খাসির মাংস এবং ডিমের কুসুম। স্বাস্থ্যগত দিক বিবেচনা করে অতিমাত্রায় চর্বি গ্রহণ প্রায় ক্ষেত্রেই বিপজ্জনক। ডিমের কুসুমে প্রচুর চর্বি থাকে এক্ষেত্রে ডিম খাওয়ার পরিমাণ একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় বজায় রাখতে হবে। তা না হলে চর্বি গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে।

অনেক হৃদরোগী প্রায়ই প্রশ্ন করে থাকেন এ ধরনের খাবারগুলো ঈদের মেন্যুতে জনপ্রিয় আইটেম হওয়ায় এগুলো খেতে না পারা তাদের মনঃকষ্ট হয়। প্রায় ক্ষেত্রেই এসব ব্যক্তির বয়স ৫০-৬০ বয়সের ঊর্ধ্বে হয়ে থাকে, এসব ব্যক্তির বিপাকীয় প্রক্রিয়া ধীরগতিসম্পন্ন হওয়ায় এবং তাদের শারীরিক কর্মকাণ্ড অনেক বেশি কম হওয়ার দরুন খাদ্যের চাহিদাও কমে যায়। তার সঙ্গে হজম প্রক্রিয়াও ধীরগতিসম্পন্ন হয়ে থাকে। ফলশ্রুতিতে এসব ব্যক্তির অল্প পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের ফলে উদরপূর্তি ঘটে থাকে। তাদের মধ্যে অনেকেই ওজনাধিক্যে ভুগতে থাকেন, অনেকের পেটে গ্যাসের সমস্যা হয়ে থাকে। 

এত কিছু বিবেচনা করে দেখা যায় যে, হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ এবং চাহিদা দুই-ই কমে যায়। অনেক চিকিৎসক এসব রোগীকে বেশি বেশি শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন। সেমতে বেশি বেশি শাকসবজি গ্রহণ করার ফলে অন্যসব খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ এমনিতেই কমে যায়, কারণ প্রত্যেকেরই খাদ্য গ্রহণের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ বজায় থাকে। কোনো এক জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ করলে অন্য জাতীয় খাবারের পরিমাণ কম গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। সবকিছু বিবেচনা করে হৃদরোগীদের খাদ্য গ্রহণের বিভিন্নতা ও উপাদানের অনুপাত ঠিক রেখে সুষম খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস করতে হবে। 

মোট খাদ্যের পরিমাণের অর্ধেক শাকসবজি ও ফলমূল এক চতুর্থাংশ শর্করা জাতীয় খাবার বাকি এক চতুর্থাংশ আমিষ তেল-চর্বি ও অন্যান্য খাদ্যবস্তু গ্রহণ করতে হবে। তাতে করে হৃদরোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি সুস্বাস্থ্য বজায় রেখে খাদ্যকে হৃদবান্ধব করা যাবে। ঈদে দুই এক বেলা হৃদরোগীদের পছন্দনীয় খাবার গ্রহণ করতে কোনো বাধা নেই। তবে সারা দিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই উপরের অনুপাত ঠিক রাখতে হবে। এর ফলে ঈদের মুখরোচক খাবার পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করলে ক্ষতির তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। 

ঈদে যেকোনো খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণে হৃদরোগীরা তাৎক্ষণিকভাবে অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন। হৃদরোগীদের ঈদে খাদ্য গ্রহণের ধরনের চেয়ে খাদ্য গ্রহণের পরিমাণের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। অতিভোজন গ্রহণযোগ্য নয়। চলতি বছর ঈদ রোদ এবং অনেকটাই গরমের সময় হওয়ায় মানুষের শরীরে পানি গ্রহণের চাহিদা অত্যাধিক বৃদ্ধি পাবে এবং এটা অবশ্যই মনে রাখবেন, খাদ্যবস্তু হজম করার জন্যও প্রচুর পরিমাণে পানির প্রয়োজন হয়। 

তাই ঈদের খাবারে প্রচুর পরিমাণে তরলজাতীয় উপাদান বিদ্যমান থাকা জরুরি। নিরাপদে ঈদ যাপন করুন ঈদের আনন্দ সবার মধ্যে বিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন। যা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধকেও সমন্বিত করবে।


লেখক: চিফ কনসালট্যান্ট, শমশের হার্ট কেয়ার, শ্যামলী, ঢাকা।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

টপিক

এই বিভাগের আরও খবর
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা
পরিপাকতন্ত্রের বিরল রোগ
পরিপাকতন্ত্রের বিরল রোগ
হার্ট ব্লক নিয়ে কিছু কথা
হার্ট ব্লক নিয়ে কিছু কথা
কবজি ব্যথা: কারণ ও করণীয়
কবজি ব্যথা: কারণ ও করণীয়
শারীরিক যোগ্যতা সুস্বাস্থ্যের মাপকাঠি
শারীরিক যোগ্যতা সুস্বাস্থ্যের মাপকাঠি
পায়ের পাতা ও গোড়ালি ব্যথায় করণীয়
পায়ের পাতা ও গোড়ালি ব্যথায় করণীয়
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
ডায়াবেটিস রোগীর কাঁধে ব্যথা
ঈদের দিনের পুষ্টি ভাবনা
ঈদের দিনের পুষ্টি ভাবনা
হার্ট ব্লকের উপসর্গ কী?
হার্ট ব্লকের উপসর্গ কী?
কিডনিতে পাথর ও করণীয়
কিডনিতে পাথর ও করণীয়
গুলেন ব্যারি সিনড্রোম কী
গুলেন ব্যারি সিনড্রোম কী
চুল প্রতিস্থাপন: যেভাবে করবেন, কি সুবিধা পাবেন
চুল প্রতিস্থাপন: যেভাবে করবেন, কি সুবিধা পাবেন
সর্বশেষ খবর
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা
লাইপোমার উপসর্গ ও চিকিৎসা

৮ মিনিট আগে | হেলথ কর্নার

আর্জেন্টিনার কাছে হেরে চাকরি হারালেন ব্রাজিল কোচ দোরিভাল
আর্জেন্টিনার কাছে হেরে চাকরি হারালেন ব্রাজিল কোচ দোরিভাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এখনো ঈদ বোনাস পাননি ২৯৯ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা
এখনো ঈদ বোনাস পাননি ২৯৯ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় শিল্প খাতের বিনিয়োগকারীরা
নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় শিল্প খাতের বিনিয়োগকারীরা

২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হবিগঞ্জে ঈদের জামাত নিয়ে বাগবিতণ্ডা, ছুরিকাঘাতে নিহত ১
হবিগঞ্জে ঈদের জামাত নিয়ে বাগবিতণ্ডা, ছুরিকাঘাতে নিহত ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ মার্চ)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ মার্চ)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঝিনাইদহে দুই ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিলো এলাকাবাসী
ঝিনাইদহে দুই ছিনতাইকারীকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে দিলো এলাকাবাসী

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাঠের বাইরে দানি ওলমো
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাঠের বাইরে দানি ওলমো

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চেন্নাইকে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো ব্যাঙ্গালুরু
চেন্নাইকে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় তুলে নিলো ব্যাঙ্গালুরু

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন করে আবারও প্রভাসের বিয়ের গুঞ্জন
নতুন করে আবারও প্রভাসের বিয়ের গুঞ্জন

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতে ইসরায়েলের প্রথম বিমান হামলা
যুদ্ধবিরতির পর বৈরুতে ইসরায়েলের প্রথম বিমান হামলা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে নিয়ে সুখবর দিলেন মায়ামির কোচ মাশ্চেরানো
মেসিকে নিয়ে সুখবর দিলেন মায়ামির কোচ মাশ্চেরানো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লক্ষ্মীপুরে জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের সম্মানে এনসিপি'র ইফতার
লক্ষ্মীপুরে জুলাই বিপ্লবে শহীদ ও আহতদের সম্মানে এনসিপি'র ইফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রাচীন মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচন
প্রাচীন মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উন্মোচন

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

রংপুর রেল স্টেশন থেকে চার শিশুসহ নারী আটক
রংপুর রেল স্টেশন থেকে চার শিশুসহ নারী আটক

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি গিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি গিয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নতুন পোশাক কিনে বাড়ি ফেরা হলো না স্কুলছাত্রের
নতুন পোশাক কিনে বাড়ি ফেরা হলো না স্কুলছাত্রের

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গল অভিযানে বিপদ ডেকে আনতে পারে বিষাক্ত ধূলিকণা
মঙ্গল অভিযানে বিপদ ডেকে আনতে পারে বিষাক্ত ধূলিকণা

৭ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

মালয়েশিয়ায় চৌকিট যুবদলের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
মালয়েশিয়ায় চৌকিট যুবদলের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

কাদা থেকে উদ্ধার করা সেই হাতির মৃত্যু
কাদা থেকে উদ্ধার করা সেই হাতির মৃত্যু

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নারায়ণগঞ্জে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া রোধে অভিযান
নারায়ণগঞ্জে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া রোধে অভিযান

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিএনপিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংস্কারের পথপ্রদর্শক : ডা. জাহিদ
বিএনপিই বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংস্কারের পথপ্রদর্শক : ডা. জাহিদ

৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ভূমিকম্পের ধাক্কায় ফিরে দেখা ইতিহাসের বিধ্বংসী ১০টি কম্পন
মিয়ানমার-থাইল্যান্ড ভূমিকম্পের ধাক্কায় ফিরে দেখা ইতিহাসের বিধ্বংসী ১০টি কম্পন

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করলে জনগণ মানবে না: টুকু
নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করলে জনগণ মানবে না: টুকু

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে'
'বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে'

৮ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহত বেড়ে ১৪৪, থাইল্যান্ডে নিখোঁজ ৯০
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহত বেড়ে ১৪৪, থাইল্যান্ডে নিখোঁজ ৯০

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন
‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় খুন করা হয় স্কুলছাত্রকে
নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় খুন করা হয় স্কুলছাত্রকে

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে তুলার গুদামে আগুন
টঙ্গীতে তুলার গুদামে আগুন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
নাটোরে পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সম্পত্তি ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সন্তানেরা, ১৬ ঘণ্টা উঠানে পড়ে ছিল বাবার মরদেহ
সম্পত্তি ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সন্তানেরা, ১৬ ঘণ্টা উঠানে পড়ে ছিল বাবার মরদেহ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে ‘গ্রিন কার্ড’ প্রক্রিয়া সাময়িক স্থগিত, আটকাদেশ বৃদ্ধি
যুক্তরাষ্ট্রে ‘গ্রিন কার্ড’ প্রক্রিয়া সাময়িক স্থগিত, আটকাদেশ বৃদ্ধি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পের পর মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের অবস্থা দেখুন ছবিতে
ভূমিকম্পের পর মিয়ানমার-থাইল্যান্ডের অবস্থা দেখুন ছবিতে

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেয়র পদ ফিরে পাওয়া নিয়ে সমালোচনা, জবাব দিলেন ইশরাক
মেয়র পদ ফিরে পাওয়া নিয়ে সমালোচনা, জবাব দিলেন ইশরাক

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত
ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁকা বুলি মনে করা ‘বড় ধরনের ভুল’ হবে: পুতিন
গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ফাঁকা বুলি মনে করা ‘বড় ধরনের ভুল’ হবে: পুতিন

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়াতে পারে: ইউএসজিএস
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়াতে পারে: ইউএসজিএস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে তীব্র ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ৩০ তলা ভবন, নিখোঁজ ৪৩ (ভিডিও)
ব্যাংককে তীব্র ভূমিকম্পে ধসে পড়ল ৩০ তলা ভবন, নিখোঁজ ৪৩ (ভিডিও)

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে শত শত মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, ব্যাংককে ৭০ শ্রমিক নিখোঁজ
মিয়ানমারে শত শত মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা, ব্যাংককে ৭০ শ্রমিক নিখোঁজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিউইয়র্কে নাসিমের ছেলের ১৪ অ্যাপার্টমেন্ট
নিউইয়র্কে নাসিমের ছেলের ১৪ অ্যাপার্টমেন্ট

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সদকাতুল ফিতর যেভাবে আদায় করব
সদকাতুল ফিতর যেভাবে আদায় করব

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক
চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের চিঠির জবাব দিয়েছে ইরান
ট্রাম্পের চিঠির জবাব দিয়েছে ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ল ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সেতু
ভূমিকম্পে ভেঙে পড়ল ব্রিটিশ আমলে নির্মিত সেতু

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন থেকে ২.১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ
চীন থেকে ২.১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন
‘শূন্য বর্জ্যে’ অবদান রাখায় ড. ইউনূসকে তুরস্কের ফার্স্ট লেডির অভিনন্দন

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডিসিদের প্রতি ১২ নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার
ডিসিদের প্রতি ১২ নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টার

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই যানজট

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যেসব সম্পদে জাকাত দিতে হবে না
যেসব সম্পদে জাকাত দিতে হবে না

২২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে অভিনেত্রীকে ম্যানহোলে ফেলে হত্যা
ভারতে অভিনেত্রীকে ম্যানহোলে ফেলে হত্যা

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মুসলিমদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি : ইফতার অনুষ্ঠানে ট্রাম্প
মুসলিমদের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি : ইফতার অনুষ্ঠানে ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম বেড়েছে
স্বর্ণের দাম বেড়েছে

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় গাড়ির দীর্ঘ সারি
পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় গাড়ির দীর্ঘ সারি

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চীনের কাছে ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চেয়েছে বাংলাদেশ
চীনের কাছে ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চেয়েছে বাংলাদেশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবনিযুক্ত প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীনের নিয়োগ বাতিল
নবনিযুক্ত প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীনের নিয়োগ বাতিল

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারকে নির্বাচন নিয়ে স্পষ্টভাবে মাস, তারিখ দিয়ে ঘোষণা দিতে হবে: রিজভী
সরকারকে নির্বাচন নিয়ে স্পষ্টভাবে মাস, তারিখ দিয়ে ঘোষণা দিতে হবে: রিজভী

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকাসহ ৬ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, দিনে বাড়বে গরম
ঢাকাসহ ৬ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, দিনে বাড়বে গরম

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ হাজার কারখানায় বেতন হয়নি
৭ হাজার কারখানায় বেতন হয়নি

২০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

তিন শতাধিক বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও
তিন শতাধিক বিদেশি শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কো রুবিও

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড মিয়ানমার-থাইল্যান্ড
ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড মিয়ানমার-থাইল্যান্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের অপু-বুবলী মুখোমুখি
ফের অপু-বুবলী মুখোমুখি

শোবিজ

বাংলাদেশ-চীন নতুন দিগন্তে
বাংলাদেশ-চীন নতুন দিগন্তে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদে গরু-মুরগির বাড়তি দাম
ঈদে গরু-মুরগির বাড়তি দাম

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদে ফাঁকা ঢাকায় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ
ঈদে ফাঁকা ঢাকায় নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভগ্যচক্র
আজকের ভগ্যচক্র

আজকের রাশি

ব্যাটিংয়ে এনামুল বোলিংয়ে রাকিবুল
ব্যাটিংয়ে এনামুল বোলিংয়ে রাকিবুল

মাঠে ময়দানে

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু বাড়ছে
ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু বাড়ছে

নগর জীবন

এই ঈদে আনন্দও নেই, শান্তিও নেই
এই ঈদে আনন্দও নেই, শান্তিও নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ড. ইউনূসের প্রশংসায় তুরস্কের ফার্স্ট লেডি
ড. ইউনূসের প্রশংসায় তুরস্কের ফার্স্ট লেডি

প্রথম পৃষ্ঠা

সবই আছে, শুধু আবু সাঈদ নেই
সবই আছে, শুধু আবু সাঈদ নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাবাহীন শিশু রোজার ঈদ
বাবাহীন শিশু রোজার ঈদ

প্রথম পৃষ্ঠা

এবার স্বস্তির ঈদযাত্রা
এবার স্বস্তির ঈদযাত্রা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়
ফুলবাড়ীর নারীদের টুপি দেশ ছাড়িয়ে রোমানিয়ায়

শনিবারের সকাল

যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল
যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ মুসলমানদের উৎসব
ঈদ মুসলমানদের উৎসব

প্রথম পৃষ্ঠা

ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক হচ্ছে না
ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক হচ্ছে না

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিবর্তনের জন্যই গণ অভ্যুত্থান
পরিবর্তনের জন্যই গণ অভ্যুত্থান

প্রথম পৃষ্ঠা

হরিণ শিকার ও আগুন প্রতিরোধে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি
হরিণ শিকার ও আগুন প্রতিরোধে সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট জারি

পেছনের পৃষ্ঠা

বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল
বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল

প্রথম পৃষ্ঠা

একটি হাঁসের ডিম ২২ হাজার টাকা
একটি হাঁসের ডিম ২২ হাজার টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি নেতা-কর্মীর লাশের মিছিল
বিএনপি নেতা-কর্মীর লাশের মিছিল

পেছনের পৃষ্ঠা

৯০ হাজার চালকের ৩২৮ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেবে উবার-লিফট
৯০ হাজার চালকের ৩২৮ মিলিয়ন ডলার ফেরত দেবে উবার-লিফট

পেছনের পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গাদের আরও ৭৩ কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
রোহিঙ্গাদের আরও ৭৩ কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম পৃষ্ঠা

এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র ফিরে পাইনি
এখন পর্যন্ত গণতন্ত্র ফিরে পাইনি

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ নীতি ধরে রাখার অঙ্গীকার
পাঁচ নীতি ধরে রাখার অঙ্গীকার

প্রথম পৃষ্ঠা

গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

দেশগ্রাম

হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ঘরমুখো মানুষের ঢল
ঘরমুখো মানুষের ঢল

নগর জীবন