শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫ আপডেট: ০০:০৫, সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ

ইদানীং কবিতার প্রতি কেন জানি আমার বেজায় ঝোঁক বেড়েছে। চারদিকে যখন অশনিসংকেত ঠিক তখন বাস্তবতার চেয়ে কল্পনার মাঝে সুখ খুঁজে ফিরি। মনের গহিনে যখন বিরান মরুভূমির মরীচিকা চিকচিক করে ঠিক তখনই কবিতার সাহায্যে মুহূর্তের মধ্যে বসরার গোলাপের বাগান সাজিয়ে নিই। কবির হৃদয় যে কতটা পবিত্র এবং তাদের চিন্তা সে মহাকালের মহাসংকটে ধ্রুবতারার মতো মানুষকে পথ দেখায় তার কিছু বাস্তব নমুনা আজ আপনাদের সামনে তুলে ধরব। আজকের শিরোনামে যে কাব্যগ্রন্থের নাম ব্যবহার করেছি তা কবি শামসুর রাহমানের লেখা।

আলোচনার শুরুতেই কাব্যগ্রন্থের কয়েকটি লাইন আপনাদের শোনাই-কোথায় পাগলা ঘণ্টি বাজে ক্রমাগত, এলোমেলো পদধ্বনি সবখানে। হামলাকারীরা ট্রাম্পেট বাজিয়ে ঘোরে শহর ও গ্রামে এবং ক্রন্দনরত পুলিশের গলায় শুকায় বেল ফুল। দশদিকে কত রকাডেমিতে নিশিথে গোর খাদকেরা গর্ত খোঁড়ে অবিরত, মানুষের মুখগুলো অতি দ্রুত হয়ে যাচ্ছে শিপাঞ্জীর মুখ। কবি শামসুর রাহমান উল্লিখিত কবিতা লিখেছিলেন স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে অর্থাৎ শেখ মুজিবের জমানায়। অথচ কবিতার কথামালা বিবেচনা করলে মনে হয় হয়তো আজকের দিনটিকে বর্ণনা করার জন্য কবিতাটি রচিত হয়েছে। চলমান বাংলাদেশ বিশেষ করে ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের ৫ তারিখের পর এই বাংলায় যা ঘটছে, তা যদি না দেখে মারা যেতাম, তবে মনে হতো বাস্তবতাবিবর্জিত এক অবোধ শিশু মারা গিয়েছে। ফলে নানা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে যা কিছু দেখছি কিংবা যা কিছু শিখছি তার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকে ধন্যবাদ। গত এক বছরে মানুষের যে বিবর্তন সমাজের, যে পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের যে টলটলায়মান অবস্থা হয়েছে তা আমার মন মস্তিষ্কে কেউ জোর করেও ঢোকাতে পারত না যদি না আমার জীবনে ২০২৪ এবং ২০২৫ সাল না আসত।

গত এক বছরে কত মানুষ হঠাৎ করে কীভাবে যে ক্ষমতাধর হয়ে গেল তার হিসাব মেলাতে পারছি না। যারা দুবেলা খেতে পারতেন না, যাদের পরনে ভালো কোনো জামাকাপড় ছিল না এবং ক্ষুধা দারিদ্র্য এবং বেকারত্বের আতঙ্কে যারা মরে যাওয়ার কথা চিন্তা করতেন তারা রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেলে গিয়ে ভোরে বিফের স্টিফ, স্যামন মাছের ফিশ অ্যান্ড চিপস এবং হাভানা চুরুটের ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বলেন, দেশটা রসাতলে গেল। ঢাকায় এখনো প্যারিসের রিজ কার্লটনের মতো একটি হোটেল হলো না। হোটেলের রঙ্গমহলে গিয়ে ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করেন আজকের তালিকায় বোম্বে থেকে কেউ এসেছে কি না।

গত এগারো মাসে কিছু মানুষের গলার আকৃতি জিরাফের চেয়েও বড় হয়ে গেছে। তাদের হুমকিধমকি, লম্ফঝম্ফ দেখলে অন্তরাত্মা শুকিয়ে যায়। তাদের নিষ্ঠুরতা দেখলে হায়েনার নির্মমতাকে নস্যি বলে মনে হয়।  এই বাংলার শকুন দাঁতাল শুয়োরেরা কোনো দিন মৃত প্রাণীর ওপর উল্লাসনৃত্য করেনি। বাংলার নিষ্ঠুর মানুষ পাথর যুগের আদলে পাথর দিয়ে মানুষ মেরে লাশের ওপর উল্লাসনৃত্য করেনি। ধর্ষকরা দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযানে বের হয়নি-তারপর স্বামীকে বেঁধে পরিবারের সবাইকে জিম্মি করে মা-মেয়েকে একত্রে পালাক্রমে ধর্ষণের মহোৎসব করেনি। এই বাংলায় পুলিশকে মেরে মধ্যযুগীয় কায়দায় লাশ টাঙিয়ে রাখা হয়নি। রাষ্ট্রের অস্ত্র লুট করে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে খুন করার ঘটনা ঘটেনি। এই ভূখণ্ডে ধনী অভিজাত শিক্ষিত সজ্জনকে প্রকাশ্যে বিবস্ত্র করা হয়নি। পরের ধন হরণের চৌর্যবৃত্তি, ডাকাতি কিংবা রাহাজানি সব রেকর্ড ভঙ্গ করে বাড়ি দখল, মিলকারখানা, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় দখলের যে উৎসব দেখছি তা হজম করার জন্য প্রসিদ্ধ ছড়াকার আবু সালেহর ছড়া ছাড়া আমার আর কীই-বা উপায় আছে।

আবু সালেহ লিখেন- ‘ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না, বলা যাবে না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এমন স্বাধীনতা! যার পিছনে জানটা দিলাম যার পিছনে রক্ত সেই রক্তের বদল দেখো বাঁচাই কেমন শক্ত। ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না, বলা যাবে না কথা রক্ত দিয়ে পেলাম শালার মরার স্বাধীনতা! বাঁচতে চেয়ে খুন হয়েছি বুলেট শুধু খেলাম উঠতে এবং বসতে ঠুকে দাদার পায়ে সেলাম। ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না বলা যাবে না কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার আজব স্বাধীনতা।’

আবু সালেহ আরও লিখেন-বাগিয়ে নিয়ে চেয়ারখানা জাত শুয়োরের ছা-বলছে আবার তাতেও নাকি প্রাণটা ভরে না। রক্ত খেলো মুণ্ড খেলো গিলল সবই পেটে-তাতেও নাকি পেট ভরে না যাচ্ছে জিভে চেটে। এমন ধরন রাক্ষুসীদের দেশটা দেখে ভাই হাতুড় শাবল তাক করেছি মারব জোরে ঘাই। কবিতা রেখে এবার বাস্তবজীবনে ফেরা যাক। নদীতে ইলিশ নেই। যা-ও দুই-চারটা পাওয়া যাচ্ছে দাম শুনলে মাথায় বজ্রপাত হয়। সারা দেশে টানা বৃষ্টি। উপকূলীয় অঞ্চলে হাহাকার। নদীনালা খাল, সমুদ্র পানিতে একাকার। ক্ষুধার্ত ও গৃহহীন মানুষ যখন কাঁদছে তখন চাঁদাবাজরা গদা হাতে হাঁকছে-ফন্দিবাজরা রাজপথ কাঁপিয়ে লন্ডন আমেরিকা দিল্লি পিন্ডি থেকে বিপদ-আপদ বালামুসিবত ডাকছে। সাধারণ মানুষ শুধু ভাবছে এবং জীবনের হিসাবের খাতার পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে জীবনপঞ্জির বাঁকে বাঁকে খুঁজছে আর কী কী অবশিষ্ট আছে হারাবার। অভাবের তাড়না হতাশার দুর্বিপাক এবং দুর্ভিক্ষের আতঙ্ক মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। অন্যদিকে রাজাসনে বসে কর্তারা যা ভাবছে তা কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর সবিনয় নিবেদন কবিতায় বহু আগেই লিখে গেছেন। শঙ্খ ঘোষ বলেন, ‘আমি তো আমার শপথ রেখেছি অক্ষরে অক্ষরে। যারা প্রতিবাদী তাদের জীবন দিয়েছি নরক করে। দাপিয়ে বেড়াবে আমার দল, অন্যে কবে না কথা, বজ্রকঠিন রাজ্য শাসনে সেটাই স্বাভাবিকতা। গুলির জন্য সমস্ত রাত, সমস্ত দিন খোলা বজ্রকঠিন রাজ্যে এটাই শান্তিশৃঙ্খলা। যে মরে মরুক অথবা জীবন কেটে যাক শোক করে আমি আজ জয়ী সবার জীবন দিয়েছি নরক করে।’

শঙ্খ ঘোষের আরেকটি কবিতা দিয়ে আজকের নিবন্ধ শেষ করব। তবে তার আগে জাতি হিসেবে নিজেদের দুর্বলতা ও অক্ষমতার কিছু ফিরিস্তি দেওয়া আবশ্যক। আমরা মহাসর্বনাশ ঘটার আগে চিৎকার করতে পারি না। নিজের চোখের মধ্যে বিষাক্ত তির বিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা অন্যের দুঃখকষ্ট বেদনা দেখে আহ্লাদিত হই। মানুষ যখন সাহায্যের জন্য আর্তচিৎকার করে তখন নিজেদের শরীরকে সচল না করে আমরা আল্লাহ খোদা-ভগবান-ঈশ্বর-দেব-দেবীর ওপর সব দায়িত্ব আরোপ করে অনুভূতিহীন প্রাণী হয়ে যাই। কসাইখানার পশুগুলো জবাই হওয়ার আগেও যেমন নিজেদের মধ্যে গুতোগুতি করে তদ্রুপ আমরাও মহাবিপর্যয়ের সব আলামত দেখার পরও সামান্য প্রতিবাদ না করে নিজেদের অত্যাচারীর তলোয়ারের কাছে সঁপে দিই। আমাদের উল্লিখিত দুর্বলতা ও অক্ষমতার মূল কারণ আমাদের মেরুদণ্ডহীনতা এবং নিজেদের মূল্যায়ন না করতে পারার ব্যর্থতা। আমরা জেগে থেকে ঘুমের ভান করি এবং ঘুমন্ত অবস্থায় জেগে থাকার অভিনয় করি। আমার এই হালচালাক কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর হামাগুড়ি কবিতায় কীভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা নিচে তুলে ধরা হলো-

ঘুমটা ভেঙে গেলো হঠাৎ।

বাইরে কি ঝড় হচ্ছে?

দাপাদাপি করছে জানালার পাল্লাদুটো,

মাঝে মাঝে বিজলি ঝলকাচ্ছে।

ফের শুয়ে পড়তে গিয়ে সেই বিদ্যুতের ছটফটে আলোয় মনে

হলো ঘরের মধ্যে যেন হামা দিচ্ছে কেউ!

- কে ওখানে? কে?

হামা কোন শব্দই করে না।

উঠে আসি কাছে, আবারও জিজ্ঞাসা করি :

-কে আপনি কি চান?

সে তবু নিশ্চুপ থেকে এ কোণ ও কোণে ঘুরছে

মাথা তুলছে না কিছুতেই, চোখে চোখ নয়!

-কিছু কি খুঁজছেন আপনি?

শুনতে পাচ্ছি :

-‘খুঁজছি ঠিকই, খুঁজতে তো হবেই-

পেলেই বেরিয়ে যাবো, নিজে নিজে হেঁটে।’

-‘কি খুঁজছেন?’

মিহি স্বরে বললেন তিনি:

-‘মেরুদণ্ডখানা।’

সেই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ঝলকালো ফের! চমকে  উঠ দেখি :

একা নয়, বহু বহু জন-

একই খোঁজে হামা দিচ্ছে এ-কোণে ও-কোণে ঘরজুড়ে।

               

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
প্রকৌশলীদের আন্দোলন
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
গুমের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন সব মুমিনের অবশ্যপাঠ্য
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাংক লুটপাট
ব্যাংক লুটপাট
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
কৃষিপণ্যের বিপণন ব্যবস্থাপনা
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
‘মানুষ তোমরা ভালো হও’
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
তারেক রহমান যদি কিছু মনে না করেন
আড়ি পাতা
আড়ি পাতা
দারিদ্র্য বাড়ছেই
দারিদ্র্য বাড়ছেই
সর্বশেষ খবর
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধের আহ্বান খাজার

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ
দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১
কিশোরগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষ, নিহত ১

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

৫২ মিনিট আগে | শোবিজ

হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের
হারে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

৫৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন
গফরগাঁওয়ে বলাকা কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
হত্যা মামলার আসামির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম
মরক্কোয় মিলল ‘ট্যাংকের মতো’ ডাইনোসর স্পাইকোমেলাসের জীবাশ্ম

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির
পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি
গাজার পরিস্থিতিকে ‘গণহত্যা’ আখ্যা দিতে জাতিসংঘের পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তার চিঠি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ
সাতক্ষীরা সীমান্তে ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা কমিশনের কাজ : ইসি সানাউল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের
অভিষেকে মারকুটে ব্যাটিং শেবাগপুত্র আর্যবীরের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট
পোল্যান্ডে মহড়ার সময় এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, বেঁচে নেই পাইলট

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি
চ্যাম্পিয়নস লিগ ড্র : ২০২৫–২৬ মৌসুমে কে কার মুখোমুখি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল
আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ
ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু, তেহরানের ক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা
বেনাপোলে বিএনপি কর্মী মিজানকে গলা কেটে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত
হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি
ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিদিন ৬৮ হাজার ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিচ্ছে মানুষ
প্রতিদিন ৬৮ হাজার ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শ্বাসের মাধ্যমে নিচ্ছে মানুষ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটির তারিখ পুনঃনির্ধারণ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
উপদেষ্টা হতে ২০০ কোটির চেক, সেই চিকিৎসকের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল
রোডম্যাপ প্রকাশ: রোজার আগে ভোট, ডিসেম্বরেই তফসিল

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক
‌‘মঞ্চ ৭১’র অনুষ্ঠানে উত্তেজনা, সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী আটক

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে
জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপে যা আছে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা
প্লট বরাদ্দ পেতে ভাসমান-অসহায়-গরীব পরিচয় দেন শেখ রেহানা-টিউলিপ-আজমিনা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা
উপসচিব হলেন ২৬৮ কর্মকর্তা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে
পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার ধ্বংসাবশেষ সরাচ্ছে ইরান, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত, মার্কিন কর্মকর্তার হুঁশিয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'
'রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আসলে মোদির যুদ্ধ'

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন
৯৬ ভারী ট্রাক দিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ সেতুর সক্ষমতা পরীক্ষা করল চীন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা
শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন কিম-পুতিনসহ ২৬ বিশ্বনেতা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার
বগুড়ার ফাহিমা হত্যায় ঢাকায় স্বামী গ্রেপ্তার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনী প্রচারণায় ইট-পাটকেলের তোপের মুখে পালালেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি
ভোটের প্রচারে গিয়ে পরিচয়, বিয়ে করলেন দুই ব্রিটিশ এমপি

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৩৬ দল চূড়ান্ত

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির
প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানে সময় দরকার: ফাওজুল কবির

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস
ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষুব্ধ হলেও বিস্মিত নন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ
রুশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে যুক্তরাজ্য ও ইইউ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর
গুমে মৃত্যুদণ্ড, বন্ধ তিন বন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম