আগামী সপ্তাহের শুরুতেই শুরু হচ্ছে রমজান মাস। সাধারণত রমজানে কক্সবাজারে পর্যটক তেমন আসে না। তাই গত শুক্র ও শনিবার চলতি মৌসুমের বেড়ানোর শেষ সুযোগ হিসাব করে কক্সবাজারে প্রচুর পর্যটক ভিড় করেছে। দুই দিন এ সমুদ্রসৈকতে একেবারে উপচে পড়া ভিড়। নিষেধাজ্ঞা থাকায় ৩১ জানুয়ারির পর পর্যটক সেন্টমার্টিনও যেতে পারছে না। ফলে ওই দুই দিন কক্সবাজারে পর্যটকের বাড়তি ভিড় দেখা যায়।
ফাগুনের উষ্ণ রোদ আর সন্ধ্যার শীতল হাওয়ার মিষ্টি স্পর্শ নিতে শুক্র ও শনিবার যেন তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না সৈকতে। লোকারণ্য ছিল সমুদ্রপার আর হোটেল-মোটেল।
পর্যটনসংশ্লিষ্টরা জানান, শুক্র ও শনিবারের জন্য ১৫ দিন আগেই কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল-রিসোর্টের কক্ষ বুকিং হয়ে যায়। হোটেল-মোটেলের ধারণক্ষমতার বেশি লোকসমাগম হয়েছে। যাঁরা কক্ষ বুকিং দিয়ে আসেননি তাঁরা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ বিষয়ে হিমেল নামে এক পর্যটক জানান, মৌসুমের এ সময়ে এসেও কক্সবাজারে এত মানুষ হবে চিন্তা করেননি। হোটেল পেতে অনেক কষ্ট হয়েছে, যেহেতু আগে বুকিং দেননি। ভাড়াও বেশি মনে হয়েছে। কক্সবাজার রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান, রমজানে পর্যটক কমে যায়। এ সময় সাধারণত হোটেল-রেস্তোরাঁ রক্ষণাবেক্ষণ-সংস্কারের কাজগুলো হয়ে থাকে। সি সেফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফগার্ড কর্মী জয়নাল আবেদিন ভূট্টো বলেন, শীতের মৌসুম শেষ। এখন যেমন তাপমাত্রা বেড়েছে, তেমন সাগরের ঢেউয়ের উত্তাপও বেড়েছে। একইসঙ্গে সমুদ্রস্নানে নামার সংখ্যাও বেড়েছে। সমুদ্রস্নানের সময় তিন স্তরে নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে।
আর ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সৈকত ও আশপাশে পোশাকধারী পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের মাধ্যমে পুরো সৈকত পুলিশের নজরদারির আওতায় রয়েছে।